ট্রাক ড্রাইভাররা হরতাল করে দেশ কাপালো।
এমপিওহীন ব্যাগার খাটা শিক্ষকরা
অবোধ বালকের মত বিনা বেতনে স্কুল চালাচ্ছে।
কথাগুলো বলতে চায়নি। কিন্তু বলতে হল। পনের বিশ বছর যারা এলাকার মঙ্গলে কথা চিন্তার করে ব্যগার দিচ্ছে তাদের যে কি করুণ দুর্দশা তা বলে বোঝানো যাবে না। কেউ কেউ হয়তো প্রাইভেট পড়িয়ে রুজি রোজগার করছের বটে। কিন্তু অধিকাংশ টিচার পিছিয়ে পড়া একেবারে দরিদ্র এলাকার। দরিদ্র এলাকার শিশুদের অভিভাবকরা না দিতে পারে স্কুলের বেতন । তারা নিজেদের রুজি রোজকারই ঠিক মত করতে পারে কি না সন্দেহ। ঐখানকার অভিভাবকরা কিভাবে দুশো চারশো টাকা দিয়ে বাচ্চাদের প্রাইভেট দিবে। আর ইসলাম শিক্ষা , সমাজ , বাংলার স্যাররা প্রাইভেট জুটাবে কিভাবে? তাদের সাবজেক্টে কে প্রাইভেট দিবে।
অনেক বেকার চাকরি না পেয়ে এমপিওহীন স্কুলে ঢুকেছে দশ পনের বছর আগে। তারা আজ অবধি ব্যগার টেনে যাচ্ছে।
এই বছর এমপিও হবে । সামনে বছর হবে। এই করতে করতে চলে যায় বছরের পর বছর। না স্কুল ছাড়তে পারে। না পালাতে পারে। অর্ধ পানিতে শীত কালে দাড়িয়ে থাকার মত।এমপিওহীন শিক্ষকরা কেমন করুণ অবস্থায় আছে তা ভাবা যায় না।শিক্ষকদের এভাবে বঞ্চিত করলে জাতির খুব ক্ষতি হবে।
অনতিবিলম্বে এমপিও দেওয়া উচিৎ।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১২:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


