এক দশক আগে যেভাবে লেখক হুমায়ুন আজাদের ওপর হামলা হয়েছিল, বইমেলার বাইরে সেই কায়দায় হামলায় হত্যা করা হয়েছে সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী লেখক অভিজিৎ রায়কে।
মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের সঙ্গে বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় হামলায় আহত হয়েছেন তার স্ত্রী ব্লগার রাফিদা আহমেদ বন্যাও।
ড. অভিজিৎ রায়ের প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে অবিশ্বাসের দর্শন, ‘আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী’, ‘মহাবিশ্বে প্রাণ ও বুদ্ধিমত্তার খোঁজে’, ‘ভালবাসা কারে কয়’, স্বতন্ত্র ভাবনা : মুক্তচিন্তা ও বুদ্ধির মুক্তি, সমকামিতা : বৈজ্ঞানিক এবং সমাজ-মনস্তাত্ত্বিক অনুসন্ধান।
যুক্তির জবাব যারা দেয় হত্যা করে তাদেরকে ভয় করে চলি আমি। বেশীরভাগ মানুষই এমন ডরপোক। কিন্তু কেউ কেউ এভাবে পতিতের মত বেঁচে থাকাকে অস্বীকার করেই বাঁচে। চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় – দ্যাখ আই ডু নট কাউন্ট ইউ!
অভিজিৎ রায় মাথা নিচু করে, ভীতুর মত, পরাজিতের মত বেঁচে থাকা প্রত্যাখ্যান করলেন। তিনি বেঁচে রইলেন মাথা উঁচু করে, সকল মৌলবাদী অপশক্তিকে লাথি মেরে!
বেঁচে থাকবেন অভিজিৎ – আপনার জন্য কাঁদবো না, আপনাকে নিয়ে গর্ব করবো আমরা।
চিরকুট পরিবারের পক্ষ থেকে অভিজিৎ রায়ের হত্যাকারীদের চূড়ান্ত বিচার চাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


