শব্দগুলো তো সেই কোন্ সকালেই বেরিয়েছে
পেঁৗছেছে কি অবুঝ আত্মাগুলোর কাছে?
খুব জানতে ইচ্ছে করছে
দেয়াল ধ্বসা গলি-মুখে যে থম্কে আছে সময়!
বৃন্তচু্যত কলিগুলোর আর হলো না ফুটে উঠা
সাজাতে পারিনি ওদের বসন্ত-বাগান,
বিস্ফোরক আগুন নিঃশেষ করে দিল বরফ-হৃদয়
সাজাতে পারিনি ওদের অনন্ত-উঠোন।
আমরা তো পারি বিদায়ের পর চলি্লশা ঘটাতে
মহান আয়োজনে আতরে-বাসনে;
শব্দের পর শব্দ গেঁথে প্রিয়ার শরীরের উমে থেকে
বিদ্রোহের অগি্নবান নিক্ষেপ করতে।
পৃথিবীর মানুষেরা এখন জিম্মি, বন্দী গ্রহের বাঁধনে
ক'টি মাত্র মুখোশী ভদ্রলোক(?); সন্ত্রাসীর হাতে
মহাবিশ্বের প্রতিটি প্রাণই যেন দারুন একা; নিঃস্ব
ঐক্যেরা হাত গুটিয়ে নিয়েছে তাদের বিভাজনে
যে চায় মরতে, কে তাকে রুখবে?
শুকনো মাটিরা জীবন্তের রক্ত খেয়েছে যুগে যুগে
আড়াল করেছে আপন অাঁচলে তোমাদের দিকে চেয়ে,
এ আঘাত সয়ে যায় তো ও আঘাত আসে তেড়ে
প্রতিটি আঘাতই আঘাত, প্রতিটি ক্ষতই বেদনার
অতীত-বর্তমান এখানে সমান, ভুলবে কাকে?
তাই বলে সময়ের আবরণ তো মিথ্যে নয়
কালের সংশোধনও কি ফেলে দেবো মন থেকে?
কি চাও বেদনা আঘাতের পর আরো
দেবো কি রক্ত! মেটেনি কি পিপাসা তোমার!
প্রতিটি রক্তপিপাসু ধরনীর শত্রু; কালের হায়েনা
ন্যায়ের দণ্ড উচ্চকিত ঐ বিধাতার আঙনে; গণমানুষের মনে
ক্ষমা পাবে না কেউ তোমরা চোখে ধুল ছুঁড়ে
অতীতকে দিয়ে ঢাকা যায় না কখনো বর্তমান;
যদি হয় প্রতিটি অতীত ভুল তবে মনে রেখো
প্রতিটি বর্তমানও হয়ে যাবে ভুল; মূলতঃ
বর্তমান ভুল হলে অতীত দিশারী আলো।
শব্দগুলো কি পেঁৗছাবে ওদের আত্মায়; এদের অন্তরে
কি কান্না লুকোয় এখনো ধরনীর গহ্বরে
আকাশে-বাতাসে বিষাক্ত সময় হয়ো না কখনো স্থির
হও অস্থির! পার হয়ে যাও দ্রুত- কালো রক্তের দিন
হায় সোনালী ভোর! ক'বে ফিরবে তুমি আমাদের আঙিনায়
দারুন পিয়াসী অন্তর আমার তোমারি অপেক্ষায়...! (অশ্রু)
02.08.2006
মদীনা মুনওয়ারা, সৌদি আরব।
ছবির জন্য [লিংক=যঃঃঢ়://ংঃধঃরপ.ভষরপশৎ.পড়স/3/2628057থ29ধব9ধ007নথস.লঢ়ম]কৃতজ্ঞ[/লিংক] যেখানে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




