কফির কাপে আরও একটা চুমুক। জীবনটা বড় অস্বাভাবিক লাগে, ঐ চুমুকের শব্দে। আরও একটা নিদ্রাহীন রাতের অপেক্ষা শুরু হয়।
মানুষ নাকি সামাজিক জীব। তার মানে কী? একা থাকলে বুঝি মানুষ পশু হয়ে যায়?
মানুষ বরং সবচেয়ে বেশি "মানুষ", যখন সে একা থাকে!
বাকিটা সময়?
বাকি সময়টায় সে মিথ্যাবাদী, সদা হাস্যজ্জ্বল, মাঝে মাঝে ঠকবাজ,
আর বড় নিপুণ এক অভিনেতা!
কবি-সাহিত্যিকেরা পৃথিবীর বিভিন্ন রকম নাম দিয়েছেন। পৃথিবীর "পৃথিবী" নামটায় যেন তাঁদের পোষায় না। তাঁদের কাছে যেই পৃথিবী আজ "মাতা", কালই সে "ছলনাময়ী", বা "কলঙ্কিনী"।
পৃথিবীকে যতগুলো নামে ডাকা হয়েছে, সবচেয়ে যুতসই নাম সম্ভবত, "রঙ্গমঞ্চ"।
সবাই এই মঞ্চের অভিনেতা। বড় নিখুঁত তাদের অভিনয়। স্বার্থের প্রয়োজনে হুঙ্কার দেয়, আবার উপযুক্ত শক্তির সামনে নত হতে বাঁধে না। তারা লোভি, অহংকারী, আবার একই সাথে অনেকটাই ভিতু! সেই ভয়কে ঢেকে রাখার চেষ্টাও চলে অবিরত।
ঘরের বাইরে মানুষ কেউই নয়। সবাই অভিনেতা, মিথ্যাবাদী। যায়গাভেদে সবাই কাপুরুষ!
মানুষ একা থাকলে তবেই সে তার আসল রূপে। মানুষ কেবল নিজের সাথেই "মানুষ"।
বন্ধুদের সাথে হাসাহাসি করে বেড়ানো ছেলেটার মনে পড়ে তাকে ছেড়ে যাওয়া মেয়েটার কথা, যখন সে নিজের ঘরে, যখন সে একা থাকে।
বারবার ব্যর্থ হয়েও মুখ গোমরা করে না যেই মেয়েটা, সেই মেয়েটাই অঝোরে কাঁদে, যখন সে নিজের ঘরে, যখন সে একা থাকে।
আস্তে আস্তে রাত গভীর হয়। ক্লান্ত শহরের প্রতিটা ঘরের আলো নিভে যায় একে একে। সবাই কিন্তু ঘুমোয় না, ঐ অন্ধকারের জানালাতেও বসে থাকে অনেকে।
Thank god for coffee!
জেগে থাকার একটা অজুহাত পাওয়া যায়...........!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


