আহা কি যে আনন্দ লাগতেছে, আসেন একটু খাওয়া দাওয়া করি।
এবার একটি স্মৃতি শেয়ার করি আপনাদের সাথে-
খুব বেশি দিন আগের ঘটনা নয়, তখন মাত্র অনার্স পরীক্ষা দিয়েছি। আমি ও আমার চার বন্ধু মিলে সিলেট থেকে ঢাকা যাচ্ছিলাম। রাতের ট্রেন, বগিতে তেমন কেউ ছিলনা। সবার মাথায় ভূত চাপলো ফেনসিডিল খাওয়ার, জালাল কোথা থেকে যোগাড় করেও ফেলল। পাঁচ জন বন্ধু ফেনসিডিল খেয়ে চুপচাপ বসে আছি। সায়েম প্রস্তাব দিলো তাস খেলার, রাসেল বাদে বাকি চারজন মিলে তাস খেলতেছি। খুব চুপচাপ খেলা চলতেছে, আমরা সাধারনত তাস খেলায় হাউকাউ করি। হঠাৎ দেখি রাসেল কাত হয়ে হা করে ঘুমাচ্ছে, ওর এই অবস্হা দেখে আমরা হাসলাম। আবার সবাই চুপচাপ, হঠাৎ জালাল আমার মুখের কাছে এসে ঐ বলে চিৎকার দিলো, আমি কিছু না বলে তাস খেলতেছি। আবার কিছু সময় পর সায়েমের মুখের কাছে গিয়ে ঐ বলে চিৎকার করলো জালাল, সায়েম ও কিছু বলল না। শাহেদের মুখের কাছে গিয়েও চিৎকার করলো, সেও কিছু বলল না। তখন জালাল বলল যে সে আর খেলবে না। আমরা তিনজন খেলতেছি, আবার জালাল আমার মুখের কাছে এসে চিৎকার করলো ঐ বলে। আমি এইবার ও কিছু বললাম না, কিছু সময় পর উঠে গিয়ে জালালের মুখের কাছে গিয়ে ঐ বলে চিৎকার দিয়ে ওর গালে কষে একটা থাপ্পর দিয়ে আমি আবার খেলতে বসছি। জালাল থাপ্পর খেয়ে হাউমাউ করে কেদে দিল, রাসেল কে ঘুম থেকে উঠায় বিচার দিল। রাসেল ও ওকে একটা থাপ্পর দিয়ে ঘুমাতে গেল। আর আমরা খেলেই যাচ্ছি। জালাল কান্নাকাটি করতে করতে ঘুমায় গেল, আমরাও একটু পর ঘুমায় পরলাম।
পরের দিন সকালে আমি জালালের মুখের কাছে গিয়ে ঐ বলে চিৎকার করলাম। জালাল খুব বিরক্ত হয়ে বলল তোর কি হইছে? আমি হেসে বললাম তুই এই কাজটা করছিলি রাতে এখন দেখ কেমন লাগে।
নেশাটা ধরছিল বেশি রাসেল আর জালালকে, রাসেল ঘুমাইছে আর জালাল চিৎকার করছে। আমরা তিনজন মোটামুটি ভাল ছিলাম।
এখনও মাঝে মাঝে জালালকে চেতাই তোরে থাপ্পর মারছিল কেরে? ও চেতে যায় এখনও কিন্তু হাসিও থামাতে পারে না। প্রস্তাব আসে এখনও ফেনসিডিল খাওয়ার কিন্তু আর রাজি হইনাই।
এটা লিখছিলাম জেলারেল হওয়ার আগে, প্লিওসিন অথবা গ্লসিয়ার ভাই যে কেমনে আমার এই লেখাটা পড়েছেন বলতে পারবো না। উনাকে ধন্যবাদ।
দেখি এইবার প্রথম পাতায় আসে কিনা।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৪:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



