somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তাজমহল: পাথরের ভেতর ভালোবাসার গল্প

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
তাজমহল: পাথরের ভেতর ভালোবাসার গল্প



কিছু স্থাপনা শুধু ইট-পাথর-মার্বেল দিয়ে তৈরি হয় না; তাদের ভেতরে জমে থাকে মানুষের আবেগ, ইতিহাস, স্মৃতি আর অমোচনীয় ভালোবাসার গল্প। তাজমহল তেমনই একটি স্থাপনা। পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ তাজমহল দেখতে যায়, কিন্তু সবাই একই তাজমহল দেখে না। কেউ দেখে স্থাপত্যের বিস্ময়, কেউ দেখে সম্রাটের ক্ষমতা ও ঐশ্বর্যের প্রকাশ, কেউ দেখে শোকাহত এক স্বামীর ভালোবাসা, আবার কেউ দেখেন এর ভেতরে লুকিয়ে থাকা ইতিহাস, রাজনীতি কিংবা মানুষের মনস্তত্ত্ব।

তাজমহলের গল্প শুরু করতে হলে ফিরে যেতে হয় চারশ বছরেরও বেশি পেছনে—মুঘল সম্রাট শাহজাহান ও মমতাজ মহলের কাছে।

শাহজাহানের আসল নাম ছিল শাহাবুদ্দীন মুহাম্মদ খুররম। ‘শাহজাহান’ ছিল তাঁর রাজকীয় উপাধি। যুবরাজ খুররমের সঙ্গে আরজুমান্দ বানু বেগমের বাগদান হয় ১৬০৭ সালে। তখন খুররমের বয়স প্রায় ১৫ এবং আরজুমান্দের ১৪। পাঁচ বছর পর তাঁদের বিয়ে হয়। ১৬১২ সালে বিবাহের সময় খুররমের বয়স ছিল প্রায় ২০ বছর, আর মমতাজ তাঁর চেয়ে সামান্য ছোট ছিলেন। তাঁদের দাম্পত্যজীবন স্থায়ী হয়েছিল প্রায় ১৯ বছর। এই সময়ে তাঁদের ঘরে জন্ম নেয় ১৪ সন্তান।

মমতাজ মহল ছিলেন শাহজাহানের তৃতীয় স্ত্রী এবং তাঁর সবচেয়ে প্রিয়। শাহজাহানের অন্য স্ত্রীরাও ছিলেন, কিন্তু সমসাময়িক দরবারি বিবরণে মমতাজের প্রতি তাঁর যে গভীর ভালোবাসা, আস্থা ও নির্ভরতার কথা পাওয়া যায়, তা অন্যদের ক্ষেত্রে দেখা যায় না। মমতাজ শুধু তাঁর স্ত্রী ছিলেন না; তিনি ছিলেন তাঁর বিশ্বস্ত সঙ্গী ও পরামর্শদাতা। এমনকি শাহজাহান তাঁকে রাজকীয় সিলমোহর ব্যবহারের দায়িত্বও দিয়েছিলেন।

১৬২৮ সালে খুররম মুঘল সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ‘শাহজাহান’ নামে পরিচিত হন। কিন্তু সম্রাট হওয়ার মাত্র কয়েক বছর পরই তাঁর জীবনে নেমে আসে গভীর ব্যক্তিগত শোক।

১৬৩১ সালে দাক্ষিণাত্যে সামরিক অভিযানের সময় সন্তান প্রসবের পর মমতাজ মহল মৃত্যুবরণ করেন। প্রচলিত ঐতিহাসিক বিবরণে এটি তাঁদের চতুর্দশ সন্তান হিসেবে উল্লেখ করা হয়। মমতাজের মৃত্যুর পর শাহজাহানের শোকের বিবরণ সমসাময়িক ইতিহাসকাররাও বিশেষভাবে লিপিবদ্ধ করেছেন। তিনি দীর্ঘ সময় নিজেকে রাজকীয় আনন্দ-উৎসব থেকে দূরে রেখেছিলেন; পোশাক, অলংকার, সুগন্ধি ও সংগীত থেকেও বিরত ছিলেন বলে ঐতিহাসিক বিবরণে উল্লেখ আছে।

মানুষ শোক প্রকাশ করে নানা উপায়ে। কেউ কবিতা লেখে, কেউ স্মৃতিচারণ করে, কেউ প্রিয়জনের নামে দান করে, কেউ আবার কোনো স্থাপনা নির্মাণ করে স্মৃতিকে স্থায়ী করে রাখে। শাহজাহানের শোকের ভাষা হয়ে উঠেছিল স্থাপত্য।

মমতাজের মৃত্যুর পর তাঁর স্মৃতিতে আগ্রায় যমুনার তীরে শুরু হয় এক অভূতপূর্ব সমাধিসৌধ নির্মাণের কাজ। সেটিই আজকের তাজমহল।

পাথরের ভেতর ভালোবাসা

তাজমহল নির্মাণের কাজ আনুমানিক ১৬৩২ সালে শুরু হয়। মূল সমাধিসৌধ ১৬৪৮ সালের মধ্যে সম্পন্ন হয়; মসজিদ, অতিথিশালা, প্রবেশদ্বার, বাগানসহ পুরো কমপ্লেক্সের কাজ আরও কয়েক বছর ধরে চলে। UNESCO-এর তথ্য অনুযায়ী, সমগ্র স্থাপত্য-পরিসরটি ১৬৫৩ সালের দিকে সম্পূর্ণ হয়।

এই বিশাল স্থাপনা নির্মাণে নিয়োজিত ছিল হাজার হাজার কারিগর ও শ্রমিক। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল ছাড়াও মধ্য এশিয়া ও ইরান থেকে দক্ষ কারিগর আনা হয়েছিল। নির্মাণসামগ্রী পরিবহনে প্রায় এক হাজার হাতি ব্যবহারের কথাও ঐতিহাসিক সূত্রে পাওয়া যায়। প্রধান স্থপতি হিসেবে সাধারণত উস্তাদ আহমদ লাহোরীর নাম উল্লেখ করা হয়।

সাদা মার্বেলের বিশাল গম্বুজ, চারপাশের মিনার, সূক্ষ্ম পিয়েত্রা-দুরা অলংকরণ, আরবি ক্যালিগ্রাফি, জ্যামিতিক নকশা—সব মিলিয়ে তাজমহল হয়ে ওঠে মুঘল স্থাপত্যের এক অনন্য শিখর।

আলোর সঙ্গে এর রূপও যেন বদলে যায়। সকালের আলোয় একরকম, দুপুরে আরেকরকম, সন্ধ্যার কোমল আলোয় অন্যরকম। পূর্ণিমার রাতে সাদা মার্বেলের ওপর চাঁদের আলো পড়লে তাজমহল যেন বাস্তব স্থাপনা না হয়ে কোনো কবিতার দৃশ্য হয়ে ওঠে।

UNESCO তাজমহলকে মুসলিম শিল্পের এক অনন্য নিদর্শন এবং বিশ্বের সর্বজনস্বীকৃত স্থাপত্যকীর্তিগুলোর একটি হিসেবে বর্ণনা করেছে।

তবে তাজমহলের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য হয়তো তার স্থাপত্যে নয়; তার গল্পে।

কাজী নজরুল ইসলাম সেই গল্পটিকেই অসাধারণ কয়েকটি পঙ্‌ক্তিতে ধরেছিলেন—

“তাজমহলের পাথর দেখেছ, দেখিয়াছ তার প্রাণ?
অন্তরে তার মোমতাজ নারী, বাহিরেতে শা-জাহান।”


নজরুল তাজমহলের পাথরের মধ্যে শুধু পাথর দেখেননি। তিনি দেখেছেন একজন নারীর স্মৃতি এবং একজন পুরুষের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। তাঁর চোখে তাজমহল কেবল সম্রাটের ঐশ্বর্যের প্রদর্শনী নয়; তার অন্তরে আছে মমতাজ।

পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে মার্বেল, মূল্যবান পাথর, কারিগর ও শিল্পরীতি এসে এক জায়গায় মিলেছে। একটি নারীর স্মৃতিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে এমন এক স্থাপত্য, যা চারশ বছর পরও মানুষের কল্পনাকে আলোড়িত করে।

তাজমহল—শুধু প্রেমের প্রতীক?

তাজমহলকে আজ সারা পৃথিবীতে ‘Symbol of Love’ হিসেবে দেখা হয়। সিনেমা, কবিতা, উপন্যাস, ভ্রমণকাহিনি—সবখানেই তাজমহল প্রেমের এক অনন্ত প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

ঊনবিংশ শতাব্দীর ইংরেজ কবি এডওয়ার্ড লিয়ারের ভারতভ্রমণের সঙ্গে তাজমহলকে নিয়ে একটি বহুল উদ্ধৃত মন্তব্যও জড়িয়ে আছে—বিশ্বের মানুষকে যেন দুই ভাগে ভাগ করা যায়: যারা তাজমহল দেখেছে এবং যারা দেখেনি। তবে এই উদ্ধৃতিটির বিভিন্ন রূপ প্রচলিত রয়েছে।

বাংলা সাহিত্যেও তাজমহল বারবার ফিরে এসেছে। রবীন্দ্রনাথ, নজরুলসহ বহু কবি-সাহিত্যিক তাজমহলকে কখনো প্রেম, কখনো স্মৃতি, কখনো মানবজীবনের ক্ষণস্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

কিন্তু মজার ব্যাপার হলো—একটি তাজমহলকে সবাই একইভাবে দেখেন না।

এক তাজমহল, বহু দৃষ্টিকোণ

বাংলা ভাষায় মানুষের মনস্তত্ত্ব ও দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার জন্য মাওলানা হেমায়েত উদ্দিনের *চশমার আয়নায় যেমন* বইটির একটি সুন্দর রূপক আছে। মানুষ যেন একেক সময় একেক রঙের চশমা পরে পৃথিবীকে দেখে। চশমা বদলে গেলে দৃশ্যও বদলে যায়।

তাজমহলের ক্ষেত্রেও কথাটি অসাধারণভাবে সত্য।

প্রেমিক তাজমহলে দেখবেন ভালোবাসার স্মারক। স্থপতি দেখবেন অনন্য স্থাপত্যকৌশল। ইতিহাসবিদ দেখবেন মুঘল সাম্রাজ্যের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক শক্তি। অর্থনীতিবিদ দেখবেন বিপুল রাজকীয় সম্পদের বিনিয়োগ। মনোবিজ্ঞানী দেখবেন শোক, স্মৃতি ও ভালোবাসার এক জটিল প্রকাশ। আর একজন ধর্মীয় বা নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে হয়তো প্রশ্ন উঠবে—একজন সম্রাটের বিপুল ঐশ্বর্য ব্যয় করে নির্মিত এই স্মৃতিসৌধকে কীভাবে মূল্যায়ন করা উচিত?

অর্থাৎ, তাজমহল একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থেকেও প্রত্যেক দর্শকের কাছে এক নয়।

এটাই মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির আশ্চর্য জগৎ।

একজন মানুষকে যেমন কেউ ভালোবাসে, কেউ অপছন্দ করে; কেউ তার মধ্যে মহত্ত্ব খুঁজে পায়, কেউ দুর্বলতা। কারণ মানুষটি বদলায়নি—বদলেছে দেখার চশমা।

তাজমহল নিয়ে আরেকটি ভিন্ন কণ্ঠ

উর্দু কবি ও গীতিকার সাহির লুধিয়ানভির *Taj Mahal* কবিতায় তাজমহলকে দেখা হয়েছে একেবারেই অন্য চোখে। সেখানে দরিদ্র প্রেমিকের দৃষ্টিকোণ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে—একজন সম্রাট তাঁর অপরিসীম সম্পদ দিয়ে প্রিয়তমার জন্য এমন এক স্মৃতিসৌধ বানিয়েছেন, যার তুলনায় সাধারণ মানুষের ভালোবাসা যেন তুচ্ছ হয়ে যায়।

সাহিরের কবিতার মূল ভাবটি এমন—

> একজন সম্রাট তাঁর অফুরন্ত ঐশ্বর্য দিয়ে প্রিয়তমার কবরের ওপর এমন এক স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করেছেন, যা আমার মতো দরিদ্র প্রেমিকের ভালোবাসাকেই যেন উপহাস করে।

এখানে তাজমহল আর শুধু প্রেমের প্রতীক নয়; এটি হয়ে ওঠে শ্রেণি, সম্পদ ও প্রেম প্রকাশের সামাজিক বৈষম্য নিয়ে এক তীক্ষ্ণ প্রশ্ন।

একজন স্বামী হয়তো স্ত্রীর কাছে শুনতে পারেন—“শাহজাহান মমতাজের জন্য তাজমহল বানিয়েছিলেন, তুমি আমার জন্য কী করেছ?”

সাহির যেন সেই প্রশ্নেরই বিপরীত দিক থেকে উত্তর দেন—“সব মানুষের ভালোবাসা কি তাহলে তাজমহলের মতো স্মৃতিসৌধ বানাতে পারলেই মূল্যবান হবে?”

এখানেই তাজমহল প্রেমের পাশাপাশি সামাজিক বাস্তবতারও প্রতীক হয়ে ওঠে।

তাজমহল বিক্রির গল্প—ইতিহাস না কিংবদন্তি?

তাজমহলকে ঘিরে যেমন প্রেমের গল্প আছে, তেমনি আছে বহু কিংবদন্তি।

সবচেয়ে জনপ্রিয় গল্পগুলোর একটি হলো—ব্রিটিশ শাসনামলে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক তাজমহল ভেঙে তার মার্বেল নিলামে বিক্রি করার পরিকল্পনা করেছিলেন। এমনকি ১৮৩১ সালে তাজমহল নিলামে বিক্রি হয়েছিল এবং লক্ষ্মীচাঁদ নামে এক ব্যবসায়ী তা কিনেছিলেন—এমন গল্পও বহু বছর ধরে প্রচলিত।

কিন্তু ইতিহাসের কঠোর যাচাইয়ে এই কাহিনির ভিত্তি দুর্বল। গবেষণায় দেখা যায়, বেন্টিঙ্কের সময় আগ্রা ফোর্টের পরিত্যক্ত মার্বেল ও অন্যান্য স্থাপত্যসামগ্রী বিক্রির ঘটনা ঘটেছিল। পরবর্তী সময়ে সেই ঘটনাই সম্ভবত তাজমহল বিক্রির কিংবদন্তির সঙ্গে মিশে যায়। তাজমহল সত্যিই নিলামে বিক্রি হয়েছিল—এমন নির্ভরযোগ্য প্রামাণ্য দলিল পাওয়া যায় না।

তাজমহল নিয়ে আরেকটি বিখ্যাত মিথ হলো—নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর শাহজাহান নাকি স্থপতি ও কারিগরদের হাত কেটে দিয়েছিলেন, যাতে তাঁরা আর কখনো এমন স্থাপনা তৈরি করতে না পারেন।

এই গল্পটিও অত্যন্ত জনপ্রিয়, কিন্তু এর পক্ষে নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই।

ইতিহাসের সৌন্দর্য এখানেই—কিংবদন্তি আর সত্যকে আলাদা করে দেখলেও কিংবদন্তিগুলো মানুষের কল্পনার ইতিহাসটি বুঝতে সাহায্য করে।


তাজমহলকে আপনি কোন চশমায় দেখবেন?

একজন পর্যটক হিসেবে দেখলে এটি পৃথিবীর অন্যতম বিস্ময়কর স্থাপত্য। একজন স্থপতি হিসেবে দেখলে এটি প্রকৌশল, অনুপাত ও সৌন্দর্যের অসাধারণ সমন্বয়। একজন ইতিহাসবিদের চোখে এটি মুঘল সাম্রাজ্যের ক্ষমতা, সম্পদ ও শিল্পরুচির দলিল। একজন কবির চোখে এটি পাথরে লেখা কবিতা। আর একজন প্রেমিকের চোখে—এটি হয়তো হারিয়ে যাওয়া একজন প্রিয় মানুষের স্মৃতিকে ধরে রাখার মানুষের চিরন্তন আকাঙ্ক্ষা।

তবে তাজমহলের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হয়তো অন্য কোথাও।

মানুষ চলে যায়, সাম্রাজ্য চলে যায়, রাজদণ্ড চলে যায়, সম্পদ চলে যায়—কিন্তু মানুষ তার ভালোবাসাকে কোনো না কোনোভাবে রেখে যেতে চায়।

শাহজাহান তাঁর ভালোবাসাকে পাথরে রেখে গিয়েছিলেন।

চারশ বছর পরও সেই পাথরের দিকে তাকিয়ে পৃথিবীর মানুষ ভালোবাসার গল্প পড়ে।

তাই তাজমহল শুধু একটি সমাধিসৌধ নয়। এটি মানুষের স্মৃতি ধরে রাখার এক অসীম আকাঙ্ক্ষার নাম।

আর হয়তো সে কারণেই একই তাজমহলকে কেউ স্থাপত্য বলে, কেউ ইতিহাস বলে, কেউ রাজকীয় অহংকার বলে, কেউ শোকের স্মারক বলে—আর কেউ নিঃশব্দে বলে,

“এখানে একজন মানুষ তার হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মানুষটিকে ভুলে যেতে পারেননি।”
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৭
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ব্যাস্ততম শহরে এক ছুটির দিন

লিখেছেন ঢাকার লোক, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১২

নিউ ইয়র্ক দুনিয়ার অন্যতম ব্যাস্ততম শহর। বলা হয় The City that never sleeps! এরই মাঝে এবার মিলে গেলো এক ছুটির দিনে পিকনিকে যাওয়ার সুযোগ। শহরের সীমানা ছেড়ে প্রায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৯

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১৭



সিরাজ ভাই বললেন, টেংরা মাছের ডিম আপনার কাছে কেমন লাগে?
আমি বললাম, ভালোই লাগে। শুধু রুই মাছের ডিম আমার ভালো লাগে না। সিরাজ ভাই বললেন, রুই মাছের ডিম সঠিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্রভাষা নিয়ে জিন্নাহর বক্তব্য। কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০


জিন্নাহর সেই ভাষণ
সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে ভাষা আন্দোলন নিয়ে জিন্নাহর একটি বক্তব্য যাতে দাবী করা হচ্ছে তিনি নাকি আমাদের ওপর উর্দু যেভাবে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে বলে এতকাল “প্রচার”... ...বাকিটুকু পড়ুন

গালিব সাহেব, মিথ্যারও তো একটু সামাজিক মর্যাদা আছে!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩



মির্জা গালিব বলেছেন -
“পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলা হয় ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে, যেটা আদালতে। আর সবচেয়ে বেশি সত্য বলা হয় মদ ছুঁয়ে, যেটা পানশালা।”

গালিব সাহেব, আপনার কথায় যুক্তি আছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাউঞ্জ এন্ড ফুড রিভিউ; দ্যা সেন্স

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৪২


নিয়মিত-অনিয়মিত গত এক যুগ ধরে ভ্রমণ করছি এবং প্রায়োরিটি পাস দিয়ে বিভিন্ন দেশের এয়ারপোর্টে লাউঞ্জ ব্যবহার করছি প্রায় ৪ বছর ধরে। দীর্ঘ ফ্লাইট, লং ট্রানজিটের মধ্যে এয়ারপোর্টে ফ্রিতে দৃষ্টিনন্দন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×