somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গনতন্ত্র ও বিশ্ব রাজনীতি।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আব্রাহাম লিংকনের গনতন্ত্রের সংজ্ঞা আজ প্রশ্নবিদ্ধ?বিশ্বের নিয়ন্ত্রণকারী দেশ সমুহ তাদের ইচছামত গনতন্ত্রের গীত গায় আর তৈল ও অস্ত্র ব্যবসার সারথে স্বৈর শাসকদের সাথেও দীরঘ মেয়াদী সুসম্পরক রাখে! সারথ আদায়ে সমস্যা দেখলে গনতান্ত্রিক ভাবে নিরবাচিত সরকারও ক্ষমতাচ্যুত হয়ে গোপন বন্দী হয়ে যায়! মি. মুরসীর পতন এবং বিশ্বের অনেক স্বৈর শাসকের দীরঘ মেয়াদে ক্ষমতায় অবস্হান সহ দহরম মহরম দেখলে তাই মনে হয়। জাতিসংঘের ৫টি ক্ষমতাধর রাষ্ট্রকে বিশ্ব সমস্যায় ২ভাগ হতে দেখি? প্রশ্ন হল নৈতিকতার প্রশ্নে সহসা এক হয় না কেন? অনেক নিরপরাধ হত্যাযজ্ঞের পর সাদদাম, গাদাফিকে,লাদেনকে ধরা বা মারা হল!বা এখন আসাদকে ধরা হচেছ না? কেন বসনিয়া, আফগানিস্হান সহ লক্ষ লক্ষ নিরপরাধ হত্যাকান্ড়ের পর সমাধান হয়? অন্তরালে কি নিহিত ছিল? আমার কাছে বিষয়টি সুস্পষ্ট তা হল অস্ত্র ব্যবসা আর সম্পদ দখল! শক্তিধর বিভক্ত দু পক্ষই অস্ত্র ব্যবসা করে! এ রকম unrest field অস্ত্র ব্যবসার জন্য দরকার। বিশেষ করে বিবেধমানরা যদি সম্পদশালী হয়! দীরঘ দিন ব্যবসা করার পর বিশ্বকে মানবতার সঃজ্ঞা শিখায়! তাদের শক্তিধর স্যাটেলাইট তখন কারযকর হয়!কেন সাদদাম,গাদাফির জন্য তাৎক্ষনিক ড্রোন হয়েছিল না?কেন কেউ অস্ত্র বিদ্রোহীকে দেয় কেউ অস্ত্র আসাদকে দিচছে? আর কত হত্যাযজ্ঞ আমাদের দেখতে হবে? বিশ্ব নেতৃস্হানীয় শক্তিধর এত দূরবল কেন? আপনাদের নিরপরাধ কে রক্ষা করার জন্য আপনি এটম মজুদ এবং আরো বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার নিরাপত্তা ব্যয়ে খরচ করছেন এবং সবসময় নিজেদেরেকে সভ্য দাবী করেন। এ সমস্ত দেশের অসহায় নিরপরাধ কে রক্ষার জন্য আপনাদের এটম ও ড়্রোন এবং তাৎক্ষনিক বুদ্ধি নিরব থাকে কেন? তাহলে এটাকি প্রমানিত নয় আপনারা সত্যিকারের সভ্য নয়! কারন একই রক্ত মাংসের নিরপরাধ মানবের জন্য দ্বৈত আচরন! কেন? ভালভাবে বুঝেও ভৌগলিক অবস্হানের করনে আপনারা মানবতাকে পরখ করেন! ঠিক একমাত্র সেই কারনেই আপনাদের নিরপত্তা খরচ দিন দিন বাডাতেই হবে! আজ সিরিয়ার অবুঝ শিশু এবং ৩য় বিশ্বের অভূক্ত শিশুকে যদি আপনাদের শিশু বা আত্নীয় মনে করতেন তাহলে ক্রমান্বয়ে এ খরচ হ্রাস পেত! তখন বিশ্বের সকল মানুষ আপনাদের নিরপত্তা দিত! মানবতার সঠিক সঃজ্ঞা তার মূল্য পেত! সন্ত্রাশী কান্ড না চালিয়ে আপনাদেরকে উলটো নিরাপত্তা দিত! কারণ আপনি তাদের শিশুকে প্রতিনিয়ত খাদ্য দিচেছন এবং ন্যায্য অধিকার আদায়ে সত্য ভূমিকা রাখছেন! পরিনামে আপনাদের নিরপত্তা এবং অস্ত্র উৎপাদন খরচ অভূক্ত নিপড়ীতদের জন্য ব্যয় করা যেত! সৃষ্টি হত স্রষ্টার আসল পৃথিবী তিনি এবং আমরা যে রকম চায়! ইহাতে স্রষ্টার সন্তুষ্টিও অবধারিত! তা না করে সৃষ্টি করেছি শংকা এবং আশংকার বিভীষকাময় এক পৃথিবী! বিনিয়োগ করছি মরনাস্ত্রে এবং নিরযাতিত মানবতাকে রক্ষা করার প্রতিনিয়ত মিথ্যা অভিনয় করছি! বিশ্ব শান্তি কোথায় নিহিত সে বিষয়ের গবেষনায় বিনিয়োগ করুন! আমার সুস্পষ্ট একান্ত গবেষনা হল পৃথিবীর নিরযাতনে প্রবাহমান মনবতাকে ঊদ্ধারে ঝাপিয়ে পড়ুন তাদের ভৌগলিক অবস্হান যেখানেই হউক না কেন? তা হলেই শান্তির বিশ্ব যুক্তির বিশ্ব নিরাপদ বিশ্ব হবে বলে আমি দৃঢ় ভাবে মনেকরি। যা আমরা সকলেই চায়! স্রষটার ধরমেরও মূলমন্ত্র হল এটি! তিনি চান আমরা সুখে শান্তিতে থাকি! এজন্য তিনি যুগেযুগে নবী রাসুলগনকে (pbh)পাঠিয়ে এ অন্তিম বারতায় মূলতঃ আমাদের দিয়েছেন! আসুন অস্ত্র ত্যাগ করে মানবতা রক্ষার আন্দোলন গড়ে তুলি! তখন গনতন্ত্র অনায়সেই সমুন্নত হবে।
মনের একান্ত ভাবনা থেকে (গত বছর লিখেছিলাম)-
গাজী ইলিয়াছ।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:৪৩
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মক্কা থেকে বদর: মুসলিম ভ্রাতৃত্বের ভূরাজনীতি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৫


মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। অন্তত চুক্তিগুলোর নাম শুনলে তেমনটাই মনে হয়। মক্কা ও বদর। মুসলিম ইতিহাসের দুটি পরিচিত নাম। নাম শুনে মনে হতে পারে, বহুদিনের বিভেদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা: "দি ম্যাট্রিক্স" এবং নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যের কল্যানে এই ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গি ওয়াহিদুজ্জামান শামীম... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×