somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

plz pray 4 a victory

০৮ ই এপ্রিল, ২০০৭ ভোর ৬:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার সবচে সবচে সুইট বোনটাকে নিয়ে কখনোই কোন খেলা দেখতে পারিনি।শুধু পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত।কোথায় কোন বিতর্ক প্রতিযোগিতা,গনিত প্রতিযোগিতা সব কিছুতেই উনার উপসহিতি।মায়ের পেঠের বোন না হলে ও নিজের বোনের থেকে প্রিয়। 2 বছর পুর্বে দেশে গিয়ে ওর অবসহা দেখে আমি তো সামনাসামনি কেদেই ফেলেছিলাম। বইগুলো ছুড়ে ফেলে বলেছিলাম পড়তে হবে না। আগে বেচে থাকো তারপর পড়াশোনা। গান শেখা, কবিতা আবৃত্তি সব কিছুতেই উনার আগ্রহ। আর আমি ছিলাম সেই সব কিছুর যোগানদাতা। S.S.C তে গোলেডন স্টার পেয়ে সে কি অবসহা। আমি জার্মানি থেকে ও উত্তাপ টের পাচ্ছিলাম। পরীক্ষার আগে উনার টেনশন দেখে আমরা সবাই শংকিত। পরীক্ষা শেষ হলে বলে কি পরীক্ষা দিয়েছি কিছুই মনে নেই। সময়ের সাথে সাথে অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়ে যায়।নিজের জন্মতারিখ মনে থাকে না। উনারটা ও ভুলে গিয়ে মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়। ফোন করে ধুম ঝাড়ি।ক্রিকেট বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর দেখি উনি sms করে বাংলাদেশের জন্য দোয়া করতে বলে। আমি একটু টাশকি খাই। ঘটনা কি? যেখানে দেশে একা একা সারা রাত বসে ক্রিকেট, ফুটবল ম্যাচ আমাকে একাই দেখতে হতো।উনার কোন ইন্টারেষ্টই ছিল না,সেই কি না আমার কাছে বাংলাদেশ দলের খেলার প্রশংসা করে। অফিসে সাধারনত 1st ইনিংস মিস হয়। 2য় ইনিংস পুরোটাই বাসায় এসে দেখি। টাইমিং ভালোই এখন পর্যন্ত। মাঝে মাঝে অফিসে থাকতেই দেশ থেকে এস.এম.এস করে আপডেট জানানো হতো। রাত করে দেশেsms পাঠাতাম না। ভাবতাম দেশের মানুষ তখন প্রায় সবাই ঘুমে অচেতন। শুধু মাত্র কিছু খেলা পাগল লোক জেগে খেলা দেখছে। খেলা শেষ হতে বাংলাদেশ সময় রাত 3টা। আর আমার পড়া পাগল বোনটি তো তখন সবার মতো গভীর ঘুমে । গতকালের ম্যাচ শুরু থেকে ম্যাসেজ পাঠানো শুরূ। 1ম ইনিংস পর আমার শ্রদ্ধেয় বোন একটি ম্যাসেজ পাঠান "see hw powerful our players are.now its ur turn plz pray 4 a victory"। আমি তো পুরো পাংখা ।দেশে নাকি বাসার সবাই খেলা দেখছে। খেলা শেষে মা বাবা সবাই মিলে হালকা চিল্লানো হলো। দেশ থেকে sms "1 thing 4 sure, our plaxer r 'BAGHER BACHA' okay, congrats 2 all da bangali guys in d whole universe"। মা বলে -আচ্ছা তুই তো নিজেই একটা খেলা পাগল। বোনটাকে ও ঐ রকম বানাচ্ছিস। বলি দেখতে হবে না কার বোন।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই এপ্রিল, ২০০৭ ভোর ৬:৩২
৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?
মাজার বিদ্বেষ, বাউলগান বিদ্বেষ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আপত্তি- এরপর কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় কলেমা লেখা পতাকা টানানো; আর এখন সিলেটের বিয়ানীবাজারে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে ঐতিহ্যবাহী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা - 'সত্য বলার সনদ'

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৮



রাত দুটায় রাকিবের ফোন বেজে উঠলো।

—ভাই, আপনার মুক্তিযোদ্ধা সনদটা কোথায়?

—কেন?

—একজন আমেরিকা-প্রবাসী ব্লগার বলেছেন, আপনি নাকি ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা।

রাকিব কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন,
—আমার সনদ তো আলমারিতে। কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৮



- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।

- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ রক্ত ঋণ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৪




আমাদের পরিবারে সাব্বির নামটা উচ্চারণ করা নিষিদ্ধ । সাব্বির ভাইয়া আব্বুর প্রথম সংসারের একমাত্র সন্তান আর আমরা দুই ভাই -বোন তার দ্বিতীয় সংসারের।
সাব্বির ভাইয়ার মা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আর্কাইভ থেকে: আহ প্রিয়তমা, মিলনের গল্প জানো না

লিখেছেন অর্ক, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:১৫



ফেলে আসা এক সড়কের কথা মনে পড়ে। হলুদ নিয়ন বাতির ম্লানাভ সন্ধ্যেবেলা। পলেস্তারা খসা বয়োজীর্ণ দেয়াল। দুয়েকটি রিক্সা। সিটের ’পর পা তুলে আঁটোসাটো ঝিমানো চালক। খেলা শেষে ঘরে ফেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×