দরজার ওপাশ থেকে
-কে? দাঁড়িয়ে আছেন, কে ওখানে?
>আমি, আমি আগুন্তক।
-আগুন্তক? চিনতে পারছি না,
কে আপনি?
>নামটা তো না চেনারই কথা,
কিন্তু কণ্ঠস্বর শুনে কি বুঝতে পারছ না।
এখন সত্যিই সব পরিস্কার,
সত্যিই তুমি আমায় ভুলে গিয়েছ।
এখন আমি তো তোমার কাছে নিছক আগুন্তক মাত্র।
--তুমি,তুমি এখানে,তুমি এখানে কেন এসেছ?
কে আসতে বলেছে?কি চাও তুমি?
>>বিবেক, ধরে নাও ব্যাকুল মন
অসমাপ্ত ভালোবাসার টানে।
কিন্তু ভেবো না আমি পুনরায় তোমাকে ভালবাসতে এসেছি
এ ভাবনাটা একদমই মিছেক ভুল।
আমি যে তোমাকে ফিরিয়ে দিতে এসেছি জমে থাকা কষ্টগুলো,
যা দিন দিন আমাকে কুরে কুরে খাচ্ছে
আমি পারছি না এ-দহন সইতে।
ফিরিয়ে নাও তোমার মিথ্যে ভালোবাসাগুলো,
হাতটি বাড়িয়ে দাও শেষবারের মতো
ছুঁয়ে তোমায় ফিরিয়ে দেই, অবশিষ্ট শেষ অস্তিত্বটুকো।
মুক্ত করো আমায় তোমার মিথ্যে ভালোবাসার জাল থেকে
আমি মুক্তি চাই, মুক্তি চাই, মুক্তি চাই, মুক্তি।
আর ফিরিয়ে দাও আমার ভালোবাসাগুলো
যা আজও তোমার কাছে সীমাবদ্ধহীন।
মেয়েটি তার বাকা ঠোঁটে চিকন হাসি দিয়ে বলল,
--আমি সেইদিনই তোমার ভালোবাসাগুলো রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলেছি
যেদিন তোমার দেওয়া চিঠিগুলো পুড়ে ছাই করেছি।
আর খুন করেছি জমে উঠা ভালোবাসার স্বপ্নগুলোকে।
আগুন্তকের দু-চোখ ছলছল করে উঠে
জল পরে না, ধীরে ধীরে পাথর হয়ে যায়
সে আর স্থির থাকতে পারছে না
আর এক মুহূর্ত নয়,
ছুঁড়ে ফেলা ছাইগুলো খুঁজে আঁকড়ে ধরতে চায়।
তার এখন একটাই কাজ,
খুন হওয়া স্বপ্নগুলোকে সমাধি দিতে হবে।

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৪ রাত ১:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



