
লেখক (ইংরেজি: Writer) বলতে কোন ব্যক্তি কর্তৃক রচিত লিখন কর্ম বা কোন কিছু লেখাকে বুঝায়। তবে যে কোন লেখার অধিকর্তাই লেখকরূপে স্বীকৃতি পান না; তাঁর লেখায় সাহিত্যিক গুণাবলী থাকতে হবে। সাধারণতঃ যে ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ সৃষ্টিশীল কোন লেখনী কিংবা লেখাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন, তিনিই লেখকরূপে গণ্য হয়ে থাকেন। একজন দক্ষ লেখক উত্তম ভাষাশৈলী প্রদর্শন নিজ চিন্তাধারার প্রকাশ ঘটান কিংবা চিত্রণ আকারে লেখার আকার হিসেবে গ্রন্থে জনসমক্ষে তুলে ধরেন। অনেকভাবে লেখাকে প্রকাশ করা হয়। তন্মধ্যে, গল্প, উপন্যাস, কবিতা, নাটক, প্রবন্ধ, রূপকথা, কল্পকাহিনী ইত্যাদি লেখকের মাধ্যমে লিখিত হয়। লেখকের সৃষ্টিশীল কর্মগুলো অনেকক্ষেত্রে সমাজ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ও বিপ্লবাত্মক ভূমিকা পালন করে যা সুস্থ সাংস্কৃতিক ধারা প্রবাহিত হয়ে থাকে।
বর্তমান সময়ে লেখকদের অভাব নেই।যে,সামান্য দু চারটি শব্দ লিখতে পারে,বা দু চারটি বই থেকে কয়েকটি শব্দ কপি করে একটি বই প্রকাশ করে নামের পাশে লেখক টাইটেল লাগিয়ে গর্ববোধ করে।লেখক হওয়া খুব সহজ নয়।লেখক হতে হলে লেখার মাধ্যমে নতুন কিছু আবিষ্কার করতে হবে।যা অতীতে কোন লেখক তার লিখনীতে উপস্থাপন করেন নি।যারা প্রকৃত লেখক তাদের লেখা কোন সুনামধন্য পুস্তক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান বই আকারে জনসম্মুখে প্রকাশ করে।এবং এই বইকে জনসম্মুখে প্রচার করার জন্য পুস্তক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।সেখানে দেশের গুণীজন ব্যক্তিরা বই ও লেখকের নানা চিত্র ফুটিয়ে তোলেন।
আমার দেখা,একজন নব্য লেখক একটি ক্ষুদ্র বই তৈরি করেছেন।এবং সেই বইয়ের প্রকাশক নিজেই।সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় হলো,লেখক নিজেই বই নিয়ে হাঁটে-ঘাটে হকারের মতো বই বিক্রি করছেন।জনসাধারনদের বলছেন,এটি একটি ভালো বই কিনে নাও পড়ে উপকার হবে।বাস্তব কথা হলো,একজন লেখকের সবচেয়ে বড় যে বস্তুটি থাকার কথা তা হলো আত্মমর্যাদা। একজন লেখক হিসেবে আপনার যদি আত্মমর্যাদা না তাকে, তাহলে কী আপনার বই কেউ কিনবে বা পড়বে।
লেখক হবার জন্য কেউ যে হকার হতে পারে ;তা আমি এই প্রথম দেখলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


