somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সন্ত্রাসকে সমূলে উচ্ছেদে সদিচ্ছুকদের প্রতি ..

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৮:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সন্ত্রাসকে সমূলে উচ্ছেদে সদিচ্ছুকদের প্রতি ..
-------------------------------------------------------------------------
এখানে সন্ত্রাসকর্মীদের নৃশংস নাশকতা, যেমন, হঠাৎ ভিড়ের মধ্যে থেকে বেরিয়ে এসে অনির্দিষ্টভাবে কোনো গাড়িতে, কোনো বাড়িতে কিম্বা জন-মানবের কোনো অসতর্ক সমাবেশে প্রাণঘাতী ঝটিকা আক্রমণ,- কখনোই দলীয় সংঘর্ষের সহিংসতা হিসেবে বিবেচিত হ’তে পারে না।

প্রতিপক্ষ দলকে পাল্টা-আক্রমণ বা প্রতিঘাতের ঘটনাটি না-থাকলে, সেটা দলীয় সংঘর্ষের দলাদলি কোন্দল বা আন্দোলন হিসেবে গণ্য হ’তে পারে না।

সন্ত্রাসজীবীদেরকে দলজীবীরূপে দেখানোর চেষ্টা করাটা, নিঃসন্দেহে যা’ ঘৃণ্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নোংরা কূটকৌশল, -আত্মপ্রতারিতদের জন্যেই শোভনীয়।

দলীয় সংঘর্ষে প্রতিপক্ষ দলগুলোর মধ্যে যেমন পাল্টা-আক্রমণের দৃশ্যটি থাকে, তেমনিভাবে, সন্ত্রাসকর্মীরাও কোথাও যদি পাল্টা-আক্রমণের শিকারে পরিণত হ’তো, অর্থাৎ, জনসাধারণ কখনো যদি পাল্টা-আক্রমণে স্বেচ্ছাচারী সন্ত্রাসকর্মীগুলোকে ধ’রে ধ’রে আগুনে পুড়ে মারতো, তখন বলা যেত যে, সন্ত্রাসকর্মীরা জনসাধারণের সাথে সহিংস প্রাণঘাতী সংঘর্ষে মেতেছে।

দলীয়দের মধ্যে দলাদলি, কোন্দল বা দলো-আন্দোলনে সহিংস প্রাণঘাতী সংঘর্ষ হ’লে পরে সেখানে এমন ঘটনাই ঘটবে যে, কখনোই জনসাধারণ নয়, বরং যেকোনো সহিংস সংঘর্ষে আক্রোশের আগুনে প্রকাশ্যে জ্বলবে, পুড়বে, আঘাতে পঙ্গু হবে, মরবে কিম্বা বিজয়ীর পদক গলায় ঝুলিয়ে বেঁচে থাকবে বিবাদমান দলোগণ।

দলজীবী দলোগণের ঘরোয়া সমাবেশের আস্তানাগুলো জনগণের দৃষ্টির আড়ালে নয়। আত্মরক্ষার স্বার্থেই দলজীবীরা কখনোই জনসাধারণের ওপর প্রাণঘাতী আঘাত হেনে আত্মঘাতী হবার ঝুঁকি নিতে পারে না।

গণ-আন্দোলনের গণরোষের বিশালত্বের বিপক্ষে গুটিকতক সন্ত্রাসকর্মী তাদের নাশকতার সমস্ত আয়োজন সাথে নিয়েও এতোই তুচ্ছ যে, তারা কখনোই সহিংস সংঘর্ষে জনসাধারণের প্রতিপক্ষ হিসেবে গণ্য হ’তে পারে না। সুস্থ শৃঙ্খলিত সামাজিক পরিবেশে গণরোষের গণপিটুনির ভয়ে আতঙ্কিত সন্ত্রাসকর্মীগুলো, নির্লোভ নিরীহ প্রভূভক্ত কিছু প্রাণীর মতোই আশ্রয় পেয়ে পেয়ে সভ্য ভদ্রদের সঙ্গেই বেঁচে থাকে সমাজে।

এটা নিশ্চিত যে, দলোগণের মধ্যে সহিংস প্রাণঘাতী সংঘর্ষে একটি, দু’টো কিম্বা সবগুলো দলও যদি ধ্বংস হ’য়ে যায়, কিম্বা কখনো ভিন্ন-মতাবলম্বী দলোগণ সকলেই সমঝোতার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে সহ-অবস্থান করার মতো সভ্য হয়েছে দেখা গেলেও,- তাতে সন্ত্রাসজীবীদের কোনো লাভ বা ক্ষতি নেই। দলজীবীদের কোনোকিছুর সাথেই নিত্য-নতুন ধরণের সন্ত্রাসকর্মীদের নানাবিধ নাশকতার ঘনত্বে বেড়ে ওঠার বা তীব্রতায় হ্রাস পাওয়ার কোনোই সম্পর্ক নেই।

যেমন ঘরে তেমনি বাইরেও, আপনারা দেখে দেখে এসেছেন বুঝে নিয়ে আমরাও দৃঢ়বিশ্বাসে যেকোনো মুক্তাঙ্গনে প্রকাশ্যে বলতে পারি,- মানবসমাজে সভ্যদের মধ্যে পক্ষপাতদুষ্টতা বৃদ্ধির সম-হারে মানবজাতিতে সন্ত্রাসকর্মীরা সংখ্যায় বাড়ে।

রাষ্ট্রের বেতনজীবী শৃঙ্খলা এবং শান্তিরক্ষী কর্মী-বাহিনীকে যতই শক্তিশালী করা হোক্,- যতক্ষণ তারা সন্ত্রাসের সাথে জড়িতদেরকে দলীয় কর্মীদের মর্যাদা দিয়ে দিয়ে যাবে, ততক্ষণ সন্ত্রাসীদের বেশির ভাগটাই রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাবার সুযোগ পাবে, এমনকী যন্ত্রণা-দগ্ধ অত্যাচারিত তাদের অপদস্থ বিরক্ত অভিভাবকেরা তাদেরকে ধরিয়ে দিতে চাইলেও।

গণকরণিক : আখতার২৩৯ ##### ২৯/০১/২০১৫খ্রি:
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×