somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আব্রাহাম লিংকন তুমি তৃতীয় বিশ্বের বড় শত্রু!

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


পূর্বপুরুষের জমিয়ে রাখা অত্যাধিক সম্পদ কি যন্ত্রণা সৃষ্টি করে তা সম্পর্কিত ভুক্তভোগীরাই ভালো জানেন!একমাত্র কারণ হলো সেগুলো যখন জমানো হয় তখন পাশাপাশি অনেক অভুক্ত অসহায় মানুষ ও এতিম মানবেতর জীবন যাপন করতো এবং এখনো অনেক আছেন। আব্রাহাম লিংকনকে অনেক গালি দিই এজন্য যে, সে জনগনের ভোটের অধিকার নেওয়ার মূলমন্ত্রকে যথেষ্ট পুক্তভাবে শিখিয়ে গেছেন। কিন্তু সে মানুষ কিভাবে মৌলিক চাহিদার নিশ্চয়তা পাবে সে বিষয়ে কোন মন্ত্র তার ফর্মুলাতে ইনজেক্ট করেনননি! যে কারনে তৃতীয় বিশ্ব বা অসহায় বিশ্ব আজ রক্তাক্ত! মানুষের অসহায়ত্ব ও এতিম শিশু অভুক্ত অসুস্থ থাকছে তোমারই কারণে। কারণ তাঁরা তোমার গনতন্ত্রের এ ফর্মুলাকে মহা গ্রন্থের বাণীর মতো আজ মানছে। স্বার্থপর ও সমুন্নত বিশ্বের মালিকরাও আজ তৃতীয় বিশ্ব সহ স্বল্প উন্নত দেশকে তোমার এ মন্ত্র মেনে চলতে বাধ্য করছে। না মানলে তারা লক্ষ কোটি অসহায় নিরঅপরাধ মানুষের উপর রক্ত ঝরানোর হিংস্র অস্ত্রের আঘাত হানে! তারা ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে কোটি কোটি মানুষ কে। তারা একবারও ভাবে না এ দেশ সমুহ তাদের মতো উন্নত নয়। এখানে মানুষের মৌলিক চাহিদার কোন নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু ভোটাধিকার সকলেরই সমান। সম্পদ আহরণ ও যথেচ্ছ ব্যয়ের স্বাধীনতা বিদ্যমান থাকায় এক পক্ষ সম্পদের পাহাড় ও অপব্যবহারের সাগরে ভাসে পাশাপাশি বেশিরভাগ ভোটের মালিক মানবেতর জীবন যাপন করছে। অথচ ভোটাধিকার সকলেরই সমান! সম্পদ সকলের সমান কখনো হবে না তা হওয়ার নয়! কিন্তু কাউকে অভুক্ষ অসুস্থ ফেলে রাখার অধিকার তোমাকে কে দিয়েছে? তুমি এতো হিংস্র ফর্মুলা কি দিয়েছিলে? যেখানে অভুক্ত অসুস্থ হয়ে মানুষ পড়ে থাকলেও তার পার্শ্ববর্তী সক্ষম মানুষের আইনগত ও গনতান্ত্রিক দায় নেই। অথচ ধর্ম ও তাঁর মহাগ্রন্থ এ পরিস্থিতিতে এবাদত কবুল না হওয়ার কথা বলেছে! সেজন্য আমি এ বিশ্বে ধর্মের এ মূলমন্ত্রকেই মানি। এহেন রক্ত ক্ষরন ও নীরব যন্ত্রণার তোমার এ গনতন্ত্রকে কখনো নয়! তোমার এ গনতন্ত্র আজ আমাদের জন্য অভিশাপ বয়ে আনছে এবং ভাই ভাইয়ের রক্ত ঝরিয়ে চলছে! ঘৃণা করি তোমাকে এবং গনতান্ত্রিক ফর্মুলাকে যা তৃতীয় বিশ্বের জন্য হিংস্র হিসেবে কাজ করছে !

দয়াপূর্বক!
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বেঁচে থাকাই পরম বিস্ময়

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩


পথেঘাটে ঘুরিফিরি, যেকোনো সময়
পটল তুলতে পারি গাড়ির ধাক্কায়।
মাঝেমধ্যে থাকি এমনও আশঙ্কায়,
নির্মাণাধীন ভবন থেকে ইট পড়ে
মাথা ফেটে রক্তক্ষরণে প্রাণটা যায়!
এমন পরিণতিতে লোকে দুঃখ করে।
গাড়ি, ট্রেন, প্লেন, হয়তোবা ইস্টিমার
দুর্ঘটনায় প্রাণটা চলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ মা'কে লেখা প্রীতিলতার শেষ চিঠি

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০৯




আমায় তুমি পিছু ডেকো না'গো মা
আমার ফেরা সম্ভব  না।
দেশ মাতৃকায় উৎসর্গিতা আমি
আমি তো সেই ক্ষণজন্মা! 

আমায় তুমি আশীর্বাদ করো মা,
মোছো তোমার চোখের জল।
নিপীড়িতদের আর্তনাদ শুনছো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-২)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ২:০৮



সূরাঃ ২ বাকারা, ২১ নং আয়াতের অনুবাদ-
২১। হে মানব সম্প্রদায়! তোমরা তোমোদের সেই রবের ইবাদত কর যিনি তোমাদেরকে ও তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে সৃষ্টি করেছেন, যেন তোমরা মোত্তাকী হও।

সূরাঃ ২... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিনাশ গ্রহাণুপুঞ্জের অধিবাসী - সাইন্স ফিকশন

লিখেছেন আরাফাত৫২৯, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:১০




১/
বিজ্ঞান একাডেমির প্রধাণ মহামতি গ্রাহাম উনার অফিসের বিশাল জানালা দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। সময়টা প্রায় শেষ বিকেল। সন্ধ্যার রক্তিম আভা দূর আকাশে দেখা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে পুরো আকাশটাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইমাম, মুয়াজ্জিন, কুরআনের শিক্ষক ও দ্বীন প্রচারকদের বেতন বা সম্মানী গ্রহণের শরয়ী হুকুম

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:১৪

ইমাম, মুয়াজ্জিন, কুরআনের শিক্ষক ও দ্বীন প্রচারকদের বেতন বা সম্মানী গ্রহণের শরয়ী হুকুম

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মসজিদে ইমামতি করা, আযান দেয়া, কুরআন শিক্ষাদান করা কিংবা সাধারণভাবে দ্বীন প্রচারের কাজে বিনিময়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×