
নব্বই দশক অথবা তার কাছাকাছি সময়ে যাদের জন্ম তাদের কাছে এই সিনেমাটি অন্য রকম এক ভাল লাগা ও গুরুত্ব বহন করে। “দীপু নাম্বার টু” নামটি কোথাও দেখলে অথবা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে উঠে দিপু ও তারেক নামের দুই কিশোরের বন্ধুত্বের ও দু: সাহসিক অভিযানের গল্প। আর যাদের বাবা সরকারী চাকরিজীবী ছিলেন তাদের কাছে তো এই সিনেমার গল্প অনেকটা নিজের আপন ও পরিচিত গল্প।

কিশোর বয়সে কেও প্রিয় সিনেমার নাম জিজ্ঞাসা করলেই “দিপু নাম্বার ২” এর কথা মনে পরতো। আর বিটিভিতে এই সিনেমা সম্প্রচার করা মানেই ছিল ঐদিন সব কাজ-কর্ম ফেলে সিনেমাটি দেখতে বসে যাওয়া। আগামী ডিসেম্বর মাসে সিনেমাটি ২০ বছরে পদার্পন করবে।
গল্প সংক্ষেপঃ কিশোর বয়সী দিপুর (অরুণ সাহা) বাবা (বুলবুল আহমেদ) সরকারী চাকরিজীবী। পরিবারে সদস্য বলতে বাবা ও ছেলে দুজন। চাকরীর সুবাদে উনাকে প্রতি বছরই বদলী হয়ে নতুন জায়গায় যেতে হয়। ফলাফল দিপুকেও প্রতিবছর বদলাতে হয় তার স্কুল, বন্ধু এবং আশেপাশের চেনা পরিবেশ। তেমনি বাবা ট্রান্সফার হওয়ার কারনে নতুন এক স্কুলে ভর্তি হয় দিপু, এই স্কুলে তার দেখা হয় ডানপিটে স্বভাবের কিশোর তারিকের (শুভাশীষ) সাথে। তারিকের সাথে দিপুর দ্বন্দ্ব-বন্ধুত্বের ঘটনা ও এক দুঃসাহসিক ঘটনার সমন্বয়ে সিনেমার গল্প সাজানো হয়েছে।

তৎকালীন সময়ের গরীব-ধনীর প্রেমের গতানুগতিক গল্পের ভীরে “দিপু নাম্বার টু” কিশোরদের মনে প্রশান্তি দেয়ার গল্প ছিল।এই সিনেমায় একাধারে প্রকাশ পেয়েছে বন্ধুত্ব , ভালোবাসা, ত্যাগ এবং রোমাঞ্চকর গল্প। অনুধাবনমূলক ও শিক্ষণীয় অনেক ব্যাপারও ছিল সিনেমাটিতে।
মুহাম্মদ জাফর ইকবালের উপন্যাস অবলম্বনে মোরশেদুল ইসলাম (যিনি “আমার বন্ধু রাশেদ” সিনেমার নির্মাতাও) এর পরিচালনায় ১৯৯৬ সালে সরকারী অনুদানে সিনেমাটি নির্মিত হয়।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



