বারডেম সহ সকল ডাক্তারদের উচিত নন কমিউনিকেবল ডিজিজ গুলো বেশি বেশি ঔষধ দিয়ে, ছয় বেলার জায়গায় দরকার হলে আরো কয়য়েক বেলা মুড়ি, বিস্কুট, খই এর সাথে আরো কিছু যোগ করে, ডিমের কুসুমের সাথে সাথে সাদা অংশটাও যদি ফেলে বা আরো কিছু করে রোগীদের তাড়াতারি ভালো করা।
খবরদার আর যেন কোন রোগীরা শেষ আশ্রয়স্থল হিসাবে ডাঃ জাহাঙ্গীর কবির স্যারের কাছে না যেতে পারেন।
আমি চাই ডাঃ জাহাঙ্গীর কবির স্যারের কু-পরামর্শে যাবার আগে আমাদের সকল মাননীয় বিশেষঅজ্ঞ ডাক্তাররা যেন সবাইকে সু-পরামর্শ দেন। নিজের রোগীদের দায়িত্ব নিজেরা নেন।
কেন আপনাদের বাধ্যগত রোগীরা জেকে লাইফ স্টাইলে গিয়ে জীবনে সুখের ছোয়া পাবে???
কেন রোগীরা, রোগী পরিচয় ছেড়ে নিজেদের পরিচয়ে পরিচিত হবে???
কেন রোগীরা সাদা লবন ছেড়ে, পিংক সল্ট খাবে???
কেন প্রসেস ছেড়ে ন্যাচারাল খাবার খাবে???
কোটি কোটি মলের জীবানু, ক্যানসারের উপাদান যুক্ত, অতিরিক্ত চিনি, প্রক্রিয়াজাত খাবার, ট্রান্স ফ্যাট, পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট খেয়ে কি সুন্দর ইনফ্লামেশন হচ্ছিলো..!
৬০-৭০টা রোগের জন্ম যে আইআর নামে চারাগাছ থেকে সেটা থেকে কি সুন্দর নানান নন কমিউনিকেবল ডিজিজ গুলো হচ্ছিলো...!
এগুলোর রুট কছগুলো সবাইকে কোন দুঃখ্খে শিখাচ্ছে...!
সাবাই কেন নিজে নিজে এআই দিয়ে, নেট ঘেটে সব সত্যতা পাচ্ছে...!
কেন সবাই ডাঃ জাহাঙ্গীর কবির স্যারের কথা মানা শুরু করলেই ভালো ফল পাচ্ছে...!
কেন বাপ-দাদারা যা করছে, যে ভাবে চলছে সে ভাবেই আমরা চললে কেন ভালো থাকবো।
আমাদের প্রসেস ফুড,কোমল পানীয়, চকলেট, পেস্ট্রি এবং মিষ্টিজাতীয় খাবার,ফাস্টফুড, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস এবং চিপস,ট্রান্স ফ্যাট,ভাজা-পোড়া খাবার ও ডালডা দিয়ে তৈরি খাবার , সাদা ময়দা, সাদা পাউরুটি এবং সাদা ভাত ,প্রক্রিয়াজাত মাংস-সসেজ, হট ডগ এবং ক্যানড ফুড খেয়ে খেয়ে কি সুন্দর আমরা মেদ ভুড়ি কি করি বানাচ্ছিলাম। এগুলো ছাড়া আমরা কি করে, কেমনে কি করবো…???
মা-খালারা, বাবা-চাচারা চেয়ার ছেড়ে সিজদা দিয়ে নামাজ পরতাছে। কেমনে কেমনে বছরের পর বছর ১০-১২টা ঔষুধ নিয়মে চলে হাতে ধরে রাখা সত্যেও খেতে পারছেনা।
এগুলো আমাকে তুমরাই বলো... ফেন্স,,,,
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


