



চলমান>(২য় দিন) চিকিৎসা দেয়ার জন্য যখন তাকে খুজতে গেলাম দেখি সে দৈনিক বংলার দক্ষিনমুখী রোড়ের বিদ্যুৎ খুটির আড়ালে দাড়িয়ে পলিথিন এর মাধ্যমে Dandy নামের chemical এর ঘ্রান নিচ্ছে।আমাকে দেখার সাথে সাথে সেগুলো ফেলে দিল। আমি আদর দিয়ে এনে তাকে zet দিয়ে হাত মুখ ধুইতে দিলাম। তারপর আমার অফিসের ড়াক্তার দেখালাম প্রেসক্রীপশন নিলাম। দুপুরে আমার অফিসের বারান্দায় বসিয়ে অফিস পাড়ায় দুপুরে খাবার সরবরাহকারীর খাবার খেতে দিলাম।আমিও আমার lunch করছিলাম নিরাপত্তা প্রহরীকে বলে রেখেছিলাম। কিন্তু দুঃখ হল অফিস কাজে আমার একটু দেরী হওয়ায় সে নিরাপত্তা প্রহরীকে ফাঁকি দিয়ে লিফটে ওঠে ১০ তলা থেকে নেমে চলে যায়। প্রেসক্রীপশনের ঔষুধ দিতে পারিনি। আজ অনেক খুঁজেছি কিন্তু পাইনি।আরও এরকম কিছু শিশুকে বলে রেখেছি যারা এই এলাকার ফুটপাতে থাকে।ভাবতে দারুন কষ্ট পাই এ রকম তীব্র শীতেও এ রকম শিশু গুলো খোলা রাস্তার বা ষ্টেড়িয়াম বা ষ্টেশনের ফুটপাতে ঘুমায়।আমাদের মত লক্ষ চোখের সামনে তারা এভাবেই থাকে।আমাদের এই চোখ দিয়ে দেখে আমরা অনেক কিছু বুঝি কিন্তু এ সকল শিশুর এহেন অবস্হাকে বুঝতেই চাই না এ হলাম আমরা ?বড় হিংস্রতার পরিচয়ই আমরা দিয়ে যাচ্ছি! চরম দুঃখই অনুভব করি মাঝে মাঝে নীজেকে নীজে গালি দিই। এই আর কি? দোয়া করবেন যাতে এ শিশুকে সহসা তার ঔষুধগুলো দিতে পারি।
মেঘনা নদীর মাঝপথ থেকে লঞ্চ কেবিন থেকে (রাত ১১টা) গন্তব্য পুটুয়াখালীর গলাছিপা উপজেলা। অন্ধাকার নদী দেখছি গান শুনছি দারুন শীত অনুভব করছি আর মনের কথাগুলো বন্ধুদের জন্য লিখছি আসুন সকলে মিলে বা এককভাবে যতটুকু পারি এ সকল নিঃসপাপ শিশুদের উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়, খাদ্য ও শিক্ষা দিই। দারুন ছওয়াব অবধারিত মনে করি।



পথ শিশু চিকিৎসার (৩য় দিন) - অফিসের গাড়ী হরতালের কারণে যানজঠ না থকায় ১ ঘন্টা আগে পৌছে যায় সে সুযোগে এ সময়টুকু এ সকল শিশুদের সাথে কাটানোর চেষ্টা করি। আজ সেই শিশুকে খুঁজে পেয়েছি যাকে চিকিৎসার পর ঔষুধ দিতে পারিনি সেদিন সে পালিয়ে চলে যাওয়ার কারণে আজ তাকে খুঁজে পেয়ে হাতছাড়া করিনি। ঔষুধের দোকানে নিয়ে গিয়ে ঔষুধ কিনে সোজা নিজ অফিসে এসে তাকে zet দিয়ে হাত পা মুখ ধোয়ার ব্যবস্হা করলাম।এখানে বলতে হয় তারা মূলতঃ ফুটপাতে থাকে অন্যদিকে গোসল করারও কোন সুযোগ নেই যে কারণে তাদের জামা ও শরীর বেশ ময়লাযুক্ত থাকে (ছবি দেখলে বুঝবেন)।এ সকল শিশু যাতে দৈনিক গোসল করতে পরে সে জন্য পাবলিক টয়লেট অথরিটির সাথে আলাপ করার চিন্তা করছি। টাকার বিনিময়ে নাকি সেখানে গোসল করা যায়।যাহোক, অতঃপর তার হাত মুখ ধোয়ার পর আমার কাছে এ ধরনের শিশুদের জন্য পূরবে থেকে রাখা জামার মধ্য থেকে একটি নতুন জামা পরিধান করিয়ে ড়াক্তারের প্রদানকৃত ১ ড়োজ ঔষুধ খাওয়ায়ে দিলাম।একটি ওয়েন্টমেন্ট তার ঘা তে মেঝে দিলাম ডাক্তারের পরামশঅ মত।অতঃপর তাকে বিদায় দিয়ে অফিস কাজ শুরু করলাম আজ আমি খুবই পরিতৃপ্ত চিকিৎসা করানোর চারদিন পর শিশুটিকে খুঁজে পেয়েছি।পলিথিনে মুড়িয়ে ঔষুধগুলো খাওয়ার নিয়ম বুঝিয়ে দিয়েছি।সকালে এ রকম আর একটি শিশুকে কুকুরে কামড়ানোর কারণে তাকে মহাখালী হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্হা করেছি এ শিশুটিও আমার পূবঅপরিচিত তারা সকলে ষ্টেড়িয়াম বায়তুল মোকাররম এলাকার ফুটপাতে থাকে প্রত্যেকেরই মা-বাবার সাথে বিচ্ছিন্ন সম্পকঅ অনেকেরই মা-বাবা উভয়ে নেই আবার অনেকের একজন আছে অন্যজন মারা গেছেন।মোটকথা তারা মা বাবা হীন বিচ্ছিন্ন পথশিশু।আরও দুটি শিশুর করুন কহিনী আছে তাদের একজন মেয়ে অন্যজন ছেলে তারা দু ভাইবোনই গত ২ বছর ধরে ফুটপাতে থাকে।মেয়েটি ছেলেদের মত চুল কেটে রাখে যতে কেউ বুঝতে না পারে সে মেয়ে। এ পুরো ঘটনা নিয়ে আমি একটি article লিখব তাদের কোন Gaurdian নেই। মেয়েটির Gaurdian হয়ে তাকে একটি মেয়েদের এতিমখানায় Admission প্রক্রিয়া চলছে success হওয়ার পর হৃদয়বিধারক এ ঘটনাঠি নিয়ে লিখব। আসুন সকলে মিলে এ সকল কোমলময়ী শিশুকে রক্ষা করি।দোয়া করবেন আমি এ সকল কাজে যাতে সফল হই।।





অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



