বলছি আমি ৭১ সালের কথা,
বলছি আমি জয় বাংলার কথা,
বলছি লাল সবুজ মাখা ১ টি পতাকার জয়ের কথা,
বলেছি, বলছি এবং বলবোই আমার মাটি , আমার মা রাজাকারের হবে না।
৭৫ এর পর বাঙালি তার স্বাধীনতা মূল মন্ত্র হারিয়ে ফেলেছিল। হারিয়ে ফেলেছিল তার মুক্তির অসম সে চেতনা।
আর তারা একে একে পাকিস্তান থেকে এই বাংলার নাগরিকত্ব দিয়ে আনতে ঐ পাপীষ্ঠ শইতান গুলোকে।
সময়টা তখন ,এমনই মুক্তিযুদ্ধারা পালিয়ে বেড়াচ্ছে আর রাজাকাররা বুক ফুলিয়ে হাটছে।
পরবর্তী এমন অবস্থাও এই বাংলা দেখেছে যে রাজাকাররা সংসদে পর্যন্ত গিয়ে লাল সবুজের পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে ছিল।
আর নির্বাচন কমিশনারের কাছে গিয়ে বলে এই দেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই এবং নেই।
আর এই বাক্যের বক্তব্য দাতা এই আলবদর নেতা মুজাহিদ।
একসময় এই দেশের মানুষ ভাবতো এই দেশে যুদ্ধাপরাধীর বিচার হবে না।
কিন্তু রক্ত দিয়ে কিনা বাংলা কি এতই সস্তা?
না আমরা শহীদের রক্ত বৃথা যেতে দিতে পারি না এবং কখনোই না।
১৯৭১ সালে জানুয়ারি মাসে ঢাকা জেলার 'ইসলামী ছাত্র সংঘের ' ( বর্তমান শিবির) সভাপতি নির্বাচিত হয়ে এই মুজাহিদের পাপীষ্ঠ নীতি শুরু হয়।
পরবর্তী ৭১ সালে মাঝখানে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র সংঘের সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়।
বুদ্ধিজীবী হত্যার মূল নায়ক এই মুজাহিদ ১৪ ডিসেম্বর নারকীয় হত্যার মূল সাথী।
আর ঐ যে শহীদ জননী জাহানারা ইমাম মনে আছে তার কথা??
মৃত্যুর শেষ দিনটি পর্যন্ত এই পশুদের বিচার চেয়েছিল, তার পুত্রের হত্যার মূল নায়ক ছিল এই মুজাহিদ।
ঢাকার কিছু তরুণ, রক্তের শিরায় শিরায় 'জয় বাংলার ' দেশপ্রেম। বদি, আজাদ, রুমি যাদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল ক্রেক প্লাটুন।
বিজয়ের মাত্র কিছুদিন আগে এই শইতান তাদের হত্যা করার পরিকল্পনা করে।
আলতাফ মাহমুদ কিংবা সাংবাদিক সিরাজ সাহেবের কথা, বাঙালি কি ভুলে গিয়েছে?
যার সুরে কম্পিত হয়েছিল মুক্তির সংগ্রাম ,আর ইত্তেফাক পত্রিকার সাংবাদিক যিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন স্বাধীন একটি বাংলাদেশ ।
তাদেরও ছাড় দেই নি এই নরপশু মুজাহিদ বাংলা যখন স্বাধীন নিশ্চিত একে একে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে দেশকে পঙ্গু করে দিতে চেয়েছিল এই মুজাহিদ।
কিন্তু তারা পারে নি , এই বাংলার মানুষ আজ তাদের শত্রুকে চিনতে পেরেছে এবং ঐ পশুর ফাসি কায়েমের মধ্যে দিয়ে এই বাংলা কলঙ্কিত হবে ইনশাল্লাহ।
জয় বাংলা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

