মুসলমানদের পক্ষে কথা বল্লেই আজকে সম্প্রদায়িক। মানলাম রোহিঙ্গারা মুসলিম, কাকে খুশি করতে আজকে বর্ডার বন্ধ করে প্রহরী বৃদ্ধি করা হল। অতচ অসম্প্রদায়িকতার ট্যাগ নিয়ে আমরা আজকাল নোবেলের স্বপ্ন দেখি। আমরাওত একদিন আশ্রিত ছিলাম! তাই অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ হউক একটা শান্তিময়য় আশ্রয়স্থল যা দেখে পৃথিবী অবাক হবে।
মিয়ানমারে যে কান্ড চলছে, সেটা কোনো সভ্য দুনিয়ার দৃশ্য নয়। এই একবিংশ শতাব্দীতে, এত সজাগ মিডিয়া আর সোশাল মিডিয়ার যুগে মানুষের উপর এমন বর্বরতা বিশ্বাস করা যায় না। রোহিঙ্গাদের উপর যা চলছে, মধ্যযুগের বর্বরতাও তার কাছে কিছুই না।
বাংলাদেশ কি করছে?? আমি মিয়ানমারের প্রতিবেশী বাংলাদেশ রাষ্ট্রের কথাই বলছি। খবরে প্রতিদিন পড়ছি মিয়ারমারে সামরিক অভিযান থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করছে শত শত রোহিঙ্গা শরণার্থী , সতর্ক অবস্থানে বাংলাদেশ, তিন প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন। এটা শুধু বাংলাদেশের মিড়িয়ার খবর নয় বরং আন্তর্জাতিক গনমাধ্যমেও একই খবর প্রকাশ হচ্ছে যে মায়ানমারের নির্জাতিতি শরণার্থীদের ঢুকতে দিচ্ছে না বাংলাদেশ।
অতচ খরটা যদি অন্য রকম হত যে বাংলাদেশ তার সীমিত সামর্থের মধ্যে থেকেও মায়ানমারের অসহায় শরণার্থী মানুষকে আশ্রয় দিচ্ছে। তাহলে পুরো বিশ্ব দেখত একটা অন্য বাংলাদেশ।
বিশ্ব দেখত আনসাং একজন অযোগ্য এবং তিনি শান্তির জন্য কিছুই করতে পারেন নি শান্তির নোবেল পকেটে থাকার পরেও অতচ সেই দায়িত্ব বাংলাদেশ নিয়েছে আর বাংলাদেশ কোন নোবেল প্রাইজের ধার ধারে না।
বিশ্ব অন্ধ নয়। বিশ্ব বধির নয়। কাজেই বিশ্ব বাংলাদেশকে ''শান্তির দেশ'' বলবে। আর এটাই শ্রেষ্ঠ সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে পুরো বিশ্বকে দেখিয়ে দেওয়ার সুযোগ । আমরা বিশ্বকে দেখিয়ে দেই সীমিত সম্পদ কোন প্রতিবন্ধকতা নয় বরং সীমিত সম্পদ নিয়েই আমরা দেখিয়ে দিতে চাই রোহিঙ্গা হোক, শাওতাল হোক, হিন্দু হোক, মুসলমান হোক, বাংলাদেশ যেন হয় সব ধর্ম আর মতের আশ্রয়স্থল।
তাই সরকার বাহাদুরের কাছে আবেদন থাকল সব বিতর্ক দূরে ঠেলে আপাতত রোহিঙ্গাদের জন্য সীমান্ত খুলে দিন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান ।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৩:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




