somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কি কথা তাহার সাথে .....

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
কি কথা তাহার সাথে ..... ( একটি মিষ্টি অথচ অধরা ভালোবাসার গল্প )



রজনীগন্ধা,

কাল রাতে অতো মধুর আলাপের পরে সেই যে গেলেন, তারপরে আড়মোড়া ভেঙ্গেছে কি আপনার ?
আজকে সকালেই আমি আপনার শহরটিকে ছেড়ে যাচ্ছি, একথা তো আপনাকে আমি বলেছি তাইনা ? এখোন ট্রেনের দরজার কাছে দাঁড়িয়ে সিগারেট ফুঁকতে ফুঁকতে বাইরে চোখ ফেলতেই দেখি, রেলপথের ঢালুতে ঝোপঝাড়ে নাম না জানা রঙিন ফুল । বসন্তের শেষ বলেই হয়তো, অন্য সময় চোখে পড়েনা । তখোনই আপনার কথা আবার মনে হলো । নাম না জানা এক ফুল । নাহ.. ঠিক হলোনা মনে হয় ! আপনার নাম তো আমার জানাই আছে, আপনার আসল নামটি । কিন্তু এই চিঠির সম্বোধনে আমি আপনাকে ডেকেছি একটা ফুলের নামে । ফুলের নামে নাম দিয়েছি আপনার । আপনাকে দেখার কদিন পরেই, মনে মনে । আপনাকে দেয়া এ নামটি আপনি হয়তো কোনদিনও জানবেন না । কেন ? চিঠি আজকাল আর কে-ই বা লেখে ! এই ইলেক্ট্রনিক্স যুগে যন্ত্রে তোলা শব্দগুলো আজ আর হাতের লেখার উষ্ণতা নিয়ে কারো কাছে যায়না । নীল খামে আকাশ ভরা গন্ধ আজ আর কেউ খোঁজেও না । নীল চিঠির দোদুল হাওয়ায় দোলে শুধু কবিতা লেখা কিছু বোকা পুরুষেরা । তাই এটার ভাগ্যেও আপনার হাতের ছোঁয়া পাওয়া আর হয়ে উঠবেনা। এ চিঠিটি আপনাকে হয়তো আমার পোষ্ট করাই হবেনা কখোনও, বুঝলেন ?
আলভী সাহেব যখোন আমাকে ট্রেনে তুলে দিয়ে বিদায়ী হাত নাড়ছিলেন তখোন আমার কান অপেক্ষা করছিলো মুঠোফোনের একটি ঝংকারের জন্যে । তাই শুরুতেই জানতে চেয়েছি, আড়মোড়া ভাঙলো কিনা আপনার । কি জানি ভেঙেছে কিনা ! একটি ঝংকার যে এখোনও বেজে ওঠেনি, ধরে নিতেই পারি; ঘুমুচ্ছেন । আবার এ ও হতে পারে , আমার কথা মনেই পড়েনি আপনার । এই শেষেরটা হলে আমার কি দুঃখ পাওয়া উচিত ? নিজের কাছেই প্রশ্নটি কঠিন বটে । জবাবটি পেতে হলে আপনার সাথে গত মাসগুলোর কড়চা খতিয়ে দেখতে হবে যে !

সেদিন চায়ের কাপখানি তুলে দিতে আপনার হাত আতিথেয়তার সৌজন্যে আমার হাতের উপর যেটুকু প্রহর থাকার কথা , তার চেয়ে কয়েক পলক বেশী ছিলো । হয়তো আপনার দিক থেকে কিছু না ভেবেই ওটা হয়ে গেছে । কিন্তু আপনার হাতটি যে একটু কেঁপে উঠেছিলো ! সে কাঁপন আমাকেও যে ধরেছিলো একটু বেশী করে, তা কি করে অস্বীকার করি ? কোনও কোমল হাতের স্পর্শ যে আমি কখোনও পাইনি তা তো নয় । ঢের পেয়েছি । কিন্তু সেদিন আমার ওমোন হলো কেন ? আপনি উঠে চলে গেলেন আপনার মরালী গ্রীবাটি খানিকটা দুলিয়ে । হলদেটে নরম জমিনে জোনাকির মতো ঘাম চিকচিক করছিলো যেখানে । সে কারনে কী ?

কবিতার আসরে আলভী সাহেবের নেমন্তন্ন পেয়ে প্রায় তিনশো কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে প্রথমবার যখোন আপনার শহরে এসেছিলুম তখোন রাত দশটা পেড়িয়ে গেছে । রাতের খাবারের জন্যে আলভী সাহেবের জোরাজুরিতে তার বাসাতে না গিয়ে পারা গেলোনা । সেখানেই তো আপনাকে আমি প্রথম দেখলুম । নাকি আপনি আমাকে দেখলেন ?
পরে অবশ্য এর উত্তরটা পেয়েছি । আপনি আমাকে অনেক অনেক দিন পরে দেখলেন । আমিও আপনাকে । প্রথমদিনে আপনাকে তাই কেমন যেন চেনা চেনা মনে হয়েছিলো । অমায়িক , অসংকোচ এক নেমন্তন্নকারীর স্ত্রীকে প্রথম দর্শনেই কোথায় যেন দেখেছি , এমোন জিজ্ঞাসা শোভন নয় বলেই করিনি সেদিন । আলভী সাহেব আপনাকে ডাকছিলেন মিনু নাম ধরে । আপনার এ নামটি আমার জানা ছিলোনা । তাই নাম মিলিয়ে চিনে নিতে দেরী হয়েছিলো । সেদিনও ফিরে আসার আগে এককাপ চা আপনি আমাকে এগিয়ে দিয়েছিলেন । আপনার হাতখানি সেদিন আমার হাত ছুঁয়ে যায়নি যা গিয়েছিলো তৃতীয় বারে । কবিতার আসর শেষে ফিরে আসার দিনও আবার আলভী সাহেব নিয়ে গিয়েছিলেন আপনার ওখানে বিদায়ী ভোজের জন্যে । সাথে অবশ্য কবিতা সংঘের আরো কয়েকজন ছিলেন । আপনার সান্নিধ্য ভাগ হয়ে গিয়েছিলো সবার মাঝে । সে রাতে লালা ঝরানো খাবার বাদে যেটুকু বাড়তি জুটেছিলো আমার ভাগ্যে , তা আপনার বঙ্কিম চাহনী । সে চাহনী হঠাৎ হঠাৎ থমকে যাচ্ছিলো আমার মুখে । মনে হচ্ছিলো কিছু একটা খুঁজছেন । ভাবছেন, কি করে এটুকু জানলুম ? জেনেছি , কারন আমিও যে কিছু খুঁজছিলুম আপনার মুখে, চোখে ।
আমার নামটি আপনি জেনে থাকবেন আলভী সাহেবের কাছ থেকে । আপনার শহরের কবিতা সংঘের ত্রৈমাসিক অনুষ্ঠানের মধ্যমনি , মানে প্রধান অতিথি হয়ে যিনি আসছেন সে সংঘের সভাপতি পত্নীর তা না জানার কথা নয় । তাই আমাকে একেবারে না চেনার কথা নয় । শুধু আপনার নামটি আমার জানা হয়নি প্রথম দেখাতে । পরে ফিরে আসার পথে আপনার মুখখানি মেলাতে চেয়েছি স্মৃতির ফিকে হয়ে আসা মুখগুলোর সাথে । মেলাতে তেমোন কষ্ট হয়নি । কিন্তু অনেকটা সময় পার হয়ে গেছে বলে সন্দেহটাকেও কষ্ট করে সরাতে পারিনি । সেদিন যেন পানির গভীরে থাকা শৈবালের গা ছুঁয়ে উঠে আসা একটি ছোট্ট বুঁদবুঁদের মতো আপনি ভেসে উঠলেন স্মৃতির পুকুরে । তাহসিনা তাবাসসুম ? ভার্সিটির একই বিভাগে দু’বছরের জুনিয়র ? একটা চিরকূট পাঠিয়েছিলেন যিনি আমাকে একদিন ? যেখানে লেখা ছিলো –
“তাবাসসুম যে আপনার কথা খুব মনে করে, তা কি জানেন ?”

আজ স্বীকার করছি, আমি জানতুম । খুব ভালো করেই জানতুম । কিন্তু আপনাকে তা জানতে দিইনি । আমি যে তখোন অন্য কোথাও বাঁধা পড়ে আছি । পরে আরো একখানা চিরকূট এসেছিলো আপনার দিক থেকে আমার কোনও সাড়া না পেয়ে ।
লেখা – “ তাবাসসুম কি ভুল করে ফেলেছে কিছু ?”
এই প্রশ্নেরও কিছু উত্তর ছিলোনা আমার কাছে । জানি, আপনি সেদিন আমাকে দেবযানীর মতো অভিশাপ দিয়েছিলেন । আমার স্ত্রী যে আমাকে ছেড়ে গেছেন , তা কি এই অভিশাপের ফল ? সাহিত্য নিয়ে খানিকটা ঘাটাঘাটি করি বটে, তাই মনটা কোমল , নরম হতেই পারে । তাই বলে এরকম একটা কান্ডে বিশ্বাস করে বসবো এতোখানি অবুঝ হয়েছি কী ? আপনার কি মনে আছে, ভার্সিটির শেষ দিনটিতে সবাই যখোন বিদায় নেয়ার আয়োজনে আড্ডায় মশগুল আপনি বার কয়েক এসে দুর থেকে ঘুরে গেছেন । আপনার চোখমুখের লেখা অতো দুর থেকে আমার পড়া হয়ে ওঠেনি । অনাগ্রহ বলেই কি ? সেটাই বোধহয় আপনার সাথে আমার শেষ দেখা, তাইনা ? আজ এতো বছর পরে মনে হচ্ছে, সেদিন আপনার সামনে গিয়ে আমার কি কিছু বলা উচিত ছিলো ! কে জানে, অনাগ্রহ নয় আপনার প্রসারিত হাতে অপ্রাপ্তির ছোঁয়া বেশি কঠিন হয়ে লাগুক বলেই হয়তো সেদিন কিছু বলা হয়নি !
এতোদিন পরে আপনাকে হঠাৎ দেখে তাই কি ভাবালুতায় পেয়ে বসেছিলো আমাকে ? আপনাকেও কি ? আপনি বোধহয় আগের চেয়েও খানিকটা সুন্দর হয়েছেন । নাকি আমার কবি চোখ আপনাকে সুন্দর দেখছে !
সেদিনের কথা মনে আছে , দ্বিতীয়বার যখোন আপনার বাড়ীতে কবিতার আড্ডা বেশ জমে উঠেছিলো ? আমার কবিতার এই খন্ডটুকু আমি খুব আবেগ দিয়ে আবৃত্তি করছিলুম ?

“ যে জন দাঁড়ায় এসে অজ্ঞাতে সমুখে
সেদিন তারে দেখি নাই চোখে চোখ রেখে ,
আজ যেন সে–ই মর্ম মাঝে
দারুন মেঘের মতো
তুলে যায় সুন্দরের তরঙ্গ অপার যতো ।
সেদিনের ভুল আজ ভাসায় দুকূল
রুধিব তারে কি দিয়ে ?”

আপনি সবটা সময় ধরে তাকিয়ে ছিলেন আমার দিকে তারপরে নামিয়ে নিয়েছিলেন চোখ ? কেন ?
বহুদিন আগের এক চিরকূটে লেখা “ ভুল” শব্দটি সেদিন কি খুব বেজেছিলো আপনার কানে ? আর আমিও কি সেদিনের সেই চিরকূটের জবাব দিতে চাইছিলুম আজ এতোদিন পরে ?

তৃতীয়বার যখোন আবার আপনাদের কবিতা অনুষ্ঠানের নেমন্তন্নে গেলাম তা শেষ হলে বাড়ীর আড্ডাতে আলভী সাহেব জীবনানন্দকে নিয়ে পড়লেন । জীবনানন্দের প্রথম দিককার লেখা রবীন্দ্রনাথকে কেন আকৃষ্ট করেনি তাই নিয়ে আড্ডার শুরু । পরে সবাই জীবনানন্দ দাশের গ্রন্থিত – অগ্রন্থিত কবিতা নিয়ে কাঁটাচেরা করার ফাঁকে ফাঁকে একলাইন দু’লাইন আবৃত্তি করছিলেন তার কবিতা । আলভী সাহেব মনে হয় মনেপ্রানে কবি নইলে এতোবার শোনা বনলতা সেন কবিতাটি তার মুখে এতো মনোরম হয়ে উঠেছিলো যে কখোনও তেমোনটা আর কোথাও যেন শুনিনি । সে কি তার আবৃত্তির গুনে ? নাকি – “ এতোদিন কোথায় ছিলেন...” এই লাইনটি কানে বাজছিলো বলে ?
আমি ও তার রেশ ধরে “হাযার বছর শুধু খেলা করে” কবিতাটি আবৃত্তি করেছিলুম –
“...শরীরে ঘুমের ঘ্রান আমাদের – ঘুচে গেছে জীবনের সব লেনদেন:
“মনে আছে ?” শুধালো সে - বললাম আমি শুধু, “ বনলতা সেন ।”

আপনি সবাইকে চায়ের কাপ এগিয়ে দিচ্ছিলেন । আমাকে ও । আপনার হাত সেদিন যেটুকু সময় থাকার কথা , তারও বেশী সময় নিয়ে থমকে ছিলো আমার হাত ছুঁয়ে ।
আপনি কি আমাকে ঠিকঠিক চিনে উঠতে পেরেছিলেন সমস্ত সন্দেহ সরিয়ে ?
আপনি তেমোন কোনও ইঙ্গিত দেননি । আমার দিক থেকেও তাই । এই নিয়ে পাঁচবার আপনার সাথে দেখা । ঘুনাক্ষরেও কেউ কাউকে চিনি কিনা এমোন আকার –ইঙ্গিতও আমরা করিনি । জানা হয়নি , একজন তাহসিনা তাবাসসুম কি আজও কারো কথা মনে করে কিনা । কি তাজ্জব তাইনা ?
শুধু মুগ্ধ শ্রোতার মতো আপনি আমার কথা, আমার কবিতা শুনে গেছেন । আপনিও মাঝে মাঝে তাতে কথার ওম ছড়াচ্ছিলেন । গরম ভাতের ধোঁয়া ওঠার মতো উষ্ণতা উড়ছিলো যাতে ।
সেদিন হঠাৎ বানানো কবিতার লাইনের সাথে নতুন লাইন জুড়ে দেয়ার খেলা চলছিলো আলভী সাহেবের সাথে, আন্তক্ষরী খেলার মতো । আমার পালা এলে বললুম -
...............খেলার পুতুল ভেঙে সে আবার নতুন পুতুল
................চেয়েছিলো এতোদিন চুপিসারে .......

আমি এই লাইন দু’টি বলতেই আলভী সাহেবের আগেই আপনি বলে উঠেছিলেন -
.............. পৌষের হাটে খুঁজেছে সে তাই বারেবারে
...............একটি নতুন পুতুল
...............পুরনোর মতো ভালোবাসা যায় যারে ।

লাইন ক’টি বলেছিলেন আমার চোখ থেকে আপনার চোখ দু’টি না সরিয়েই , চোখে চোখ রেখে । আমার ভেতরে বাইরে পৌষের হাটের মতোই থরে থরে সেজে উঠেছিলো কষ্ট কষ্ট একটা সুখের পশরা ।
কেন এমোনটা বলেছিলেন ? শুধু বোঝাতে যে, তাহসিনা তাবাসসুম এখোনও কারো কথা খুব মনে করে ? আমিও যে আপনাকে একসময় মনে করতুম তা আপনি আজও জানেন না । জানানোর আগেই যে আপনি খসে পড়া তারার মতো মিলিয়ে গেলেন কোথায় যেন ।
তারপর ?
কয়েকবারের আসা যাওয়ার মাঝে আপনার সাথে মন ভিজে যাওয়া সময়গুলো কেটেছে । যার সোয়াদ লেগে ছিলো আপনার ভঙ্গিতেও । গ্রীবা বাঁকিয়ে দৃষ্টিবান ছুঁড়ে দেয়ার ভেতরেও । আমি মজে ছিলুম আপনার সবটুকুতে । বুঝতে পারছিলুম আপনার ভেতর ভেতর ও একটা ঝড় বইছে ।
নইলে ফোন করে জানতে চাইতেন না – এবারে আসছেন তো ?
আমি না এলে কি হবে, আমার এমোন প্রশ্নের জবাবে শুধু বলেছেন, না.... আপনি আসবেন কিনা জানলে আপনার পছন্দের খাবারগুলো বানিয়ে রাখতে আমার সুবিধে হতো ।
সে দিনগুলোতে জানতুম, আমার জন্যে একজোড়া প্রতীক্ষার চোখ জেগে থাকবে । যেখানে পৌষের আমন্ত্রন নেই, শরৎয়ের মুগ্ধতা আছে । সে চোখ বলবেনা ডেকে – তোমারে চাই । শুধু ডানা ঝাপটাবে অসহায় । এ বুঝি এক অন্যরকম ভালোবাসা । সেই দুই পাখির মতোন –
এমনি দুই পাখি দোঁহারে ভালোবাসে
...................................................
......................................................
নিরবে চোখে চোখে চায় ।
দুজনে কেহ কারে বুঝিতে নাহি পারে
বুঝাতে নারে আপনায় ।

আপনিও কি সে দিনগুলোতে আমার চোখে জোনাকির জ্বলা নেভা দেখেছেন ? অন্ধকারে অধীর বাতাস বয়ে যায় যেখানে ? দেখে থাকবেন হয়তো । নইলে কাল অতো কাছে এলেন-ই বা কেন ?
ঠোটে ঠোট রেখে নয় , আপনার তর্জনি রেখে কাল রাতে কেনই বা বলবেন - “কেউ যদি শুনে থাকে তুমি কী কয়েছো কথা” ?
ভালো যেমোন লাগছিলো ভয়ও হচ্ছিলো তেমোন, পাছে কবিতার শুদ্ধতায় স্খলন ঘটে যদি ! আপনাকে ছুঁয়ে দেয়ার তীব্র ইচ্ছেটাকে তাই বুকের পকেটে কড়কড়ে পাঁচটাকার নোটের মতোন ভাজ করে রেখে দিতে হয়েছে সযতনে ।

তাই চলে যাচ্ছি । রেলের কুউউ.. ঝিক..ঝিক শব্দের মতো আপনাকে পিছে ফেলে । আর দেখা হবেনা আমাদের কোথাও , কোনদিন । নতুন কেউ একজন আসবেন হয়তো কবিতা সংঘের আমন্ত্রনে , আমি থাকবোনা সেখানে । কবিতার ছন্দ ছিঁড়ে যেতে পারে এই ভয়ে । শুধু জানবেন না, আপনার আকাশে যেমোন রোদের খেলা তেমনি আমার আকাশেও । এটুকুই থাক শেষের না বলা কথা হয়ে ।
আপনার সেই বহু আগের চিরকূটের লেখাটি-ই আপনাকে ফিরিয়ে দিতে ইচ্ছে করছে আজ – “আমি কি ভুল করে ফেলেছি কিছু ?”

আপনার .........



ছবি - গুগল
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৫৭
২৬টি মন্তব্য ২৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভালোবাসিতে লজ্জা পেতে নাই ...

লিখেছেন সেলিম আনোয়ার, ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:৩১

অপেক্ষা— সেতো নিষ্ঠুরতম এক উপখ্যান
যদি না হয় সাক্ষাৎ চিরো কাঙ্ক্ষিত
সেই ক্ষণের —প্রেমের বৃন্দাবনের
এ সবই মিছে অথবা ভ্রম;
ক্ষণিকের অহমিকা শেষ হয়ে যায়
মিশে যায় হাওয়ায়—... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ স্বৈরাচারিণী

লিখেছেন নীল আকাশ, ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:৪৬



সঙ্গদোষে নাকি লোহাও ভাসে! চরমতম এই সত্যটা আর কেউ না হোক ফাহিবের বাবা মা দৃঢ়ভাবেই বিশ্বাস করেন। তা না হলে, যেই ছেলে বুয়েট থেকে এত ভালো রেজাল্ট নিয়ে পাশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মহান আল্লাহ সব কিছু দেখেন=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৩



©কাজী ফাতেমা ছবি

সিসি ক্যামেরা দেখলেই নড়ে চড়ে উঠো
হয়ে যাও সাবধানী,
পাপগুলো দূরে ঠেলে হেঁটে যাও আপন গন্তব্যে,
ভয় পাও, তোমরা সিসি ক্যামেরা ভয় পাও
তাই না?

কিছু লুকোচুরি খেলা যখন খেলো বা খেলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইন্টারভিউ

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯



শাহেদ জামাল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে।
সে বাকি জীবনে কোনো কাজকর্ম করবে না। জীবনের অর্ধেক সে পার করে ফেলেছে। তার বয়স এখন পঁয়ত্রিশ। আগামী পঁয়ত্রিশ বছর কি সে বাঁচবে? সম্ভবনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন ভালো করা কিছু খবর

লিখেছেন মা.হাসান, ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৩২

তাহাজজুদ পড়িস ব্যাটা?



ও ছার, ঝাড়ুদার পদে লিয়োগ পাইতে কত দিতে হবে?



আবার মারধোরের কি দরকার ছিল



আপনারা মন মতো মন্তব্য বসাইয়া নিন, আমি গলায় ফুলের মালা না... ...বাকিটুকু পড়ুন

×