somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হতে যাচ্ছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ ।

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


দেবিদ্বারের রাজনীতির আকাশে এখন এক অদ্ভুত প্রশান্তি বিরাজ করছে, যেখানে যুদ্ধের দামামা বাজার আগেই বিজয়োল্লাসের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। আমাদের তরুণ তুর্কি হাসনাত আব্দুল্লাহর সামনে এখন এক দিগন্তজোড়া খোলা মাঠ, যেখানে গোলপোস্ট একদম ফাঁকা। রাজনীতির ইতিহাসে এমন 'ক্লিন সুইপ' সচরাচর দেখা যায় না। তবে এই যে একটি জনপদ প্রায় বিনা যুদ্ধেই একজন সেনাপতি পেতে যাচ্ছে, এর পেছনে যে নিয়তি এবং কিছু মহৎ হৃদয়ের অসামান্য ধারাবাহিক অবদান রয়েছে, তা কোনো টানটান উত্তেজনাপূর্ণ থ্রিলার সিনেমার স্ক্রিপ্টের চেয়ে কম নয়। সাধারণ মানুষ যেন এই গোলকধাঁধা বুঝতে পারে, তাই এই মহাকাব্যের প্রতিটি পাতা উল্টে দেখা প্রয়োজন।

ঘটনার মূল কাহিনি শুরু হয় যখন দেবিদ্বারের রাজনীতির বাঘা খেলোয়াড় মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী তার বহু বছরের অভিজ্ঞতার ঝুলি নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে নামেন। একজন পাকাপোক্ত রাজনীতিবিদ হিসেবে তার জনসমর্থন ছিল চোখে পড়ার মতো। দেবিদ্বারের মানুষ তাকে চিনত, জানত। তার ভোটব্যাংক ছিল মজবুত। নির্বাচনে তিনি হাসনাত আব্দুল্লাহর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারতেন, এতে কোনো সন্দেহ ছিল না। তার উপস্থিতি মানেই ছিল একটি কাঁটা, একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতা, একটি সম্ভাব্য পরাজয়ের আশঙ্কা। কিন্তু বিধি বাম! রাজনীতির দাবার বোর্ডে জনসমর্থন থাকলেও আইনি মারপ্যাঁচের কাছে অনেক সময় বাঘকেও নতি স্বীকার করতে হয়।

মুন্সী সাহেবের পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়াল সেই বহু পুরোনো এবং মোক্ষম অস্ত্র: 'ঋণখেলাপি'। হ্যাঁ, মুন্সী সাহেব একজন ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হলেন এবং এই তথ্যের ভিত্তিতেই তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলো। এখন সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে: ঋণখেলাপি হওয়া মানে কী এবং এটি এত বড় অপরাধ কেন? আসলে একজন ঋণখেলাপি হলেন সেই ব্যক্তি যিনি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে তা যথাসময়ে পরিশোধ করেননি। এটি শুধু একটি আর্থিক দায় নয়, এটি একটি নৈতিক ও আইনগত অপরাধও বটে। আমাদের দেশের আইন অনুযায়ী একজন ঋণখেলাপি ব্যক্তি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না। এই বিধান রাখা হয়েছে একটি পবিত্র উদ্দেশ্যে—যেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান সংসদে এমন কোনো ব্যক্তি না ঢুকতে পারেন যিনি নিজেই আর্থিক দায়িত্ব এড়িয়ে গেছেন।

এখন ভাবুন তো, একজন ঋণখেলাপি ব্যক্তি যদি সংসদে গিয়ে বসেন, তাহলে তিনি কীভাবে দেশের বাজেট নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন? যে মানুষ ব্যাংকের টাকা ফেরত দেয়নি, সেই মানুষ কীভাবে জনগণের ট্যাক্সের টাকার হিসাব রাখবেন? তাই মুন্সী সাহেবের মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়াটা আসলে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ ছিল। এটি আইনের শাসনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। একজন বড় মাপের ঋণখেলাপিকে নির্বাচনী মাঠ থেকে সরিয়ে দিয়ে পবিত্র সংসদকে যে কলঙ্কমুক্ত করা হলো, তার জন্য নির্বাচন কমিশন এবং প্রশাসনকে সাধুবাদ না দিলে কার্পণ্য করা হবে। দেশের আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এই ধরনের কঠোর পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি। মুন্সী সাহেব হয়তো একজন জনপ্রিয় নেতা ছিলেন, কিন্তু জনপ্রিয়তা কখনোই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।

মুন্সী সাহেব মাঠ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর দেবিদ্বারের রাজনৈতিক মানচিত্রটা একবার কল্পনা করুন। যেখানে আগে ছিল দুই বিগ শটের লড়াই, সেখানে এখন রয়ে গেল শুধু একজন মহারথী। হাসনাত আব্দুল্লাহর বিজয় রথ থামানোর মতো কোনো 'হেভিওয়েট' বা ওজনদার প্রার্থী আর অবশিষ্ট নেই। মাঠের অন্য সব প্রার্থী যেন ছোটখাটো ঘাসফড়িং, যারা মহীরুহের ছায়ায় ঢাকা পড়ে গেছে। যখন কোনো প্রতিপক্ষই আর সমানে সমান লড়ার শক্তি রাখে না, তখন লড়াইটা আর লড়াই থাকে না, তা হয়ে দাঁড়ায় স্রেফ একটি রাজকীয় অভিষেক। নির্বাচনী ময়দানে এখন যারা আছেন, তারা হয়তো ভালো মানুষ, সৎ নাগরিক, কিন্তু তাদের রাজনৈতিক ওজন, জনসমর্থন এবং দলীয় শক্তি হাসনাতের তুলনায় একেবারেই নগণ্য।

দেবিদ্বারের মানুষ এখন অনেকটা দর্শক গ্যালারিতে বসে থাকা সেই জনগণের মতো, যারা জানে তাদের দলের স্ট্রাইকার এখন একা বল নিয়ে গোলপোস্টের দিকে এগোচ্ছেন এবং গোলরক্ষক মাঠে নেই। এই যে নির্বাচনী উত্তাপ ছাড়াই একজন এমপি পাওয়ার আনন্দ, এর স্বাদই আলাদা। গণতন্ত্রের এই নতুন সংস্করণে যেখানে নির্বাচনের আগেই বিজয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়, সেখানে জনশক্তির চেয়ে আইনি ও প্রশাসনিক বুদ্ধিমত্তার শ্রেষ্ঠত্বই বেশি প্রকাশ পায়। কেউ কেউ হয়তো বলবেন এটি প্রতিযোগিতাহীন নির্বাচন, কিন্তু আইনের দৃষ্টিতে এটি একটি পরিচ্ছন্ন এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়া, যেখানে অযোগ্যদের বাদ দেওয়া হয়েছে এবং যোগ্যরা এগিয়ে গেছে।

এই পুরো সাজানো মঞ্চের নেপথ্যে যারা কলকাঠি নেড়েছেন, তাদের মধ্যে বিশেষভাবে ধন্যবাদ পাওয়ার দাবিদার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। তার বিচারিক প্রজ্ঞা ও নিখুঁত টাইমিংয়ের তারিফ না করে উপায় নেই। গত ১২ জানুয়ারি তিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য বাছাই কমিটির প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন। এটি ছিল তার প্রথম বড় দায়িত্ব। এর মাত্র দুই দিন পর, ১৪ জানুয়ারি এসে তিনি চেম্বার জজ হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলেন। হাইকোর্ট যে আদেশে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বৈধ করেছিল, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব সেই আদেশটি স্থগিত করে দিলেন। এই একটি সিদ্ধান্তই দেবিদ্বারের রাজনৈতিক সমীকরণ পাল্টে দিল।

কিন্তু গল্প এখানেই শেষ নয়। মুন্সী সাহেবের ভাগ্য যখন আদালতের দোলাচলে ঝুলছিল, তখন গত সোমবার তিনি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিট আবেদন করলেন। মঙ্গলবার শুরু হলো শুনানি। সবাই ভাবল হয়তো এবার মুন্সী সাহেব ফিরে আসবেন, হয়তো ন্যায়বিচার পাবেন। কিন্তু ঠিক তখনই মঞ্চে এলো 'নিরাপত্তার অভাব' নামক এক ধ্রুপদী অজুহাত। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে শুনানিটি হঠাৎ করেই বুধবার পর্যন্ত স্থগিত করা হলো। এই যে নিরাপত্তার অভাব বোধ করা, এটি কত বড় এক দূরদর্শী চাল ছিল তা আমরা পরের দিনই বুঝতে পারলাম। বুধবার সকালে মুন্সী সাহেবের রিট চূড়ান্তভাবে খারিজ হলো এবং তার ঠিক কয়েক ঘণ্টা পরেই, একই দিনে, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেলেন।

মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে দুটি বিশাল রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পাওয়া এবং ঠিক সেই সময়ের ব্যবধানেই একজন শক্তিশালী রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে চিরস্থায়ীভাবে মাঠছাড়া করার যে অলৌকিক সমন্বয় তিনি ঘটিয়েছেন, তা গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে থাকার মতো। ১২ তারিখে প্রথম নিয়োগ, ১৪ তারিখে মুন্সীর আদেশ স্থগিত, এবং বুধবার রিট খারিজের সাথে সাথেই দ্বিতীয় বড় পদে নিয়োগ—এই ধরনের 'কাকতালীয়' সমাপতন সত্যিই বিরল। তার এই সাফল্য আমাদের বিচার বিভাগের দক্ষতা এবং গতিশীলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব যে শুধু আইন মেনে চলেছেন তাই নয়, তিনি এমনভাবে আইন প্রয়োগ করেছেন যা একসাথে একজন ঋণখেলাপিকে থামিয়েছে এবং দেশের বিচার ব্যবস্থায় নতুন উচ্চতা এনে দিয়েছে। এই অসামান্য কর্মকুশলতার জন্য তাকে আমাদের পক্ষ থেকে একটি বিশাল 'থ্যাংক ইউ' জানানো একান্ত কর্তব্য।

তবে এই সাফল্যের পেছনের মূল কারিগর বা অদৃশ্য পরিচালকের কথা না বললে এই ব্লগটি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। পরোক্ষভাবে একটি বিশাল 'থ্যাংক ইউ' পাওনা বর্তমান আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের। একজন খ্যাতিমান আইনজীবী এবং শিক্ষাবিদ হিসেবে তার সুনাম দেশজুড়ে। আইন মন্ত্রণালয়ের দক্ষ চালনায় যেভাবে সবকিছু বিদ্যুৎ গতিতে কাজ করছে, তা সত্যিই বিস্ময়কর। মুন্সী সাহেবের আইনি বাধাগুলো যখন একের পর এক কংক্রিটের দেয়ালের মতো দাঁড়িয়ে যাচ্ছিল, আর অন্যদিকে বিচারপতির জন্য নতুন নতুন পদের প্রজ্ঞাপনগুলো তৈরি হচ্ছিল, তখন আইন মন্ত্রণালয়ের এই কর্মতৎপরতা সত্যিই চোখে পড়ার মতো ছিল।

একজন আইন উপদেষ্টার কাজ শুধু আইন তৈরি করা নয়, বরং আইন যেন সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় প্রয়োগ হয়, সেই নিশ্চয়তা বিধান করাও তার দায়িত্বের অংশ। আসিফ নজরুল হয়তো পর্দার আড়ালে থেকেই নিশ্চিত করেছেন যে—আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে, তবে সেই গতি যেন সুশৃঙ্খল এবং সুসংগত হয়। একদিকে ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, অন্যদিকে যোগ্য বিচারকদের যথাযথ পদে নিয়োগ—এই দুইয়ের সমন্বয় সাধন করা সহজ কাজ নয়। কিন্তু আসিফ নজরুলের নেতৃত্বে আইন মন্ত্রণালয় এই দুই কাজই একসাথে করে দেখিয়ে দিয়েছে যে, দক্ষতা এবং সমন্বয়ের সাথে কাজ করলে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। তার এই পরোক্ষ কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকার জন্য তাকে আমাদের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাতেই হয়। এমন চমৎকার সমন্বয় ও দূরদর্শী পরিকল্পনা কেবল একজন ঝানু আইন বিশেষজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ প্রশাসকের পক্ষেই সম্ভব।

দেবিদ্বার এখন এক নতুন ভোরের অপেক্ষায়, যেখানে কোনো নির্বাচনী প্রচারণার ক্লান্তি নেই, নেই কোনো পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। মুন্সী সাহেবদের মতো ঋণখেলাপিরা যখন মাঠ থেকে বিদায় নেন এবং ফারাহ মাহবুবদের মতো প্রাজ্ঞ ব্যক্তিরা একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পদায়নে আসীন হন, তখন গণতন্ত্র যে কতটা 'সুসংহত' এবং 'সুসংগঠিত' হতে পারে, তা আমরা হাড়ের হাড়ে টের পাচ্ছি। সবকিছু যখন এত সুন্দরভাবে 'সেট' করা থাকে, তখন ভোটারদের আর কষ্ট করে রোদে পুড়ে লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন কী? হাসনাত আব্দুল্লাহ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হতে যাচ্ছেন: এটি কেবল একটি সংবাদ নয়, এটি আমাদের বর্তমান ব্যবস্থার এক নিখুঁত 'ইঞ্জিনিয়ারিং' শিল্পকর্ম।

মুন্সী সাহেব হয়তো এখন জায়নামাজে বসে উপরওয়ালাকে ডাকছেন, ন্যায়বিচারের জন্য প্রার্থনা করছেন। কিন্তু ক্ষমতার করিডোরে যখন একবার চাল দেওয়া হয়ে যায়, যখন আইন এবং বিচার বিভাগ এক সুরে বাজতে শুরু করে, তখন ওপরওয়ালার বিচার দেখার জন্য অনন্তকাল অপেক্ষা করতে হয়। আপাতত দেবিদ্বারের রাজপথে লাল গালিচা বিছানো হোক হাসনাতের জন্য, আর আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হোক সেই সব অদৃশ্য কুশীলবদের, যারা এই অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছেন। গণতন্ত্রের এই নতুন সংস্করণে আমরা শিখলাম যে, নির্বাচন জেতার জন্য শুধু জনসমর্থন নয়, আইনি বুদ্ধিমত্তা এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তও সমান গুরুত্বপূর্ণ। দেবিদ্বারের ইতিহাসে এই অধ্যায়টি হয়তো স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে: কীভাবে বিনা রক্তপাতে, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একটি আসন জয় করা যায়, তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে।

সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:১৫
৮টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০২৬ সংসদ নির্বাচন: যেভাবে ভাগ হতে পারে ৩০০ আসন

লিখেছেন নতুন নকিব, ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৫৮

২০২৬ সংসদ নির্বাচন: যেভাবে ভাগ হতে পারে ৩০০ আসন

ছবি সংগৃহিত।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এক অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে। দীর্ঘ এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডোগন ও সিরিয়াস নক্ষত্রমন্ডলী

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৩


ধূসর সাহারা মরুভূমির পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত একটি দেশ নাইজার। নাইজারের দক্ষিণে মালি নামক এক মালভূমিতে বাস করে ডোগন (Dogon) নামক এক জাতিগোষ্ঠী। বহুকাল আগে থেকেই স্থাপত্য আর ভাস্কর্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

পবিত্র কোরআনুল কারীম এর তেলাওয়াত ১

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২৮


অশান্ত মনে প্রশান্তি আনতে পবিত্র কোরআনুল কারীম এর তেলাওয়াত শুনুন অথবা পড়ুন। যখন আপনার মন অশান্ত থাকবে তখন তেলাওয়াত শুনন; অবশ্যই ভালো লাগবে। মন শান্ত হবে। মনে এক ঐশরীক... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হতে যাচ্ছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:১১


দেবিদ্বারের রাজনীতির আকাশে এখন এক অদ্ভুত প্রশান্তি বিরাজ করছে, যেখানে যুদ্ধের দামামা বাজার আগেই বিজয়োল্লাসের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। আমাদের তরুণ তুর্কি হাসনাত আব্দুল্লাহর সামনে এখন এক দিগন্তজোড়া খোলা... ...বাকিটুকু পড়ুন

১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : বাংলাদেশের নির্বাচনী ভাগ্যলিপি (একটি রূপক ভবিষ্যৎবাণী)

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৩৯


এটি কোনো বাস্তব পূর্বাভাস, জরিপ বা রাজনৈতিক অবস্থান নয়; বরং সময়, জনমানস ও
রাষ্ট্রের সম্ভাব্য গতিপথ নিয়ে একটি আলঙ্কারিক ভাবনা।

সময়ের পাণ্ডুলিপিতে লেখা
১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নির্বাচন
সেদিন সূর্য উঠবে কুয়াশা ভেদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×