পদ্মা নদীর মাঝ দিয়ে চলছি অন্ধকার রাত প্রিয় শিল্পীদের গান শুনছি dinner করলাম শরীর কিছুটা ক্লান্ত কেবিনে শুয়ে শুয়ে অন্ধকার নদীর দিকে তাকিয়ে আছি মাঝে মাঝে পাশ দিয়ে বিপরীতমুখী লঞ্চগুলো দেখা যায় তখন উজ্জল আলোর দেখা মিলে। হেমন্ত গেয়ে চলছে 'আমায় প্রশ্ন করে নীল ............আর কতকাল আমি রব দিশেহারা..........' ঘুম আশার অপেক্ষায় প্রহর গুনছি। নদী খুবই শান্ত। তার শান্ত আচরণ আমাদেরকেও শান্ত রেখেছে । শান্তই থাকতে চাই। চিন্তা করছি মাঝে মাঝে আমরা যেমন দুঃখ কষ্ট যন্ত্রণার কারণে অস্হির অশান্ত হই ঠিক কি সে রকম কোন কারণ কি আছে এ নদী এ প্রকৃতির অশান্ত হওয়ার পিছনে ? আমার মনে হয় নিশ্চয়ই আছে। প্রশ্ন হয়ে আছে এখনো? তার মনে এখনো ঢুকতে পারিনি শুধু ধরতে পেরেছি সে অশান্ত হয়েছে তার থাবা থেকে বাঁচার পথ খুজি। কিন্তু তার মনের জ্বালা কি তা আবিস্কার করতে এখনো সক্ষম হয়নি। সক্ষম হলে তো তাকে শান্ত করার ঔষুধও হয়ত আবিস্কার করা যেত। প্রশ্ন হলো আদৌ পারব কি? ৭ মি পরে ২৯ নভেম্বর হবে, ১৯৭০ সালের এই রাত্রে এবং ১৯৯১ সালের ২৯শে এপ্রিলের এই রাতে লক্ষ লক্ষ মানুষকে ছিন্ন বিচছিন্ন করেছিল আমার জন্ম স্হান বৃহত্তর চট্রগ্রামসহ দেশের উপকূলীয় অঞ্চলকে, লাশের স্তুপে পরিণত করেছিল। সময় নিয়েছিল খুবই কম, চরম রাগের বড় অশান্ত সে হিংস্র থাবায় লন্ডভন্ড লাশের অঞ্চলে পরিণত করেছিল। কাউকেই ছাড় দেয়নি সে।আজ সে অনেক শান্ত সে সময়ও এ রকম শীতের রাত ছিল।অশান্ত হওয়ার কোন ঋতু নেই তার শীত গরম যে কোন সময় হঠাৎ অশান্ত হয়। দুঃখ পেলে প্রাণী যেমন যে কোন সময় বৈরী আচরণ করে? সেও আমার মনে হয় সে রকম। আঘাত নিশ্চয়ই সে পায় প্রশ্ন হলো কে তাকে আঘাত করে ও যন্ত্রনা দেয়? প্রকৃতির এই যোগ সূত্রকে কখন জানতে পারব? তার এ আচরণকে ধরার প্রকৃতির মনোবিজ্ঞানী কখন হবো? সে চিন্তায় এখনো নিমগ্ন আমি, চিন্তাই করে যাচ্ছি এখনো ধরতে পারিনি । অশান্ত মানুষ হিংস্র পশু সবাই এখন আমাদের আয়ত্তে, ইবোলাকেও আটকিয়ে ফেলেছি মহাকাশেও আমাদের বিচরন হচ্ছে কিন্তু হঠাৎ অশান্ত হওয়া এ পৃথিবী সমান দৈত্যের clobazam বা প্যাথেড়ীন কবে আবিস্কার করতে পারব? Nature কে গবেষণায় আমার চোখে ও মনে যা উকি দেয় তাতে মনে হয় একসময় আমাদের কোন না কোন প্রজন্ম সক্ষম হবে তাকে ধরতে ! সে আশায় আছি থাকবো । স্রষ্টা অন্য সবকিছুর মত এ প্রকৃতিতেই তার ঔষুধ রেখেছে বলে আমি দৃঢভাবে মনে করি। প্রকৃতিকে গবেষণা এবং সেই প্রকৃতিতেই আমাদের সকল আবিস্কারের উপকরণ পেয়েছি এবং ভবিষ্যতেও পাব বলে আমি দৃঢভাবে মনেকরি। আমার নিজস্ব গবেষণা ও চোখ মন তাই বলে।তবে এটিও সত্য সবকিছুর যেমন মৃত্যু হয় ঠিক তেমনি এ প্রকৃতিরও একদিন মৃত্যু হবে।তখন হয়ত সকলেই পরাজিত হবো খুজে পাব স্রষ্টাকে? এটাই কি রহস্য?
মাদ্রাসা শিক্ষাকে না বলুন। মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করুন।
শুধু ভারত বিদ্বেষই না।
মাদ্রাসাগুলোতে কোনও ব্যতিক্রম ছাড়াই মোল্লারা ইসলামের দোহাই দিয়ে,
/নিজের দেশ তথা নিজের জন্মভূমি বাংলাদেশের প্রতি বিদ্বেষ করা শেখায়।
/মোল্লারা তাদের মাথায় এই ধারণা খুব অল্প বয়সেই ঢুকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন
যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপনার নাফসকে আচ্ছা করে টাইট দিন
মানুষের ভিতরে এমন একটি অংশ আছে, যা মানুষকে খারাপ কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে, খারাপ কাজের বুদ্ধি দেয়। ইসলামী পরিভাষায়, আমরা মানুষের এই অংশকে নফস বলি। আপনি খারাপ কাজ থেকে দূরে... ...বাকিটুকু পড়ুন
যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি
কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।