ইরান থেকে এক প্রবাসী ভাইয়ের আকুতি! প্লিজ লেখাটি শেয়ার/কপি করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনুন!
ইরানে প্রবাসীদের জেলখানায় মানবেতর জীবন যাপন,নেই বাংলাদেশ দূতাবাসের কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ!
ইরানে জেলখানা ডিপোর্টসেন্টার ভারামিনে তিন শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি প্রায় চার মাস যাবৎ মানবেতর জীবন যাপন করছে,ইরানের ইমিগ্রেশন পুলিশ "বাংলাদেশ দূতাবাসে" জানানোর পরেও দূতাবাসের দায়িত্বরত কর্মকর্তাগণের কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় ইরানের জেলে প্রবাসী বাঙালীদেরকে প্রচন্ড দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
জেলখানায় তাদের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সংকটসহ নানামুখী সমস্যায় অনেকই ক্রমাগত অসুস্থ্য হয়ে যাচ্ছেন । দূতাবাসের অবহেলার কারণেই প্রায় চার মাস পরে গত ৫/৫/২০১৮ ইং তারিখে মাত্র বিশজনকে দেশে পাঠানো হয়েছে!
বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মরত কর্মকর্তারা প্রবাসীদের দেশে পাঠানোর জন্য তাদের কাছে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়েছেন!
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইরান প্রবাসী ঐ লোক আরো জানিয়েছেন,
প্রতিজনের কাছে মাথা পিছু দশ হাজার করে তিন'শ জনের কাছ থেকে ত্রিশ লক্ষ টাকা জোর পূর্বক হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেন বাংলাদেশ দূতাবাসে কর্মরত এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে!
পরে বিষয়টা বিভিন্ন মাধ্যমে জানাজানি হলে সেই কর্মকর্তা তোপের মুখে তেহরানের "ইমাম খোমেনি বিবানবন্দরে" গ্রহণকৃত অতিরিক্ত টাকা ২০ জন প্রবাসীকে ২ লক্ষ টাকা ফেরৎ দিতে বাধ্য হোন।
টাকা ফেরৎ দেওয়ার সময় বাংলাদেশ ইরান দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর সবুর হোসেন,দূতাবাসের কাউন্সিলরের সহকারী গোলাম রব্বানী,দূতাবাসে কর্মরত আবু তাহেরসহ সকলের উপস্থিতিতে ২০ জনের কাছে নেওয়া দুই লক্ষ টাকা ফেরৎ দেওয়া হয়।
বর্তমানে আরো প্রায় দুই থেকে তিন শত প্রবাসী দূতাবাস থেকে দূতাবাসের নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে ট্রাভেল পারমিট নিলেও তাদের ব্যাপারে তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাস যেনো একে বারেই নিশ্চুপ!
এসব প্রবাসীদের দেশে ফেরৎ পাঠাতে নেই কোনো কার্যকরী পদক্ষেপও । ইরান প্রবাসীর অভিযোগ, ইরানের সাথে বাংলাদেশের তেমন কোনো ব্যবসা বাণিজ্যের সম্পর্কও নেই,আবার কুটনৈতিকভাবেও বাংলাদেশ ইরানের সম্পর্কের তেমন নজির চোখে পড়ে না!
ইরান প্রবাসীদের দাবী, প্রতি মাসে তেহরানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের পিছনে সরকার প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করেন অথচ যাদের জন্য খরচ করেন সেই প্রবাসীদের বিপদের সময় দূতাবাসের লোকদের তেমন একটা সাহায্য সহযোগিতা পাওয়া যায়না! আবার প্রবাসীদের সাথে খারাপ আচরণ করেন দূতাবাসে কর্মরতরা!
২০১২ সালের শেষের দিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে তেহরানের সাথে ঢাকার একটি বিমান চলাচলের ব্যবস্থা করেছিলেন ইরানের ততকালীন রাষ্ট্রপতি আহমেদিনিজাদ এর সাথে।
ইরান প্রবাসীদের ধারণা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে বর্তমানে বাংলাদেশ ইরানের মধ্যে যে বিমানটি চলাচল করে দূতাবাসের অবহেলায় আর অসহযোগিতায় সেই বিমানটিও বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে!
বাংলাদেশের যথাযথ ককর্তৃপক্ষের কাছে করজোড়ে অনুরোধ করেছেন ইরান প্রবাসীরা,যেনো তাদেরকে দূতাবাস থেকে সহযোগিতা করে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

