শীতের পড়ন্ত বিকালে পটুয়াখালী থেকে দারুন এক journey শুরু করেছি। Cabin এর সামনে বসে গাছ ঘেরা গ্রাম ও নদী দেখে দেখে ঢাকার দিকে যাচ্ছি excellent এক journey! অন্ধকার নেমে আস্ছে কোন ধোঁয়া নেই যানজট নেই আছে প্রকৃতির হিমেল বাতাস।মাঝে মাঝে আলোকিত অন্যান্য লঞ্চ পাশ দিয়ে যায়। জেলে তার মিটমিটে বাতি জ্বালিয়ে ড়িংগী নৌকা করে জাল ফেলে মাছ ধরার চেষ্টা করছে।আমি আছি এ সব দেখে পুলকিত মনে, অনেক ভাল লাগে আরামপ্রদ এ journey। এখন বগা নামক এক লঞ্চ ষ্টেশন অতিক্রম করছি related অনেক ছবি তুলেছি কিন্তু ছবিগুলো mobile r কোথায় save হয়েছে তা ধরতে পারছি না।..লঞ্চ চলছে আমিও চলছি আমার মনও চলছে...............চলছি রাজধানীর দিকে ।পটুয়াখালীর গলাছিপা সমুদ্র পাড় কুয়াকাটায় ৪৮ ঘন্টা কাটিয়ে যেখানে যাচ্ছি সবাই জানেন সেখানের কি অবস্হা? কি ভয়! কি যন্ত্রনা ! ভয়াবহ দুরভিসহ অসহ্য এক জীবন সেখানে পার করছি তবুও সেখানেই যাচ্ছি সেখানেই থাকতে চাই। কিন্তু কেন?
দুনিয়াবী যোগ্যতা অরজঅনের অনেক কিছুর সম্মীলন সেখানে,কৃত্রিম অনেক আরাম সেখানে, কেন্দ্রীভূত অনেক কিছু সেখানে তাই এ নিরমল সুবাতাস ছেড়ে সবাই সেখানেই যেতে চাই, ভিক্ষুক অভূক্ত অসহায়ও সেখানে যেতে চাই। ভাগ্যবানদের মনে হয় আল্লাহ গ্রামেই ভাল চলার সুযোগ করে দেয়। তাদের শরীরে সারাক্ষন সুবাতাস লাগে প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দয্য তাঁরাই ভোগ করছে। কৃত্রিম দ্রব্য তাঁদেরই কমই খেতে হয়। আজকের গ্রাম অনেক উন্নতই মনে হয় বিশেষ করে তথ্য প্রযুক্তির বিপ্লবের কারণে। তাই বলছি গ্রামের ছেলে আমি প্রিয় সেই গ্রমেই ফিরে যেতে চাই। আমি মনেকরি সুস্হ এবং সুখকর জীবনের জন্য আমাদের দেশের বরতঅমান গ্রাম অনেক ভাল। অসুবিধা কিছু আছে সবাই যদি গ্রমে ফিরার target নিয়ে এগিয়ে যাই , তাহলে সে অসুবিধাগুলো দূর হবে বলে মনে করি কারণ সরকার ও অবকাঠামো মানুষের পিছনেই দৌড়ায়। তাই চলুন গ্রামে ফিরে যাই.........।





অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



