একজন শিশু যে তারিখে জন্ম গ্রহন করে সেই তারিখে যে সংখ্যাটা থাকে সেটাই তার জন্ম সংখ্যা। আর জন্ম সংখ্যা মানেই সেই জাতকের জন্য অত্যস্ত শুভ সংখ্যা। সেই হিসেবে বাংলাদেশর স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ অর্থাৎ বাংলাদেশের জন্ম তারিখ ২৬ যার যৌগ বা একক সংখ্যা হচ্ছে ২+৬ = ৮। তাহলে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ ৮ সংখ্যার জাতিকা। আর এই ৮ সংখ্যার গ্রহাধিপতি হচ্ছে শনি তাই ৮ সংখ্যাকে শনির সংখ্যা বলা হয়।
যে কোন মাসের শনিবার বা ৮ সংখ্যা বাংলাদেশের জন্য শুভ ফল বয়ে আনবে এমনটাই অনুমান করা যেতে পারে। একটা মাসের সবগুলো শনিবার এবং ৮ সংখ্যার তারিখগুলো যেমন ৮, ১৭(১+৭=৮) এবং ২৬(২+৬=৮) বাংলাদেশের জন্য শুভ হতেই পারে। তাই শনিবার কিংবা ৮/১৭/২৬ তারিখের যে কোন একদিন বাংলাদেশ দলের বিপে অন্য কোন দলের খেলা থাকলে আমরা ধরে নিতে পারি সেই ম্যাচে বাংলাদেশের জেতার সম্ভাবনা অনেক বেশী, যদি সেক্ষেত্রে বিপক্ষ দল ৮ সংখ্যার জাতিকা না হয় বা শনি দ্বারা প্রভাবিত না হয়।
ইতিপূর্বে বাংলাদেশের জেতা ম্যাচ গুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে প্রতিটি জয়ে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে ৮ সংখ্যা বা শনিবারের প্রভাব রয়েছে। মোটামুটি ভবে ধরে নেয়া যেতে পারে ৮ সংখ্যা বা শনিবার মানেই বাংলাদেশের জন্য শুভসংখ্যা বা শুভদিন। সুতরাং শনিবার বা ৮ সংখ্যার দিনে যদি বাংলাদেশ দলের সাথে অন্য কোন দলের ক্রিকেট ম্যাচ থাকে তবে সেদিন বাংলাদেশ বিশ্বের যে কোন দলকেই হারানোর ক্ষমতা রাখে বা হারাতে সক্ষম। তাই শনিবার বা ৮ তারিখে কোন খেলা মানেই তা বাংলাদেশের জন্য একটা পয়মন্ত দিন।
এই প্রসঙ্গে আগের কিছু ম্যাচ নিয়ে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আসরে বাংলাদেশ ভারতকে যেদিন হারায় সেদিন ছিল ২৬শে মার্চ, অর্থাৎ বাংলাদেশের জন্মদিন। আর যে কোন জন্মদিন মানেই তার জন্য শুভদিন। সুতরাং ২৬ বা ২+৬ = ৮ সংখ্যার এই দিনে বাংলাদেশ অনায়াসেই ভারতকে হারায়। এমন দিনে বাংলাদেশ বিশ্বের যে কোন দলকেই হারাতে পারতো। এর আগের বার যখন বাংলাদেশ ভারতকে হারায় সেদিন ছিল ২৬শে ডিসেম্বর, ২০০৪। ২৬ মানেই ২+৬= ৮। অর্থাৎ ৮ সংখ্যার দিনে বাংলাদেশ তাদের জয় তুলে নেয়।
বাংলাদেশ বনাম সাউথ আফ্রিকা খেলা ছিল ৭ই এপ্রিল, শনিবার। শনিবার মানেই বাংলাদেশের জন্য শুভদিন অর্থাৎ ৮ সংখ্যার দিন। আর রাত ১২ টার পর যখন ক্যালেন্ডারের পাতায় ৮ তারিখ, তখন সাউথ আফ্রিকার জন্য ঐদিন হতাশায় ডুবে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না। কারণ ঐ দিনটি ছিল শুধুই বাংলাদেশের, বাংলাদেশকে কে পায় সেদিন? সেই ম্যাচে আরও কিছু লক্ষণীয় বিষয় ছিল। বাংলাদেশ সেদিন স্কোর করেছিল ২৫১ অর্থাৎ ২+৫+১ = ৮। উইকেট হারিয়েছিল মোট ৮টি। সুতরাং ঘুরে ফিরে সবকিছুতেই ৮ সংখ্যার প্রভাব থাকায় বাংলাদেশ সেদিন ছিল রীতিমত অপ্রতিরোধ্য।
বাংলাদেশের আগের জয়গুলোতে ৮ সংখ্যার সামান্য দিকগুলো উল্লেখ করছি।
পাকিস্তানকে হারিয়েছিল ৬২ রানে। ৬২ মানে ৬+২ = ৮।
জিম্বাবুয়েকে হারিয়েছিল ৮ রানে।
অস্ট্রেলিয়াকে যেদিন হারায় ১৮.০৬.২০০৫ তারিখে, সেদিন ছিল শনিবার।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



