আমাদের প্রতিদিনের পথচলায় বহুকিছুর মুখোমুখি হই প্রতিমুহূর্তে; কিন্তু স্বাধিনচেতা মনোভাব নিয়ে কতটুকু পারি স্বাধীন মতবাদ ব্যক্ত করতে, যা সত্যের ভিত্তিতে অধিকার জন্মায় প্রতিফলনের!? কাউকে পরোয়া না করা এবং কাউকে তোষামোদ না করার ব্যাপারে দার্শনিক ডায়োজেনিসের খুব সুনাম ছিল, তারই কিছু ছোট দুটি উদাহরণ নিম্নে উপস্থাপিত হলো; যা হয়তো কিছুটা সময়ের জন্য হলেও আমাদের সাহসী করে তুলতে পারে, সত্যভাষণে...
দিগ্বিজয়ী বীর আলেকজান্ডারের শাসনামল; এক সকালে দার্শনিক ডায়োজেনিস তাঁর বাসার সামনে রোদ পোহাচ্ছিলেন; হঠাৎ আলেকজান্ডার এসে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনার জন্য আমি কী করতে পারি?’
ডায়োজেনিস বললেন, ‘আমি রোদ পোহাচ্ছি; আপনি সূর্যটা আড়াল করে দাঁড়িয়ে আছেন; আপাতত একটু সরে দাঁড়ালেই হয়’
আরেকবার, সেটি অত্যাচারী রাজা ডেনিসের আমলের ঘটনা; তাঁকে একদিন শাক দিয়ে রুটি খেতে দেখে সে-সময়কার আরেক দার্শনিক বললেন, ‘যদি রাজাকে একটু তোষামোদ করে চলতেন, তাহলে আর শাক দিয়ে রুটি খেতে হতো না!’
ডায়োজেনিস সঙ্গে সঙ্গে বললেন, ‘আপনি যদি শাক দিয়ে রুটি খেতে শিখতেন, তাহলে এমন এক অত্যাচারী রাজাকে তোষামোদ করতে হতো না’
উপসংহার : আমাদের অবস্থানগত বিবেচনায় যদি আমরা স্বাধীন থাকতে পারি, সত্যটি বলতে পারি নিজের দশের কিংবা দেশের স্বার্থে, তবে তাহাই হবে আমাদের প্রকৃতমানের মানুষ হয়ে জন্মগ্রহণের স্বার্থকতা!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



