সময় তার সবগুলো সিঁড়ি কাঁধে তুলে দিয়ে বলছে ঃ
সামনে চলো!
আমি জীবনের সবগুলো দেয়ালকে প্রসারিত করি
আর বলে উঠি দারুন উপহাসে ঃ
কোথায় নিয়ে যাবে আমায় হে,
ঐ দেখ সম্মুখের শেষে অপেক্ষমান আমাদের প্রভূ;
আমারও যে গন্তব্য সেখানে।
বাদাড়ের ফ্যাকাশে হলুদ পাতাদের মাড়িয়ে চলি নিশিদিন
মর্মর ধ্বনি ঝংকারিত করে কখনো; কখনো কাঁদায়
কাঁপায় নির্ঝরী, আবার নতুনেরা জাগায় আশার স্বপন।
তবুও চলি সময়ের তাড়া খেয়ে খেয়ে, অাঁধার গিলে গিলে;
যেখানে রাতেরা বয়ে আনে হিংস্রতার কালো মেঘ আর
ঝরায় লাল রক্তের বৃষ্টি, অন্ধকার আমায় সবকিছুই কালো দেখায়।
হোঁচট খাওয়া অসমতল আমাকে একটু একটু করে রেখে দেয়
নিঃশেষ হই চলতে চলতে; সন্ধ্যার অস্তাচলে মিশে যাই অবশেষে।
তবুও বিশ্রাম নেই জীবনের; লেনা-দেনার হিসেবে কি পাবো
মনে কি আছে সঞ্চয়ী হিসাব? পারবো কি সই করতে
জন্ম থেকে মৃতু্য পর্যন্ত আজন্ম কিংবা আমৃতু্য চেক বইয়ে,
আমি কি ঘুমোবো তখন, না কি জ্বলবো অনন্ত জ্বালায়!!!
বায়ুর সমুদ্রে নিমজ্জিত প্রাণ সময়ের শৃংখলে রুদ্ধ-আবদ্ধ
আমি ভাবি নিমগ্ন হবো তোমাতে; তবুও তাড়িত হই
একরাশ নক্ষত্র আলো খেয়ে ফের গিলি অন্ধকারের শরাব
অন্ধকারকে কণ্ঠ ছিঁড়ে বের করে পান করি আলোকের সুধা।
10.08.2006
মদীনা মুনওয়ারা, সৌদি আরব।
ছবির জন্য কৃতজ্ঞ [link|http://photojournal.jpl.nasa.gov/jpegMod/PIA08501_modest.jpg|
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



