অল্প কিছু আগে বিডি নিউজে একটি নিউজ দেখে খুব ভালো লাগলো। ভারতের লোকসভা হাজারের সব দাবি মেনে নিয়েছে। কাল থেকে অনশন বন্ধ করতে পারেন হাজারে। তার দাবিগুলো সকলকে আর একবার মনে করিয়ে দিচ্ছি-
তার প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে, কেন্দ্রে একটি স্বাধীন লোকপাল ইনস্টিটিউশন গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রতিটি রাজ্যে একই ধরনের স্বাধীন প্রতিষ্ঠান 'লোকাউক্ত' গড়ে তোলা।
দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রের লোকপালে বিচারকরা ছাড়া সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে এবং লোকাউক্ততে রাজ্য সরকারের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বিচারের আওতায় আনার বিধি রাখতে হবে।
তৃতীয়ত, সরকারি সব বিভাগে সিটিজেন চার্টার রাখা বাধ্যতামূলক করা, যেখানে সরকারি কোনো দপ্তরে কোনো নাগরিকের কোনো কাজের জন্য কত সময় লেগেছে এবং কোন কর্মকর্তা কাজটি করেছেন তার উল্লেখ থাকবে। সিটিজেন চার্টারের লঙ্ঘন হলে শাস্তির বিধান রাখারও প্রস্তাব করা হয়েছে এতে।
আন্না হাজারে আমাদের সামনে একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেলেন।আমাদের আসলে দরকার রুখে দারানোর মানসিকতার। আন্না কিন্তু এত ঝামেলা না করে ঘরে কুলুপ এঁটে ঘুমাতে পারতেন। আজ তার বার দিনের অনশন এর কারনে সরকার বাধ্য হয়েছে লোকপাল আইন সংশোধন করতে। আমাদের বিপ্লবী হওয়ার সময় এসে গেছে কারন মুখ বুঝে সহ্য করে আমরা আসলে নপুংশুক হয়ে গেছি।
আজ আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুলের মৃত্যু দিবষ। ঠিক একই দিনে এই মহান বিপ্লবীর আদর্শ এবং আন্না হাজারের বিজয় আমাদের বুঝিয়ে দিয়ে গেল নন্দলাল হয়ে ঘরে বসে থাকার দিন শেষ। আর কতদিন আমরা ঝগড়া করব একই বিষয়ে
বাঙালী নাকি বাংলাদেশী
খোদা হাফেজ নাকি আল্লাহ হাফেজ
জিয়া নাকি শেখ মুজিব
চীনের মহান নেতা মাওসেতুং বলেছিলেন একটা দেশ উন্নতি করতে হলে এক বা দুইটা প্রজন্মকে ত্যগ শিকার করতে হয়। আজ ৪০ বছর বয়সী বাংলার সেই ত্যাগী প্রজন্মের জাগরণের আশায় ১৬ কোটি মানুষ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


