somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ছবি ব্লগঃ ২০ মাস পরে আবার মুক্ত হাওয়ায় হেঁটে বেড়িয়েছি

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


পুকুরের চতুর্পার্শ্বে শুধুমাত্র পায়ে হাঁটা পথ .... ছবি তোলার সময়ঃ ৩০ অগাস্ট ২০২১, ১১ঃ ৫৫ পূর্বাহ্ন।


আমি আগে আমার এলাকায় একটা বড় পুকুরের চারদিকে হাঁটার জন্য বানানো পথ ধরে অনেকটা নিয়ম করেই প্রায় প্রতিদিন হাঁটতাম। হাঁটার সাথে সাথে কখনো সূর্যোদয় দেখতাম, কখনো সূর্যাস্ত, যখন যেভাবে সময় করতে পারতাম। হাঁটাপথের পাশে সুবিন্যস্ত শয্যায় নানারকমের প্রস্ফূটিত ফুল দেখে মাঝে মাঝে হাঁটা থামাতাম, ওদের হাসি দেখার জন্য, ওদের উষ্ণ অভ্যর্থনা গ্রহণ করার জন্য। পুকুরে উড়ে আসা কয়েকটা কানি বককেও দেখা যেত, জোড়া শালিকের দলকে দেখা যেত আহারের সন্ধানে সবুজ ঘাসের উপর লাফিয়ে বেড়াচ্ছে, চঞ্চল চড়ুইদের তো সর্বত্রই দেখা যেত। রঙিন প্রজাপতিদের ফুল থেকে ফুলে আপন মনে ওড়াউড়ি করতে দেখা যেত, শিশু পার্কে শিশুদের ছুটোছুটি করতে দেখা যেত, ছোট ছোট খেলার মাঠে কিশোর যুবা এমনকি বয়স্কদেরও মিনি ফুটবল ও বাস্কেটবল খেলতে দেখা যেত, ফিটনেস সেন্টার থেকে বের হওয়া স্বাস্থ্য সচেতন ব্যায়ামানুরাগীদেরকে বাড়ী ফেরার আগে ফ্রী-হ্যান্ড অনুশীলন করতে দেখা যেত। এই পথে আমি সর্বশেষ হেঁটেছিলাম ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে। এর পরে তিন মাস মেলবোর্নে থাকাকালীন সেখানেও হেঁটেছিলাম প্রায় নিয়মিত ভাবেই। ২০২০ এর মার্চের শেষ সপ্তাহে যে রাতে দেশে ফিরে এলাম, তার পরের সকাল থেকে দেশে ‘লকডাউন’ শুরু হয়। সেই তখন থেকে আজ পর্যন্ত সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি পারতপক্ষে ঘর থেকে বের না হতে। অনিবার্য প্রয়োজনীয়তার ক্ষেত্রে যথাসম্ভব করোনা নিরোধক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েই বের হতাম।

এই কঠোর নিয়ম পালন করতে করতে আমি এখন ক্লান্ত। ঘরে বসে থাকলেও গত ২০ মাসে মুঠোফোনের ক্ষুদেবার্তায় একে একে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-সতীর্থ-সুহৃদদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রয়াণের খবর আসা বন্ধ থাকেনি। একেকটি মৃত্যুর খবর এসেছে, আর আমি প্রতিবারেই বিচলিত হয়েছি। করোনা থেকে বাঁচার জন্য স্বাভাবিক চলাফেরা, কাজকর্ম থেকে নিজেকে বিযুক্ত রেখেছি, তাই বলে অন্যান্য রোগ ব্যাধি কিন্তু চুপ করে বসে নেই। ওরা আমার এই কর্মহীনতার সুযোগে গোপনে গোপনে তাদের থাবা বিস্তার করার জন্য উদ্যত হচ্ছে। আমি ওদের এই অপতৎপরতা টের পেয়ে সিদ্ধান্ত নিলাম, আর ঘরে বসে থাকা নয়। হাঁটতে হবে। পুরনো অভ্যাসমত আবার হাঁটা শুরু করতে হবে। যেমন ভাবা, তেমন কাজ। আজ সকাল পৌণে এগারটায় বেরিয়ে পড়লাম হাঁটার জন্য, যথাসম্ভব প্রস্তুতি নিয়ে। এ সময়টা বেছে নেয়ার কারণ, এ সময়ে হাঁটাপথে ভিড় কম থাকবে, আবার গায়ে কিছুটা রোদ লাগিয়ে ফ্রী ভিটামিন-ডি ও পাওয়া যাবে।

হেঁটে এসে খুব ভালো লাগল, যদিও আজকের হাঁটা আগের হাঁটার মত ছিল না। একেবারে leisurely walk যাকে বলে! সাথে আমার স্ত্রীও ছিলেন। আমরা হেঁটেছি, থেমেছি, কথা বলেছি, ছবি তুলেছি, ইত্যবসরে তিনি তার একজন পূর্ব পরিচিত মহিলার দেখা পেয়ে তার সাথে আলাপচারিতার সাথে সাথে হাঁটা শুরু করেছেন। পুরনো জায়গা দিয়ে হাঁটতে খুব ভালো লাগছিল। সেই সাথে মনে পড়ছিল তাদের কথা, যারা একদিন আমার সাথে এই পথ দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে নানা রকমের গল্প করতেন, কিন্তু তাদেরকে আর কখনো হাঁটতে দেখা যাবে না। আজ একটা odd time এ হাঁটতে বের হওয়া সত্ত্বেও দু’জন পরিচিত ব্যক্তির সাথে দেখা হয়ে গেল। হাঁটতে হাঁটতেই তাদের সাথে কুশল বিনিময় করলাম। পরেরজন খুব একটা মজার গল্প শুরু করেছিলেন, তিনি চাইছিলেন আমি তার সাথে আরেকটু হাঁটি। কিন্তু ততক্ষণে আমার সময় পুরো হয়ে গেছে। ২০ মাস পরে হাঁটতে নেমে প্রথম দিনেই প্রয়োজনের অতিরিক্ত হাঁটা সমীচীন হবে না ভেবে তার কাছ থেকে বিনীতভাবে বিদায় নিলাম। হাঁটতে হাঁটতে সেই ফুল, লতা পাতা, সেই বক, শালিক, চড়ুই- সবাইকেই দেখলাম। হাঁটার পর কিছু ক্লান্ত হন্টনকারীকে ফাঁকা বেঞ্চগুলোতে বসে থাকা দেখলাম। কেউ একা একাই বসে পুকুরের জল দেখছে, কেউ সেলফোন ব্রাউজ করছে, কেউ কোন একজন সাথীকে পাশে বসিয়ে গল্পে মগ্ন। আবার কয়েকজনকে কানে হেডফোন সেঁটে অন্য কিছুতে মশগুল দেখতে পেলাম। কিন্তু সে সময়ে শিশু পার্কে কোন শিশুকে দেখলাম না, খেলার মাঠ খেলোয়াড়শূন্য ছিল, ফিটনেস সেন্টারের সামনে কোন অনুশীলনকারীকেও দেখলাম না। সব মিলিয়ে প্রায় দেড় ঘন্টা যাবত হাঁটা ও দেখার কাজে ব্যস্ত থেকে অবশেষে ঘরে ফিরে এলাম। ঘরে ফিরে কিছুটা দৈহিক ক্লান্তি অনুভব করলাম যদিও, তথাপি একটা মানসিক প্রশান্তিও অনুভব করলাম। সে প্রশান্তি থেকে মনটা অনেকটা প্রফুল্ল হয়ে আছে, সেটাও বেশ টের পেলাম।

জীবন ফিরে আসুক জীবনের ছন্দে, জীবন ফিরে পাক তার কাঙ্খিত ঠিকানা। সবাই ভালো থাকুন, সুস্বাস্থ্যে, সপরিবারে।

ঢাকা
৩০ অগাস্ট ২০২১
শব্দ সংখ্যাঃ ৬১০

বোতাম ফুল। ছবি তোলার সময়ঃ ৩০ অগাস্ট ২০২১, ১১;৩৫ পূর্বাহ্ন
'9 O'Clock' Flowers.
Picture taken on 30 August 2021, at 11:35 am


"রাধাচূড়া" বিকশিত হচ্ছে......ছবি তোলার সময়ঃ ০২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ঃ০৬ পূর্বাহ্ন
"Radhachura" blooming. Picture taken on 02 September 2021, at 11:06 am


কেউ কি এ ফুলটার নাম বলতে পারবেন? ছবি তোলার সময়ঃ ৩০ অগাস্ট ২০২১, ১১;৩৮ পূর্বাহ্ন


পাতাবাহর-ছবি তোলার সময়ঃ ৩০ অগাস্ট ২০২১, ১১;৪১ পূর্বাহ্ন
Patabahar-picture taken on 30 August 2021, at 11:41 am


ক্লান্তিতে শ্রান্তিতে কিছুটা বিশ্রাম, কিছুটা আলাপন
ছবি তোলার সময়ঃ ৩০ অগাস্ট ২০২১, ১১;৩২ পূর্বাহ্ন
Some rest, some gossips. Picture taken on 30 August 2021, at 11:32 am


জলে মৃদুহিল্লোল, আকাশে মেঘের ঘনঘটা। ছবি তোলার সময়ঃ ৩০ অগাস্ট ২০২১, ১০ঃ৫৫ পূর্বাহ্ন
Light ripples on the water, clouds gather overhead. Picture taken on 30 August 2021, at 10:55 am


এটা একসময় 'ফিটনেস ফ্রীক'দের পদচারণায় সরগরম থাকতো। করোনার কারণে দীর্ঘ এক বছর পর এটা খুলে দেয়া হলেও, এখনো তেমন জনসমাগম শুরু হয় নি। ছবি তোলার সময়ঃ ৩০ অগাস্ট ২০২১, ১১;০১ পূর্বাহ্ন
Not a busy place as yet, as it used to be earlier. Picture taken on 30 August 2021, at 11-01 am


কচি প্রাণ, কচি পাতা। ছবি তোলার সময়ঃ ৩০ অগাস্ট ২০২১, ১১ঃ২৪ পূর্বাহ্ন
Tender leaves, tender life. Picture taken on 30 August 2021, at 11:24 am


অজানা গন্তব্যের পথে অচেনা, অদেখা যাত্রী। শুভবিদায়.... ছবি তোলার সময়ঃ ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ঃ৪২ পূর্বাহ্ন
A flight to unknown destination: Bye bye to the unknown passengers! Picture taken on 08 September 2021, at 11:42 am


সবুজের সমারোহঃ ছবি তোলার সময়ঃ ৩০ অগাস্ট ২০২১, ১১ঃ০৯ পূর্বাহ্ন
Eye soothing greenery! Picture taken on 30 August 2021, at 1109 am


উজ্জ্বল হাসি। ছবি তোলার সময়ঃ ৩০ অগাস্ট ২০২১, ১১ঃ০৮ পূর্বাহ্ন
Bright smile! Picture taken on 30 August 2021, at 1108 am


ছবি তোলার সময়ঃ ৩০ অগাস্ট ২০২১, ১১ঃ২৭ পূর্বাহ্ন। আমার ছবি তোলার কারণে বিরক্ত হয়ে উড়ে যাওয়া বকটাকে কি কেউ দেখতে পাচ্ছেন?
Can you see the bird in flight, disturbed by my photo shooting? Picture taken on 30 August 2021, at 11:27 am


মধ্যাহ্নের নীরবতাঃ ছবি তোলার সময়ঃ ৩০ অগাস্ট ২০২১, ১১ঃ৫৬
Silence at the midday.... Picture taken on 30 August 2021, at 11:56 am


উজ্জ্বল সৌন্দর্য। ছবি তোলার সময়ঃ ০২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ঃ৩২ পূর্বাহ্ন
Bright and beautiful! Picture taken on 02 September 2021, at 11:32 am


শ্বেতশুভ্র পুষ্পতারকা! ছবি তোলার সময়ঃ ৩১ অগাস্ট ২০২১, ১১ঃ১৬
White twinkling stars! Picture taken on 31 August 2021, at 11:16 am


জোড়া শালিক, তবে একটু দূরত্ব বজায় রেখে। ছবি তোলার সময়ঃ ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ঃ০৩
A pair of small yellow-beaked singing bird of the myna group. Picture taken on 01 September 2021, 11:03 am


আজ বসার বেঞ্চগুলো ফাঁকা পড়ে আছে। ছবি তোলার সময়ঃ ৩১ অগাস্ট ২০২১, ১১ঃ২৮
Empty benches along the line Picture taken on 31 August 2021, at 11:28 am


শিশুপার্কে শিশু নেই। ছবি তোলার সময়ঃ ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১;১৩ পূর্বাহ্ন
No child seen at the Children's Park. Picture taken on 03 September 2021, at 11:13 am


পুকুরে মাছের খাবার ছিটাচ্ছে। ছবি তোলার সময়ঃ ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১;১১ পূর্বাহ্ন
Spreading fish feeds. Picture taken on 03 September 2021, at 11:11 am


নীরব হাসি। ছবি তোলার সময়ঃ ০২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ঃ৪৮ পূর্বাহ্ন
Silent smile Picture taken on 02 September 2021, at 11:48 am


দুটো বেড়াল মুখোমুখি। আরও যুদ্ধংদেহী ছিল, কিন্তু আমাকে ছবি তুলতে দেখে একটু নমনীয় হয়ে দু'জনেই এক কদম করে পিছিয়ে যায়।
ছবি তোলার সময়ঃ ০২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ঃ২১ পূর্বাহ্ন
They were more aggressive. On seeing me taking a picture, they both took one step back.
Picture taken on 02 September 2021, at 11:21 am


একটা উড়ন্ত প্লেনের ছবি তুলতে চাচ্ছিলাম। পকেট থেকে সেলফোন বের করতে করতেই সেটা ফ্রেমের বাইরে চলে যায়। তবুও, ইমারত, তরুদল আর মেঘের সম্মিলনে ছবিটা মন্দ হয়নি মনে হয়। ছবি তোলার সময়ঃ ০২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ঃ১৮ পূর্বাহ্ন
I was trying to take the picture of a plane in flight. Before I could bring out the cellphone from my pocket, the plane went out of the frame. The picture, an open space constricted by a combination of buildings, trees and clouds, still looks good perhaps! Picture taken on 02 September 2021, at 11:18 am


সন্ধ্যার পর একই স্থানের দৃশ্য।
ছবি তোলার সময়ঃ রাত ০৮ঃ২১, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
The same place after evening.
Picture taken at 08:21 pm on 07 September 2021


একই স্থানের দৃশ্য, রাতে। ডিনারের পর সেখানে একটু বসেছিলাম।
ছবি তোলার সময়ঃ রাত ০৮ঃ৪০, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
The same place after evening. Sat there for a while after dinner.


"বার্ড অভ প্যারাডাইস" ফুল। ছবি তোলার সময় ১১ঃ০৫ পূর্বাহ্ন, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
The 'Bird of Paradise'.
Picture taken at 11:05 am, 07 September 2021

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:৩২
৩৪টি মন্তব্য ৩৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হন্টেড হোটেল : বেনফ স্প্রিংস হোটেল,কানাডা

লিখেছেন নাফি ইমতি, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৮:৪৫

ব্যানফ স্প্রিংস হোটেল, কানাডার আলবার্টাতে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক হোটেল। অনেকেই বিশ্বাস করেন ১৮৮৮ সালে নির্মিত এই হোটেলটি ভুতুড়ে। বছরের পর বছর ধরে, কর্মচারী এবং অতিথিরা অস্বাভাবিক ভৌতিক ঘটনার কথা জানিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মকিম গাজী ভাই

লিখেছেন কুশন, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ২:০৪



আমি এখন বাফেলো শহরে থাকি।
আমেরিকার সেরা দশ শহরের তালিকার শীর্ষে রয়েছে বাফেলো। এখানে হালাল মার্কেট, হালাল রেস্তোরাঁ আর অনেক মসজিদ। এই শহরে বাঙ্গালীদের অভাব নেই। অনেক বাঙ্গালীকে লুঙ্গি... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোলকাতার একটি দৈনিকে একটি বিজ্ঞাপনঃ

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ভোর ৬:০৫

কোলকাতার একটি দৈনিকে একটি বিজ্ঞাপনঃ

“আমি ৭০ বছরের একলা মানুষ। তবে এখনো সক্ষম, নিজের সব কাজ, বাজার হাট, রান্নাবান্না ও নিজের দেখাশোনাটাও নিজেই করতে পারি। তেমন কোন রোগব্যাধিও নেই। অবসরপ্রাপ্ত, মাসিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

খুচরো ব্লগিং চারঃ এ চাইল্ডস লজিক

লিখেছেন অপু তানভীর, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:৫৮



কয়েক দিন আগে অনলাইনে দেখা একটা একটা ফানি ভিডিওর কথা মনে পড়লো । সেখানে দেখা যায় একজন স্ত্রী তার স্বামীর কাছে জানতে চাইছে, আচ্ছা হানি, যদি আমি মোটা হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ষ্টেশন ভাগাভাগি' র গল্প

লিখেছেন মনিরা সুলতানা, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:০৯


শৈশব থেকে পথ হারিয়েছি বহুবার, তবুও আশ্চর্য এক কারনে নতুন পথের সন্ধানে নামতে হয় বারংবার। খেলার সাথী বন্ধুমহল কিংবা অগ্রজ অনেকেই বেশ নির্ভার থাকেন আমার দেখানো পথে। তাদের ভাবনায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×