আমাদের বন্ধু, কাব্যরসিক সেলিম বেজায় মন করেছে খারাপ। যেখানে সে যায় ফুল, ফল, পাখির বাসা, নিরালা গাছের ছায়া তার ভাল লেগে যায়। পুরাতন ভবনের নকশা, ভবনের কারুকাজ তার অতি প্রিয় সাব্জেক্ট । আষাড়ের গল্পে তার কোন আগ্রহ নেই। দেখুন না সেদিন সে মাজারে গেল, আজ আবার জাহাঙ্গীর নগর। কাল কোথায় যাবে রুমিও জানে না। আমার কথার বিশ্বাস না হয়, সেলিম কে জিজ্ঞেস করুন। নাহলে সে আমাকে কেন দমক দেয়। কেমন করে দমকায় দেখুন। বন্ধু সেলিমের সাথে কাব্য কথার দ্বিতীয় পর্ব আজ এখানে তোলে ধরা হলঃ
কাব্যকথা
সেলিমঃ
এবার থাম বন্ধু
হান্নানঃ
থেমে আছে ভাগ্য চাকা, চলতে আছে ঘড়ির কাটা
বেরসিক ভাবনায় একটু মাজাঘষা
কূপি বাতিতে তেল ঢালা,
আশার দীপ বুঝি জ্বলে মিট মিট !!
সেলিমঃ
দীপ তো জ্বালিয়েই যাচ্ছি !!!!
হান্নানঃ
যে জলে আগুল জলে,
প্রেমের দহনে অঙ্গার মম হৃদয়খানি
নীরবে ঝরে চোখের পানি,
রক্তকরণ তো চলছেই
কান্নার মাতম চলে একাকি,
গহিনের যাতনায়।
ফারুকঃ
কার দীপ নেভায়ে কার দ্বীপ জালাও!
একে একে কৈফিয়ত দিতে হবে,
তৈরি হয়ে নাও!
সেলিমঃ
আনারের দীপ,
তাই হুমকি দিয়ে লাভ নেই, হা হা হা !!!
হান্নানঃ
হুমকি ধামকি তোমার মনের ভয়
কথায় বলে না, বনের বাঘে খায় না,
মনের বাঘে খায়।
অনামিকা যদি জোতিষী হত
তোমার মনের খবর বের করিত।
কানায় কানায় হিসাব নিত
কারসনে কর পিরিতি।
ফারুক বলে বেঁচে গেলা,
নাম ধাম ঠিকানার আড়ালে বসন্তবরণে
জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলা। কেউ জানে না।
বন্ধু সেলিম সবই আমাদের জানা কথা,
পরিযায়ী পাখির মত উড়ে চল দেশ দেশান্তর
কৃষ্ণচূঁড়ার লাল দেখিলে মনের জ্বালা বাড়ে দ্বিগুণ।
আহত পাখির মত ঝাপ্টায় ডানা ।
শ্রাবণের বৃষ্টির জলের মত ঝরে চোখের জল।
পুনশ্চঃ অতিব দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে আমার সাথে কথোপকথনের ফাঁকে অফিসের কাজে বাইরে গিয়েছিল। সে ছিল মটর সাইকলে, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়। আল্লাহ’র রহমতে বেঁচে যায়। আমার বন্ধুর জন্য দোয়া করবেন।
২১/০৩/২০১৭
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৪:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



