দেশের তিন তিন বারের সাবেক একজন প্রধানমন্ত্রীকে অন্যায়ভাবে কোর্টের দোহাই দিয়ে আটক রাখা রাখা হয়েছে। ২০১৪ সালে দেশের আইন কানুনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে গুলশান কার্যালয়ে আটক করে তথাকথিক নির্বাচনী নাটক মঞ্চস্থ করে ক্ষমতায় আছে বর্তমান সরকার। বিনা ভোটে এই ভাবে ক্ষমতা থাকা সহজ,এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার বিচারের নামে অবিচার করে দেশের একজন জনপ্রিয় নেত্রীতে আটক রাখা হয়েছে। তাকে কোন চিকিৎসা সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না। ন্যূনতম জামিনের ক্ষমতাটুকুও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। খালেদা জিয়া থাকলে বিএনপির ভোট বাড়বে। আর এই কারনে বিএপি ক্ষমতায় আসার সম্ভবনাও বেশি । এই কারনে সম্পূর্ন অন্যায়ভাবে তাকে জেলে রাখা হয়েছে। এই সহজ সমীকরনের জন্য তাকে কোর্টের দোহাই দিয়ে, বিনা ভোটে আবারও ক্ষমতায় আসার জন্য আটকে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের শিক্ষিত সমাজ এই ব্যাপারটা বুঝতে পারছেন। অথচ উন্নয়নের নামে তেলা মাথায় তেল দেওয়ার প্রকল্প হাতে নিয়ে তথাকথিত বিদেশী বাহবা নিয়ে বিনা ভোটে জোর করে ক্ষমতায় থাকার পায়তারা করছে এই গোষ্ঠি। এই অন্যায় সহ্য করার মত না। যে নেত্রির হাত ধরে বাংলাদেশ এগিয়েছিল। যে নেত্রী একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী। সেই নেত্রীকে শুধুমাত্র জোর করে ক্ষমতায় থাকার জন্য আটক রাখা হয়েছে। অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে প্রতিযোগিতা মূলক ইলেকশন দিন। এত উন্নয়ন করলে খালেদাকে জেলে রেখে কেন দুই নম্বরী ইলেকশন করে ক্ষমতায় যেতে চাচ্ছেন? জনগনের কথা ভাবুন। জনগনকে আপনারা এত বোকা মনে করছেন,আপনারা ভুলেই গেছেন যে, এই দেশ জনগনের ,এই দেশে জনগন বলতে কিছু একটা তো এখনো আছে।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ১:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




