অচ্ছুত তবু আমি,
অংশত আদখানা চাঁদ,
দূর শহরের বালিকা যখন ক্লান্ত,
ঐ শহরের বালক তখন দিকভ্রান্ত,
বোকা বাক্সে জমে যায় নানান কথা,
হরেক রঙের সুখ জিলাপি,
এক সাথে রয় বাধা।
বিষাদের সাথে তবু চলে হরদম পাল্লা,
একপেশে বড় জীবনের দুঃখের দাঁড়িপাল্লা,
হুহু করে স্বর ভেসে যায়,
ভেসে আসে লোক সমাগম,
যান্ত্রিক কান্না,
অচিরেই মানে কখনোই না,
তা বোঝেনা এ পারের বালিকা।
একদিন হঠাৎ তবু ডেকে উঠবে ,
সেই প্রাচীন ট্রেনের হুইসেল,
হয়তো ২০ , ২২ অথবা ২৩ বছর পরে,
সবকিছু থাকবে,
সব,
যেমন ছিলো তেমন,
একজোড়া ঘুঘু,
পাঁচ টা প্রজাপতি,
পরিচিত সেই গঙ্গা বুড়ির ঘাট,
দক্ষিণা কয়েকটা জানালা,
হাটকুড়ানি ছেলেটা,
বোকা বালিকা,
পথের একদল উচ্ছল শিশু,
অনুষদ,
বিষদ,
মৃত মানব,
হাড় জবজবে বৃদ্ধ,
ঝুলন্ত কিছু স্পৃহা,
পাগল বৃদ্ধা,
হলুদাভ আভার একটা মায়ময় ব্রীজ,
অদ্ভুত সেই সত্য কবিতার লাইনগুলো থেকে উঠে আসা একটা গাছের পাতা,
ভালো থাকবে কাঠ গোলাপ,
ভালো রাখবে এ শহর তাদের,
যত্নে থাকুক ধুলো মাখা কাঁচ,
বাতাসের আগে ছিড়ে চলে গেছে টিশার্টের গন্ধ গুলো,
ওরা নগদে মৃত,
ভালো থাক প্রিয় মানুষ,
সেই জানবে আমি জানবো,
কেউ জানবেনা মনের কথা।
একদিন তবু সবই হবে,
থাকবেনা মায়ার পুতুল,
মায়া ছড়িয়ে গন্ধে মাতাল করে,
সে রইবে নিরুদ্দেশ,
সব থাকবে শহরের,
কেবল বালিকা রইবে না,
তার কাজ যে মায়া ছড়ানো,
গাট ছড়া বাধা না,
ভালো থেকো যাদুকর,
ভালো রেখো তাদের যাদুর শহর।
রাত ০৯:৫০
০৮ জানুয়ারি , ২০১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


