somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অসুস্থ গণতন্ত্রের অভিশাপে জর্জরিত বাংলাদেশ!

১০ ই অক্টোবর, ২০১৬ রাত ৮:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :












এক সাগর রক্ত ও ত্রিশ লক্ষ বাঙালির প্রাণের বিনিময়ে পেলাম শালার স্বাধীনতা।আমরা কি চেয়ে ছিলাম?শালার স্বাধীনতা নিত্যদিন কান্না ও হাহাকারের চিৎকার উপহার দিবে।বিশ্বজিৎ,তনু,খাদিজার রক্তে লাল হবে প্রিয় বাংলাদেশ।
কেন,আজ বিশ্বজিৎ,তনু,খাদিজার রক্তে লাল হচ্ছে বাংলাদেশ?কি বা তার আসল রহস্য?আমরা বাঙালি অভাগা জাতি।কোনো কিছুর আসল রহস্য অনুসন্ধান না করে,শুধু শুধু অনৈতিক প্রলাপ করে থাকি।বিশ্বজিৎ,খাদিজার মতো অনেক নিরীহ মানুষকে ঘাতকরা প্রকাশ্য দিবালোক চাপাতি দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করছে।অথচ প্রকাশ্য দিবালোক চাপাতি দিয়ে কোপানির সাহস ওরা কোথায় থেকে পেলো।ওদের রক্তের তাপমাত্রা এতো বেড়ে গেলো কেন?
আজ ঘাতক বদরুলকে আমরা সবাই অপরাধী ঘাতক বলে চিৎকার করছি।কিন্তু এ বদরুলের হাতে কে চাপাতি তোলে দিয়েছে?এ ঘাতক বদরুল ২০১২ সালে খাদিজার সাথে খারাপ আচরণ করে।এলাকাবাসী তা জানার পর বদরুলকে গণ ধোলাই দিয়ে তাড়িয়ে দেয়।ঠিক সেই মুহূর্তে ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা বদরুলকে বুকে টেনে নেয়।এমনকি দু দিনের ব্যবধানে বদরুলকে শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ভূষিত করে।আর আজ যখন বদরুল দেশবাসীর কাছে অপরাধী হয়ে গেলো,তখন ছাত্রলীগ তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে দিলো।এমনকি ছাত্রলীগ দাবী করছে ও আমাদের দলের কেউ নয়।কেন,এসব হচ্ছে?এসব কিছুর জন্য কি বদরুল দায়ী?দায়ী অসুস্থ গণতন্ত্র।আজ বাংলাদেশে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই।আজ গণতন্ত্রের গলায় থালা ঝুলিয়ে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হচ্ছে।যদি বাংলাদেশে সুস্থ ধারার গণতন্ত্র প্রচলিত থাকত,তবে বদরুলের মতো ঘাতকরা প্রকাশ্য দিবালোকে চাপাতি দিয়ে কাউকে রক্তাক্ত করতে পারত না।বদরুলের মতো ঘাতকদের রক্তের তাপমাত্রা এতো বৃদ্ধি পেত না।আজ বাংলাদেশে বাকশাল-স্বৈরশাসকের কারণে ঘাতকরা তথাকথিত বিচারের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে।তাই তো ঘাতকরা একের পর এক অপরাধ করার সাহস পাচ্ছে।বাংলাদেশের ৯০% নৃশংস হামলার পিছনে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি জড়িত।আজ হয়ত খাদিজাকে রক্তাক্ত করার অপরাধে বদরুলকে ফাঁসি দেয়া যায়।কিন্তু আরেক খাদিজাকে ঘাতকদের হাত থেকে রক্ষা করা যায় না।
আমাদের উচিত।বদরুলের মতো নরপশুদের কে শুধু শুধু তিরস্কার না করে,গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার প্রয়াস করা।যেখানে সুস্থ ধারার গণতন্ত্র থাকবে,সেখানে সুস্থ ধারার বিচার ব্যবস্থা চালু থাকবে।আর বাংলাদেশে যদি সুস্থ ধারার বিচার ব্যবস্থা চালু হয়।তবে ঘাতকরা কারো ওপর নৃশংস হামলা করা তদ দূরের কথা,কোনো প্রকার কটুকথা বলারও দুঃসাহস পাবে না।
এখন আমাদের নৈতিক অধিকার হলো।গণতন্ত্রকে ফিরে আনা।বাংলার স্বাধীন ভূ-খণ্ডে সুস্থ ধারার গণতন্ত্র প্রচলিত করা।যদি আমরা সুস্থ ধারার গণতন্ত্র বাংলাদেশে চালু করতে পারি। তাহলে বাংলার মাটিতে আর কোনো কান্না হাহাকারের চিৎকার শুনতে হবে না।ঘাতকদের হাতে আর কোনো মা বোনের ইজ্জত বিলীন হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই অক্টোবর, ২০১৬ রাত ৮:৫৬
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×