somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কলমবেশ্যা

০৫ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ৩:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রেজাউল করিম রনি
কলমব্যাশ্যদের নিয়ে ঘাবরাবেন না।
যারা ব্যাক্তি জিবনে চেতনা ধর্মকে সেরা ধর্ম মনে করে এবং প্রগতীশীলতার নামে মৌলবাদি অবস্থানে হাজির হয় এরাই এই কালের সেরা জঙ্গি। আওয়ামী লীগ যতই ওলামা লীগ করুক, কিছু হুজর পোষুক না কেন তার কু-খাসিলতটা আজও আড়াল করতে পারে নাই।
ফলে কিছু জঙ্গি নেতা ও জঙ্গি বুদ্ধিজিবি উৎপাত করেই চলেছে। এটা কাটানোর জন্য শেখ হাসিনা কে ভোটের আগে অন্য সময় শক্ত করে হজ্বের পট্টি বাঁধতে হতো। এখন তো ভোটই করতে হয় না। তাই এখন শুরু হইছে আলহ্বাজ কমরেডদের যুগ। বাংলাদেশের মানুষের সরলতার সুযোগ দিয়ে কতিপয় অবিশ্বাসী ইসলামি পন্ডিত সাজতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ইসামের সেকুলার ও নাস্তিক্যবাদি অপব্যাখ্যা করে মুমিল মুসলমানদের অন্তরে কষ্ট দেয়। এই সব জঙ্গিরা নানান রাজনৈতিক দলে ছড়িয়ে আছে। এদের কেও কেও ইসলাম দরদী সেজেও ইসলামের মনগড়া ব্যাখ্যা দেয়। এরা আরও বিপদ জনক। এরা লেখায় ইসলামি শব্দ ব্যবহার করেই ইসলামকে সেকুলার জায়গা থেকে ব্যাখ্যা করে থাকে। এরা গোয়েন্দা সংস্থার ভাড়া খাটা কলমব্যাশ্যা। আ. গা চৌধুরীও মগা নেতা তো আছেই এই দলে ডানপন্থি বলে পরিচিত ফরহাদ মজহারও আছে। এইসব কলম ব্যাশ্যাদের নিয়ে মাথা ঘামানোর কিছূ নাই। সত্য পথে অবিচল থাকাই হলো জবাবের আসল কৌশল। এদের নিয়ে উতলা হওয়ার আগে দেকবেন সে জিবনে কোন সত্য কাজের নজির রাকছে কি না। দেকবেন একটাও নেই। ফলে তখন এদের খরচের খাতায় ফেলে দিবেন। আ.গা. তো পুরানা জানোয়ার। ফরহাদ সারা জিবন নাস্তিকতা ও লিভটুগেদার সংস্কৃতি চর্চা করে এখন মাদ্রসা দরদী। হেফাজতকে দিয়ে বিপ্লব করতে চায়। সম্প্রতি সে সওয়ার হইছে জামাতের কাঁধে। এরা মানুষের সামনে ইসলামের কথা বলে ফাযদা নিতে ছাড়ে না বাট ঘরে পূজা করে। দেবী ভোগ করে সংস্কৃতির নামে।। এদের তো মুনাফিক বলা যায়। চিহ্নিতদের নিয়ে কোন টেনশন নাই কিন্তু চোরা দের নিয়ে আরও সমস্যা। ফলে মুখের কথা নয় কাজের ভিতর দিয়ে মানুষকে দেখুন। দুষ্ট লোকের কথায় কান দিবে না। প্রতি স্তরে কলমব্যশ্যাদের প্রতিহত করুন।খাতির করে এদের পুষবেন, এদর মূল ধারায় স্থাপন করবেন পরে কলিজায় হাত দিলে হায় হায় করবেন এই খেলা বন্ধ করুন। সতর্ক হোন। বিচার বিবেচনা করে লোকজনকে পাত্তা দিয়েন। বিশেষ করে মিস্টভাষি শিক্ষিত লোকদের।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ৩:১৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একটা অপরাধ দশটা অপরাধের সুযোগ করে দিতে পারে ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


রাড্ডা হাসপাতালে লুটপাট
ঢাকার মিরপুর এক নম্বরে রাড্ডা ক্লিনিকের ওপর দিয়ে যেন টর্নেডো বয়ে গেছে! গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতের অন্ধকারে ১৫০-২০০ জন দুর্বৃত্ত রাড্ডা ক্লিনিকের ভেতরে প্রবেশ করে রীতিমতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিজন দাদা, হারালে কোথায় ?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


নিত্য নতুন পোস্টের ভিড়ে
সেই চেনা মুখটি আজ আর দেখি না
কোথায় হারালে বিজন দাদা
ব্লগের উঠোনে তোমার সেই ছায়াটি আর মেলে না।

কোনো লেখা যখন সদ্য প্রসবের ব্যথায়
শব্দেরা যখন খুঁজত একটু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সক্রেটিস ঈশ্বরের বাণী প্রচার করতেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৫



সক্রেটিস মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসতেন। তিনি যখনই সময়ে পেতেন, মানুষের সমাগম যেখানেই হতো, সেখানেই তিনি বক্তব্য দিতেন। সেই বক্তব্যগুলো ছিলো, সক্রেটিসের ভাষায়, 'দৈব বাণী' বাঁ 'ঈশ্বরের বাণী'। এজন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১১

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লাল বদরঃ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি নতুন ও রাজনৈতিক কটূক্তিবাচক শব্দ বা স্লোগান। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সরকার পতনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সর্ব্বহারা

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০



দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়।
১৯৪৩ সালে জাপান ভারতে আচমকা বেশ কিছু বোমা হামলা করে। সম্ভবত হিটলারকে খুশি করতেই জাপান এই কাজ করে। একের পর এক বোমা ফেলে মাদ্রাজে (বতর্মান... ...বাকিটুকু পড়ুন

×