নিমগ্নিত অন্ধকারের তেপান্তর পেরিয়েই এক সময় পৌঁছে যেতাম আলোর জগতে, যখন আন্তরিকতায় আমি নিতান্তই এক মহাজাগতিক পাখি; যার উড়ে বেড়ানোতে নেই কোন বাধা, নেই বিপত্তি আকাশ থেকে আকাশে, পাতাল থেকে অতলে, সর্বত্র। আল্লাহ্ আমাদের অন্তরসমূহকে এমনভাবে সৃজন করেছেন যে, শুধুমাত্র কল্পনাতেই সম্ভব করে ফেলতে পারি- যে কোন ভুবন, সৃজন, আকাশ-পৃথিবী, অবয়ব, আর যদি অন্তরের ধারক দেহের মস্তিষ্ক হয় জ্ঞানের আলোকে আলোকময়, তবে তো নিশ্চিন্ত বিচরণও হতে পারে গ্রহ হতে গ্রহানুপুঞ্জ পেরিয়ে আকাশের ঐ স্তরে যেখানে পিতঃ ইব্রাহীম 'আলাইহিস্ সালাম গাছের ছায়ায় কাল কাটাচ্ছেন খেলায়রত আনন্দিত শিশুদের সাথে। যাওয়া যায় অনায়াসেই পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে, ছোঁয়াও যায় সেই মহা রহস্যময় মাধ্যাকর্ষণের মধ্যমণিকে; যার মাধ্যমে বিশ্বভূবনের গ্রহ নক্ষত্র ধাবমান হয়েও মিলেমিশে বসবাস করে যাচ্ছে অনাগত কাল থেকে অথচ নেই কোন বিবাদ-বিসম্বাদ। অতি নগণ্য আমি, আমার ভাবনারা, আমার প্রকাশ পন্থা; তাই তো অজস্র অসীম ভাবনাকে কখনোই পারিনা গ্রন্থিত করে তুলতে, পারি না সাজাতে, সাজিয়ে তুলে দিতে তোমাদের হাতে।
ভাবনারা হেঁটেছিল সে-ই গতিময় বাসেই, যেখান থেকে যাত্রীরা আন্তরিক অপেক্ষায় ছিলাম সম্মুখেই আল-কাছীম শহর আসবে বলে। ভাবনারা সদর্পে বলেছিল- "!@@!409576 !@@!409577 !@@!409578", "!@@!409579 !@@!409580 !@@!409581 !@@!409582", "!@@!409583", "!@@!409584 !@@!409585", "!@@!409586 !@@!409587", "!@@!409588 !@@!409589 !@@!409590", "!@@!409591 !@@!409592", "!@@!409593 !@@!409594 !@@!409595", "!@@!409596 !@@!409597 !@@!409598-!@@!409599", "!@@!409600 !@@!409601 !@@!409602", "!@@!409603 !@@!409604", "!@@!409605 !@@!409606 !@@!409607 !@@!409608 !@@!409609", "!@@!409610 !@@!409611 !@@!409612", "!@@!409613 !@@!409614", "!@@!409615 !@@!409616", "!@@!409617 !@@!409618", "!@@!409619 !@@!409620 !@@!409621", "!@@!409622 !@@!409623", "!@@!409624", "!@@!409625 !@@!409626 !@@!409627", "!@@!409628 !@@!409629", "!@@!409630", "!@@!409631 !@@!409632 !@@!409633", "!@@!409634 !@@!409635", "!@@!409636 !@@!409637 !@@!409638 !@@!409639", "!@@!409640 !@@!409641 !@@!409642" এবং বর্তমানের "!@@!409645 !@@!409646" -এর ন্যায় এক আকাশ সঞ্চয়ের কথা। ২৮ দিনের অপূর্ণ মাসের ২৬ কবিতা আমার নিরন্তর ভাবনার মৌসুমী ফসল; হয়ত জীবনে আর এ মৌসুম ফিরবে না, হয়ত ফিরবেও। ছিল না যে গদ্যেরা, তা বলবো না; সমসাময়িক ব্লগীয় প্রসঙ্গক্রমে কিছু অধ্যয়নের ফসলও তুলে রাখলাম সযতনে "!@@!409689 !@@!409690 !@@!409691 !@@!409692 !@@!409693 !@@!409694 !@@!409695 !@@!409696 !@@!409697", "কাদিয়ানীরা সাম্রাজ্যবাদীদের তৈরী সাম্রাজ্য রক্ষার হাতিয়ার- (!@@!409704) ও (!@@!409706)" -এতদ শিরোনামের আড়ালে। এই তো, এভাবেই অবসরের নতুন সময়ে জোড়াতালি দেয়া অন্তর-নির্যাসগুলোকে জমিয়ে রেখেছিলাম অনাগত কালের অর্জনে আর উষ্ণ অনুভবে।
যখন আল-রাজ্হীর মসজিদে তাহাজ্জুদের আযান হয়, তখন ভূবনচারী অন্তর আমার নেমে আসতো মর্তের কাষ্ঠাসনে। তারপর আধো আধো হারানো এবং ফিরে পাওয়া নিয়ে গুটিয়ে নেই আমার ছন্দহীন জীবনের কবিতার খাতা। কিছু পড়াশোনা, কিছু রাতজেগে সালাত আদায়কারীদের প্রার্থনা, কিছু প্রকৃতির ছোঁয়া আর তার সাথে বিড়ালদের নিজস্বভাষার বলাবলি, ছুটোছুটি, দুষ্টোমী দেখা নিয়েই আহ্বান শুনি প্রভাতী সিজ্দার। নেমে পড়ি কাব্যাসনে পাড়ি জমানো কাব্যলোক হতে আর জাগিয়ে দেই নিদ্রাক্লান্ত সাথীদের, ওরা অপূর্ণতাকে পূর্ণ করতে বাড়ীর কৃত্রিম আঙিনাতেই সেরে নেয় ফজরের সালাত আর আমি ছুটতে থাকি আল-রাজ্হীর পুরোনো মসজিদের পানে। কখনো বুক পকেটে যত্নে রাখি গতরাতের পাণ্ডুলিপির আলগা করা পৃষ্ঠাগুলো, যেখানে সদ্যশিশুর মত হাতপা ছুঁড়ে কাঁদছে যেন ব্লগপাতার দোলনায় ঘুমোবে বলে; আমার কবিতারা। তাদেরে নিয়ে দীর্ঘ পথের ওপারের মসজিদে ছুটি যেন সালাতান্তেই ছুঁতে পারি ক্যাফের কীবোর্ড আর পরিপূর্ণ দৃষ্টি মেলে দেখতে যেন পারি বিগত রাতের অন্তরুত্থিত ভাবনার সিন্ধু জয়ের সতেজ সঞ্চয়ণ।
১৭.০১.২০০৭, মদীনা মুনওয়ারা, সৌদি আরব।
(((অসমাপ্ত)))
ছবিঃ আপন দৃষ্টিতে সে কাব্যাসন।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৮:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।







