১।পৃথিবীর প্রকৃতির মহা আশ্চর্যের যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমান অসম্ভব! কিন্তু সত্যিকারের মানবদরদী তথা মহামানবগন তা ধরতে সক্ষম হয় বা অতীতে হয়েছে। এ প্রকৃতি অসুস্থ অসহায়ের নিঃস্বার্থ যন্ত্রণা নিরসনকারীর সাথে দারুন কথা বলে। প্রকৃতি, নিঃস্বার্থ মানবতা এবং সৃষ্টিকর্তা যেন একই সূত্রে গ্রথিত। তাই ছোটবেলা থেকে গুরুজনদের বলতে শুনে আসছি " মানবতাই পরম ধর্ম"! সত্যিই তাই! অসাধারন এক স্বাদ! যে স্বাদ টাকার বিনিময়ে নয় সত্য অনুধাবন, অসহায়ের সহয়তার তাৎক্ষনিক প্রায়োগিক কর্মে অর্থাৎ একমাত্র সৎ কর্ম এবং মানবতার বিনিময়েই হয়। তাই বলছি ভাবুন কি করবেন? কোন স্বাদ পেতে চান? তবে এটুকু বলছি মহা আশ্চর্যজের যোগসূত্রের স্বাদ এ পৃথিবীতে যে একবার পেয়েছে সে অসহায়ের সেবায় সকল সম্পদসহ তাঁর শেষ রক্ত বিন্দুও দান করবে হেসে হেসে দারুন সুখ অনুভূতির মাধ্যমে!
২।প্রকৃতির সাথে আপনার যোগাযোগ এবং প্রাপ্তি প্রথম পর্যায়ে ভয়েরও উদ্রেক করতে পারে! দারুন বুঝার পর শুরু হয় মহা আশ্চর্যের পরম শান্তি।
৩।মানবতায় পরম ধর্ম ঠিক তেমনিভাবে তা মানুষের পরম শান্তির জন্যও অপরিহার্য বা আবশ্যক!
৪।রাজনিতীবিদ এবং ভিত্তবানদের অসহায় সমাজে দিন বা মাসের কিছু সময় ঘুরার বিষয়ে আইনকরে বাধ্যতামূলক করা উচিত!
৫। আধ্যাত্মিক সম্পর্ক, প্রকৃতি, মানবতা এবং সৃষ্টিকর্তা যেন একই সূত্রে গাঁথা। বিজ্ঞানীরা অদৃশ্য এ সম্পর্ককে ধরতে সমর্থ হবে না!
৬।এক প্রেমে সব প্রেম নিহিত!
৭।মানবিক কর্ম করার সৎ নিয়ত আপনার ভাগ্যকে এমনভাবে সুপ্রসন্ন করে আপনি হতবাক হয়ে যাবেন! স্রস্টার দারুন এক খেলা যা মহা আশ্চর্যের!
৮।এ পৃথিবীতে সৎ আবেগের মিলনে হয় উন্নতি আর অসৎ আবেগের মিলনে হয় অবনতি আর চরম অশান্তি!
৯।সম্পদ লিপ্সু আর শিক্ষিত নামধারী অসৎ কর্মকর্তার হাতের মিলনে সংগঠিত হয় চরম দূর্নিতী! আর দেশ হয় ধ্বংস !

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




