somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্বপ্নের বান্দরবান ভ্রমণ

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পাঠকদের কাছে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি কারণ এটা হচ্ছে আমার প্রথম ব্লগ লিখা। ভুল-ত্রুটি সবাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।সময়টা ঠিক ২০১৯। আমি প্রথমবারের মতো গিয়েছিলাম সাজেক এ। সাজেক ভ্রমণই আমার প্রথম পাহাড় ভ্রমণ। সাজেক যাওয়ার পর থেকেই আমার পাহাড় এর প্রতি এক তীব্র আকর্ষণ জন্মায়। সবার মুখ থেকে আমি শুনতে পাই সাজেক এর থেকেও সুন্দর জায়গা নাকি বান্দরবান। তখন থেকে আমার বান্দরবান যাওয়ার তীব্র আগ্রহ জন্মে। তাই পরিবার নিয়ে বেরিয়েই পরলাম গত ০৬ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখ রাতে। আমি এখন আর সেই দুর্দান্ত তরুণ খুব সম্ভবত নেই। আমার একটি ছোট ছেলে রয়েছে যার বয়স এখনো আড়াই হয়নি। যাই হোক আমি গাজীপুর থাকি। সবাই ঢাকা থেকে বান্দরবান যায়। আমার ভাগ্যে তা হয়ে উঠেনি। গাজীপুরের শিববাড়ী মোড় থেকে আগে থেকেই কেটে রাখা টিকেট নিয়ে রাত ০৮৪০ মিনিটে চেপে বসি সৌদিয়ার একটি নন-এসি বাসে।

ভাড়া নিয়েছিল ৬৫০ টাকা। এই বাসটি শিববাড়ী ছাড়াও আরও মোট ০৪ (চার) টি জায়গায় থেমে যাত্রী উঠিয়েছিল। রাত হোক কিংবা দিন হোক, বাসে চাপলেই কেন জানি আমার ঘুম সব হাওয়া হয়ে যায়। যাওয়ার পথের সৌন্দর্য্য দেখার জন্য বোধ হয়। যাই হোক পথে রাত ০২০০ টার দিকে আমাদের বাস কুমিল্লাতে নির্ধারিত যাত্রাবিরতি দেয়।

সকাল ০৬৪০ মিনিটে আমরা মেঘলা সার্কেল এর সামনে নামি।


বান্দরবান শহরে না নামার কারণ হচ্ছে, আমরা যেই হোটেলে উঠেছিলাম তা ছিল মেঘলা সার্কেল এর খুবই নিকটে। যদি বান্দরবান শহরে নামতাম তাহলে আমাদের আমার পেছনের দিকে ফেরত আসতে হতো। যাই হোক ০২ (দুই) মিনিট হাঁটার পর আমরা আমাদের হোটেল এ পৌছে যাই।


যদিও আমাদের রিজার্ভেশন ছিল দুপুর থেকে কিন্তু রুম খালি থাকার কারণে হোটেল কর্তৃপক্ষ আমাদের আর্লি চেক-ইন এর সুবিধা দেয় কোন খরচ ছাড়াই। হোটেল এ গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আমরা সবার আগে সকাল এর নাস্তা সেরে রওনা দেই। বান্দরবানে চান্দের গাড়ি ছাড়াও সিএনজি সদৃশ গাড়ি পাওয়া যায়।


এ গাড়িতে করেই বান্দরবানের নীলগিরি, নীলাচল, চিম্বুক পাহাড়, মেঘলা, স্বর্ণমন্দিরসহ আশে পাশের সাইসিইং করা যায়। আমরা সর্বমোট ০২ (দুই) টি পরিবার গিয়েছিলাম। তাই আমার কাছে চান্দের গাড়ির পরিবর্তে সিএনজি সদৃশ গাড়িই বেশি জুতসই মনে হয়েছিল। আর যেহেতু আমরা পরিবার নিয়ে গিয়েছিলাম তাই তুলনামূলক স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করা ছিল আমাদের লক্ষ্য। নাস্তা সেরে আমরা প্রথমে রওনা দিয়েছিলাম স্বর্ণমন্দির এর উদ্দেশ্যে, যদিও আমরা প্রথমে বান্দরবান বাজারে গিয়েছিলাম। বাজারে গিয়ে আমরা স্বর্ণমন্দির এর জন্য সিএনজি ভাড়া করি। স্বর্ণমন্দির হয়ে আমাদের মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রে নামিয়ে দিয়ে আসা পর্যন্ত খরচ ছিল ৩০০/-। কিন্তু স্বর্ণমন্দির এর জন্য ভাড়া করার সময়ই চালক আমাদের বলেছিল যে, স্বর্ণমন্দির বর্তমানে বন্ধ আছে। প্রথমে চালকের কথা আমাদের বিশ্বাস না হলেও পরে বুঝতে পেরেছি লোকটি মিথ্যা বলেনি। স্বর্ণমন্দির এখন বন্ধ রয়েছে।যাই হোক দুধের সাধ ঘোলে মেটানোর জন্য আমরা স্বর্ণমন্দির এর পাহাড়ের নিচ থেকেই ছবি তুলেছিলাম।


তারপর রওনা হয়ে গিয়েছিলাম মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রের জন্য। মেঘলা পর্যটন স্পটের প্রবেশ মূ্ল্য ৫০/-, ক্যাবল কারের জন্য মূল্য ৪০/-। ক্যাবল কারের টিকেট প্রধান ফটক থেকেই নিতে হয়।


মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র আসলেই সুন্দর। খুব সুন্দর মতো সাজানো গোছানো। ভেতরে দুইটি ঝুলন্ত সেতু রয়েছে। রয়েছে একটি ছোট চিড়িয়াখানা। আমার কাছে মনে হয়েছে মেঘলা জায়গাটি হচ্ছে দুটি পাহাড় এবং পাহাড়ের মাঝে অবস্থিত লেক নিয়ে। কারণ আমি যখন প্রবেশ করছিলাম তখন মনে হচ্ছিল আমি নিচে যাচ্ছি, তখন খুব আরাম বোধ হয় কিন্তু যখন সেই জায়গার পুনরায় আসলে মনে হয় আমি পাহাড়ে চড়ছি। লেকে অপরপাশে আরেকটি পাহাড় রয়েছে পাহাড় বেয়ে উঠার পরই যখন দেখলাম বড় পাঁকা পেপে, কলা নিয়ে দোকানিরা দোকান বসিয়েছে, তখন মনে হচ্ছিল সব একাই খেয়ে শেষ করে ফেলি। আমরা সবাই মিলে একটি বড় পেপে খাই এবং কিছু কলা। সবার শেষে একটু চা খেয়ে আবার সামনের দিকে অগ্রসর হই। আমার ছেলেটা কেবল আমার কাছেই থাকতে চায় বিধায় ওকে নিয়ে পাহাড়ে ওঠাটা খানিকটা অসুবিধা মনে হচ্ছিল। আবার ছোট ছেলেকে দিয়ে বেশিক্ষণ হাঁটানোও যায় না। যাই হোক হাটতে হাটতে আমরা চলে এলাম ক্যাবল কারের সামনে।


ক্যাবল কারটির দৈর্ঘ্য ছোট, তবে এটি দিয়ে মেঘলার একটা অন্যরকম সৌন্দর্য্য প্রকাশিত হয় বলে আমার ধারনা। স্বল্প সময়ের এই ক্যাবল কার চড়ে মন না ভরলেও চোখ জুড়াবে। একটি কথা বলতে ভুলে গিয়েছি তা হচ্ছে আমরা কিন্তু মেঘলার লেকে নৌকা চালিয়েছিলাম।


প্রতি নৌকার ভাড়া ১০০/- প্রতি বিশ মিনিট। যদিও আমার কাছে মনে হয়েছে ২০ মিনিট পা দিয়ে নৌকা চালানো অনেক শক্ত কাজ। সমস্ত মেঘলা ঘুরে ফেরার সময় সেই পাহাড়ে ওঠা আমার কাছে মনে হচ্ছিল যে, আমি বোধ হয় মাউন্ট এভারেস্টে উঠছি। পা চলৎ শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। ক্লান্ত শ্রান্ত দুই পরিবার দুপুরের খাওয়া শেষ করে ০২ (দুই) ঘন্টার বিশ্রামের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি। যদিও সে সময়ে আমরা বিশ্রাম নয়, ঘুমিয়েছিলাম। বিকাল ৪ টায় আমরা পুনরায় রওনা করেছিলাম নীলাচলের উদ্দেশ্যে।


নীলাচলে যখন আমরা পৌছাই তখন সন্ধ্যা হতে আর মাত্র আধ ঘন্টা বাকি ছিল। নীলাচল পুরোপুরি দেখার আগেই সুর্যাস্ত হয়েছিল। সন্ধ্যায় মেঘলা সার্কেলে ফিরে এসে বিখ্যাত ব্যাম্বু চিকেন অর্ডার করি যার খরচ ছিল ৪০০/-।


ওহ বিকালে নীলাচল যেতে এবং আসতে আমাদের খরচ হয়েছিল ৩০০/-। নীলাচলে প্রবেশমূল্য ছিল ৫০/- (জনপ্রতি)প্রথমদিনে আমরা স্বর্ণমন্দির, মেঘলা এবং নীলাচল যাওয়ার কারণে আমাদের নীলগিরি, শৈলপ্রপাত এবং চিম্বুক যাওয়া বাকি ছিল। । তাই আমরা আগে থেকেই আমরা একটি সিএনজি ভাড়া করেছিলাম। ভাড়া পড়েছিল ২০০০ টাকা। সিজনে এই সিএনজি ভাড়া আরও বাড়তে পারে। চান্দের গাড়িতে না যাওয়ার কারণ আমি আগেই উল্লেখ করেছি। তবে লোক বেশি থাকলে প্রতি ১০ জনে একটি করে চান্দের গাড়ি ভাড়া করা যায়। চান্দের গাড়ি ভাড়া গাড়িপ্রতি ৪০০০/- ফিক্সড তবে সিজনে তারা এর থেকে বেশি দাবি করতে পারে। গাড়ি ভাড়া ঠিক করে আমরা সেদিনের মতো আমাদের ভ্রমণ সমাপ্ত করলাম। বিছানার সাথে গা এলিয়ে দেওয়ার সাথে সাথেই আমি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে গেলাম। পরদিন সকাল ৬ টায় আমরা সরাসরি নীলগিরির দিকে রওনা হতে থাকলাম। নীলগিরিতে যাওয়ার পথে মিলনছড়ি, শৈলপ্রপাত, চিম্বুক এই তিনটি স্পট পড়ে। এছাড়া দুইটি ভিউ পয়েন্ট এবং দুইটি যাত্রী ছাউনি রয়েছে। মিলনছড়ি প্রথম স্পট এবং এখানে একটি পুলিশ চেক পোষ্ট রয়েছে। উল্লেখ করার মতো তেমন কিছুই দেখলাম না এই মিলনছড়িতে তারপর আরেকটি চেক পোষ্ট পেলাম রুমাতে যাওয়ার রাস্তা যেখানে ভাগ হয়েছে সেখানে। সেখানে আমাদের জাতীয় পরিচয়পত্র দেখতে চাইলো এবং সেখানে যাওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করলো। চাহিদাকৃত তথ্য দেওয়ার পর আমাদের গাড়িকে সামনের দিকে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হলো। চিম্বুকের একটু সামনেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত ক্যান্টিন এ সকালের নাস্তা সারলাম। সকালের নাস্তা করার পরে আমরা চিম্বুক পার হয়েই চলে গেলাম নীলগিরির দিকে। আসলে আমার পাহাড়ের ওপরে উঠে মেঘ দেখার খুবই ইচ্ছা ছিল। তো যাই হোক নীলগিরি পৌছালাম আমরা প্রায় সকাল ১০০০ টার দিকে।



এখানে বলে রাখা ভালো আমাদের হোটেল থেকে নীলগিরির দুরত্ব ছিল মাত্র ৫০ কি.মি.। কিন্তু পাহাড়ি রাস্তা হওয়ার কারণে সেখানে যেতে প্রায় ৩ ঘন্টা সময় লেগে যায়। এছাড়া মানতেই হবে পাহাড়ে যাওয়ার জন্য সেরা যান হচ্ছে চান্দের গাড়ি। নীলগিরি যাওয়ার পরে আমি প্রকৃতি এবং পাহাড়ের অপূর্ব সৌন্দর্য্য দেখে মুগ্ধ হয়ে যাই তবে পাশাপাশি মেঘ না দেখতে পারার কারণে খানিকটা হতাশও হই। নীলগিরি ভ্রমন শেষে নীলগিরি থেকে বের হয়েই সামনের ফলের দোকান থেকে পেপে এবং কলা খাই। বলতে ভুলে গেছি, নীলগিরিতে প্রবেশ করতে জনপ্রতি এখন গুনতে হবে ১০০ টাকা। সেখান থেকে দুইটি ভিউ পয়েন্টে ছবি তুলে সোজা চলে আসি চিম্বুকে। তখন প্রায় ১ টা বাজে। চিম্বুক পাহাড়ের টিকেট মূল্য জনপ্রতি ২০ টাকা।



চিম্বুক পাহাড়ে আমার মতে সকালে যাওয়াই সবচেয়ে ভাল। কারণ এই চিম্বুকের ভিউ পয়েন্ট খুব সম্ভবত সকালের সৌন্দর্য্য উপভোগ করার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। তো যাই হোক চিম্বুক ঘুরে আমরা সোজা চলে যাই শৈলপ্রপাত।



শৈলপ্রপাত উপভোগ করার জন্য সবচেয়ে আদর্শ সময় হচ্ছে বর্ষাকাল তবে শরৎকালেও ভাল পানি থাকে। কিন্তু আমরা গিয়েছি ৭ ডিসেম্বর, সুতরাং অল্প পানি ছিল বিধায় অতটা উপভোগ করিনি। শৈলপ্রপাত পরিদর্শন করার পর সেখানে পাহাড়িদের কাছ থেকে কিনে আনারস খাই।


যদিও আমি আনারস খাইনা তবে সেদিনকার আনারসটা খুবই মিষ্টি ছিল। শৈলপ্রপাত দেখা শেষে আমরা সরাসরি হোটেলে রওনা হয়েছিলাম। কারণ আমরা নীলগিরির জন্য বের হওয়ার সময়ই হোটেল থেকে চেক-আউট করে আমাদের লাগেজ গুলো রিসিপশনের রেখে দিয়েছিলাম। দুপুর ২ টা ৪০ মিনিটে আমরা পূর্বাণী পরিবহনের কাউন্টার এ গেলাম। পূর্বাণীর বাস ছিল ৩ টায় আর ৫ টায়। আমরা বান্দরবান থেকে কক্সবাজার যাবো বিধায় পূর্বাণীর টিকেটই কাটতে হবে। এছাড়া অন্য কোন বাস নেই। সবারই কক্সবাজারে যাওয়ার প্রতি আগ্রহ ছিল এবং আমাদের কক্সবাজারে হোটেল বুকিং করা ছিল বিধায় দুপুরে না খেয়েই ৩ টার বাসে কক্সাবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা করি। বান্দরবান থেকে হালকা কিছু খাবার কিনে নিয়ে বাসে উঠি। তার আগে অবশ্য আমরা সিএনজিতে করে হোটেল এ গিয়ে লাগেজ নিয়ে হোটেলের সামনে রাস্তায় দাড়াই। বাস এসে আমাদের পিক করে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেই। বান্দরবান থেকে পূর্বাণী নন-এসি বাসের ভাড়া ১৭০/- (জনপ্রতি)।সব মিলিয়ে দেড় দিনের বান্দরবান সফর একরকম উপভোগ্যই ছিল।কক্সবাজারের গল্প আরেকদিন বলবো।সবাই ভালো থাকবেন।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:০৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×