
আশি ও নব্বইয়ের দশকে জন্ম নেওয়া বিশাল এক প্রজন্মের শৈশব, কৈশোর আর বেড়ে ওঠার গল্পে জড়িয়ে আছেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। নব্বইয়ের দশকে ভারতীয় অ্যাকশন সিনেমার একচ্ছত্র আধিপত্যের বিপরীতে রোমান্টিক সিনেমার নতুন এক জগৎ তৈরি করেছিলেন তিনি। দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে, কুছ কুছ হোতা হ্যায়, মোহাব্বতে, কাল হো না হো—এমন অসংখ্য সিনেমা তাঁকে প্রতিষ্ঠিত করেছে 'কিং অব রোমান্স' হিসেবে।
শুধু বাণিজ্যিক সাফল্য নয়, স্বদেশ-এর মতো জীবনঘনিষ্ঠ সিনেমায় তাঁর অনবদ্য অভিনয়ও তাঁকে আলাদা উচ্চতায় নিয়ে গেছে। শুধু এই একটি ছবি কতবার দেখেছি তা হিসেবের বাইরে। অভিনয়ের পাশাপাশি অসাধারণ উপস্থাপনা, বাচনভঙ্গি, উপস্থিত বুদ্ধি, রসবোধ ও ব্যক্তিত্ব তাঁকে অনন্য করে তুলেছে।
আজ তাঁর ৬১তম জন্মদিন। আমার শৈশবের চাঁদরাতে ঈদের দিন ভুল ভলিয়মে কম্পিউটার বাজানো গান, টেলিভিশনে, ভিসিআর, ডিভিডি তার ছবি বা গান —কত স্মৃতি যে তাঁকে ঘিরে!
শাহরুখ খান বাংলাদেশে একবারই এসেছিলেন একটি স্টেজ শোতে ২০১০ সালে। তার পারিশ্রমিক অজানা থাকলে ও সম্পন্ন অনুষ্ঠানে খরচ হয়েছিল প্রায় ১০০ কোটি টাকার মতো। টিকিট না পেয়ে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনকেও নাকি মাটিতে বসে তাঁর অনুষ্ঠান উপভোগ করতে হয়েছিল!
আচ্ছা —শাহরুখ খানের প্রতি আমাদের এই ভালোবাসা কি নিছক ব্যক্তিগত পছন্দ ও নস্টালজিয়া, নাকি এর পেছনে কাজ করছে ভারতীয় সাংস্কৃতিক আধিপত্যের কোনো সূক্ষ্ম প্রভাব?
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



