১৯৬৫ সালের পাক-ভারত
যুদ্ধে পাকিস্তানের
একটি বোম্বিং স্কোয়াডের নেতৃত্ব
দিয়ে ২০ বার ভারতে বোম্বিং করেন
এবং পাকিস্তানের গৌরবময় 'তমঘা-ই-
বাসালত' উপাধী পান এক
বাংগালী পাইলট। বাংগালী আকাশ
যোদ্ধার এই এয়ার
বোম্বিং দেখে পাঞ্জাবি সেনারা পুরা বেকুব
হয়ে যায়!
হাসতে হাসতে সেই বাংগালী আকাশ
যোদ্ধা বলেন
"আমরা বাংগালী আমরা পারি "
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে মে মাসে বেশ কিছু
বিমান বাহিনীর কর্মকর্তার
সাথে পালিয়ে তিনি আগরতলায়
চলে আসেন। একজন গ্রুপ ক্যাপ্টেন পাইলট
হলেও তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় ছয় নম্বর
সেক্টরের কমান্ডার
হিসেবে এবং অত্যন্ত
সুচারুরূপে তিনি তার কৃতিত্বের স্বাক্ষর
রাখেন । এক দুই বার নয় একজন আকাশ পথের
এয়ার কমান্ড হয়ে প্রতিবার ই স্থল
পথে সম্মুখ সমরে অংশগ্রহন এবং নেতৃত্বের
জন্য তিনি 'বীর উত্তম' উপাধী লাভ
করেন। স্বাধীন বাংলাদেশ এর প্রথম
মুক্তাঞ্চল হিসিবে ঘোষনা পায় সেক্টর
৬। রংপুর ও বৃহত্তর ঠাকুর গাও ছিলো এই
সেক্টর এর অধীনে।
তিনি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ৬
নং সেক্টর কমান্ডার খাদেমুল বাশার।
বিমান বাহিনী র প্রধান থাকাকালীন
১৯৭৬ সালের ১ সেপ্টম্বর এক বিমান
দূর্ঘটনায় তিনি নিহত হন।
পরিতাপের বিষয় আজকের
ইয়ো ইয়ো প্রজন্ম খাদেমুল বাশার
কে চিনে না,,,, খাদেমুল বাশার বীর
উত্তম রয়ে গেলেন নীরবে নীভৃতে,,,,,

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





