somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মানবজমিন উপন্যাসের কুইক রিক্যাপ

১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



মল্লিনাথ ছিলেন সারাজীবন অকৃতদার সুপুরুষ। ব্যক্তিজীবনে ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার। প্রচুর টাকা পয়সা করেছিলেন। জমি-জায়গা করেছিলেন, বাড়ি করেছিলেন।

তিনি তার সম্পদ গড়ে তুলেছিলেন কলকাতা থেকে খানিকটা দূরে রতনপুর গ্রামে।

চার ভাইয়ের মধ্যে মল্লিনাথ ছিলেন বড়।

বাকি তিন ভাই শ্রীনাথ, দীপনাথ, সোমনাথ। তাদের একমাত্র বোনের নাম বিলু।

মেজোভাই শ্রীনাথ একসময় তার পরিবারসহ বড় ভাইয়ের কাছে রতনপুরে এসে থাকতে শুরু করেন। রতনপুর থেকে তিনি কলকাতায় যেয়ে চাকরি করতেন।

শ্রীনাথের স্ত্রী তৃষা ছিলেন স্মার্ট ও ঋজু দেহের সুন্দরী। শ্রীনাথ স্ত্রী তৃষাকে রতনপুরে রেখেই চাকরির জন্য বাইরে চলে যেতেন।

তৃষা তার স্বামীর বড় ভাই মল্লিনাথের যাবতীয় দেখভাল করতেন। একসময় মল্লিনাথ ও তৃষা পরষ্পরের প্রতি আকৃষ্ট হয় ও সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে বলে গুঞ্জন রয়েছে। মল্লিনাথের প্রতি তৃষার মুগ্ধতা তৃষা বিভিন্ন সময় ব্যক্তও করেছেন।

শ্রীনাথ-তৃষা দম্পতির তিন মেয়ে, এক ছেলে। ছেলে সজল সবার ছোট। সজলের চেহারা ও আকৃতি দেখে মনে হয় সে শ্রীনাথের নয়, বরং মল্লিনাথের ছেলে।

মল্লিনাথ মারা যাওয়ার আগে তার সব সম্পত্তি তৃষাকে লিখে দিয়ে যায়।

এতে সবচেয়ে বেশি রুষ্ট হয় সোমনাথ ও তার স্ত্রী। তারা নিয়মিত এই সম্পত্তির অংশ দাবি করে থাকে।

কিন্তু তৃষা খুবই শক্ত-পোক্ত নারী। মল্লিনাথের এই বিশাল সম্পত্তি সে দেখভাল করে। এই সম্পত্তির ধারেকাছে কাউকে ঘেষতে দেয় না। রতনপুরের সবাই তাকে সমীহ করে চলে। তার শত্রুও কিছু আছে। কিন্তু তারা তৃষাকে ছুঁতে পারে না।

তৃষা সোমনাথ ও তার বউকে সম্পত্তি থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে সমর্থ হয়।

.

বর্তমানে শ্রীনাথের সাথে তৃষার সম্পর্ক খারাপ, বা বলা যায় খুবই ঠাণ্ডা সম্পর্ক। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় দুটো কারণে সম্পর্কের অবনতি হয়েছে।

এক নম্বর কারণ হলো, তৃষার সাথে মল্লিনাথের সম্পর্কের ইতিহাস। ঐ অবৈধ সম্পর্কের কারণে শ্রীনাথ-তৃষার সম্পর্ক স্বাভাবিক হচ্ছে না।

দুই নম্বর কারণ হলো, তৃষা মল্লিনাথের সম্পদ ঠেকাতে কাউকে তোয়াক্কা করে না। এ ব্যাপারে তৃষা প্রয়োজনে অনেক নিষ্ঠুর ও হতে পারে। সম্পদের জন্য তৃষার এই রুপ শ্রীনাথের ভালো লাগে না।

শ্রীনাথ তার নিজের মত করে মূল বাড়ির বাইরে একটি ঘর, যার নাম ভাবন-ঘর, সেখানে থাকে। এঘরে বসে মল্লিনাথ ভাবনা চিন্তা করতো, তা থেকেই এই নামের উৎপত্তি।

শ্রীনাথ গাছপালা ভালবাসে। সে এখানে বাগান করে। আর স্বপ্ন দেখে দূরে কোথাও জমি কিনে সেখানে যেয়ে থাকবে, আর জমিতে ফসল ফলাবে। এভাবেই দিনাতিপাত করবে।

কিন্তু তৃষার বলয় থেকে কারো বের হওয়া খুব কঠিন!

.

এই বইয়ের সবচেয়ে আকর্ষণীয় চরিত্র দীপনাথ। সে শিক্ষিত, সুদর্শন, ত্রিশোর্ধ অবিবাহিত পুরুষ। দুনিয়ার বৈষয়িক লোভ তার নেই বললেই চলে।

তার একমাত্র দূর্বলতা পাহাড়। আরো নির্দিষ্ট করে বললে হিমালয়। তার স্বপ্ন একদিন সে সব ছেড়েছুড়ে পাহাড়ে চলে যাবে। পাহাড়ের বুকেই নিবে শেষ আশ্রয়।

বর্তমানে সে বড় এক কোম্পানির এক বড় এক্সিকিউটিভ মিস্টার বোস সাহেবের এসিসট্যান্ট। বোস সাহেবের ছায়াসঙ্গীও বলা যায়।

অফিস থেকে ব্যক্তিগত কাজ, বোস সাহেবের পার্টি, ট্যুর সবখানেই আছে দীপনাথ। দীপনাথ নিজের স্ট্যাটাস সম্পর্কে সচেতন। সে জানে, সে বোস সাহেবের প্রায় চাকরের সমতুল্য। কিন্তু এতে তার কোন সমস্যা নেই।

সমস্যা মিসেস বোস মনিদীপার। মনিদীপা সবসময় দীপনাথকে মেরুদণ্ডহীন প্রাণী ও এ জাতীয় বিভিন্ন বিশেষণ ব্যবহার সহযোগে দীপনাথকে হীন করতে চায়। দীপনাথকে বোস সাহেবের বিপরীতে রাগিয়ে দিতে চায়।

মনিদীপার এহেন আক্রমণ দীপনাথ ট্যাকেল করে খুব সুন্দরভাবে। মনিদীপা ও দীপনাথের আলাপ এ বইয়ের অন্যতম এক আকর্ষণীয় দিক বলে আমার মনে হয়েছে।

বুঝতেই পারছেন, মনিদীপার সাথে বোস সাহেবের সম্পর্ক ভালো নয়। বোস সাহেব হাই সোসাইটির লোক। অনেক টাকা মাইনে পান।

মনিদীপা বিয়ের আগে কমিউনিস্ট রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো। মনিদীপার যত ঘৃণা পুঁজিবাদি এই সমাজ ও বুর্জোয়াদের প্রতি।

তার জীবনের বড় এক উদ্দেশ্য পুঁজিবাদি সোসাইটির রাঘব বোয়াল বোস সাহেবকে ছিবড়ে করে ফেলা। বোস সাহেবের টাকা সে দুই হাত দিয়ে খরচ করে। বোস সাহেব তার প্রতি বিরক্ত। কিন্তু সে ভদ্রলোক। সে তার স্ত্রীর সাথে খারাপ ব্যবহার করে না। বউয়ের সাথে খারাপ ব্যবহার করা সোসাইটিতে সে বিলং ই করে না।

বোস সাহেব চায়, মনিদীপা চাইলে তাকে ডিভোর্স দিয়ে চলে যেতে পারে। কিন্তু সে ডিভোর্স দিয়ে তার বউকে ঘর থেকে বের করে দিবে এমন লেভেলের লোক সে না। তার লেভেল আরো অনেক উপরে।

এই সুযোগে স্বামীর সাথে খারাপ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও মনিদীপা তার স্বামীর টাকা দেদারছে খরচ করে যাচ্ছে।

আবার মনিদীপার ইগো খুব স্ট্রং। সে কারো কাছে নত করতে বোঝে না। টাকা খরচের বেলায়ও সে বোস সাহেবের টাকাই খরচ করতে চায়। আর কারো নয়।

মনিদীপার একমাত্র মুগ্ধতার জায়গা কমিউনিস্ট লাইনের তার সাবেক নেতা স্নিগ্ধদেব। স্নিগ্ধদেবের পরামর্শেই সে তার জীবন পরিচালনা করে। এক পর্যায়ে বোঝা যায়, মিস্টার বোসের কাছ থেকে নেওয়া টাকা মনিদীপা স্নিগ্ধদেবের মাধ্যমে তার পলিটিকাল পার্টিকেই দিয়েছে। অর্থাৎ স্নিগ্ধদেবকেই দিয়েছে।

কমিউনিস্ট নেতা স্নিগ্ধদেব একসময় ক্যাপিটালিস্টদের তীর্থভূমি আমেরিকায় স্কলারশিপ নিয়ে পাড়ি জমায়। দলের সদস্যদের সে বলে ক্যাপিটালিস্টদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ সে আমেরিকায় বসেই যুদ্ধ করবে!

স্নিগ্ধদেব আমেরিকায় যাওয়াতে মনিদীপা মরালি ডাউন হয়ে যায়। তার নিজের ইগো আঘাতপ্রাপ্ত হয়, বিশ্বাস ভেঙ্গে যায়।

এদিকে বোস সাহেব অন্য কোম্পানি থেকে আরো ভালো পজিশনের চাকরির অফার পেয়ে কলকাতা থেকে দূরের আরেক শহরে চলে যাবে মর্মে আলোচনা শুরু হয়। সেক্ষেত্রে মনিদীপা তার সাথে যাবে না, এবং তাদের সেপারেশন হয়ে যাবে, এমন অবস্থা তৈরী হয়।

এই অবস্থায় দীপনাথ আস্তে আস্তে যেন মনিদীপার দিকে ঝুঁকে যায়, মনিদীপার জন্য সে তার ভালবাসা টের পায়। মনিদীপা নিজেও টের পায় সে দীপনাথকে ভালবাসতে শুরু করেছে।

এবং এ ব্যাপারটি গোপন থাকে না। কর্পোরেট পাড়ায় মিসেস বোস ও দীপনাথের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। কিন্তু দীপনাথ চায় বোস সাহেবের সংসার যেন ভেঙ্গে না যায়। এ জন্য সে নানা চেষ্টা তদবীর করে। অথচ তাদের ভালবাসার বিষয়টি বোস সাহেবের সামনেই মনিদীপা ও দীপনাথের খোলখুলিভাবে আলোচনা হয়। বোস সাহেব বলে দীপনাথ ইচ্ছা করলে তার বউকে বিয়েও করতে পারে।

অবশ্য এর আগেই বোস সাহেবের অন্য বড় কোম্পানির যে অফার সেটা বোস সাহেব রিজেক্ট করে এবং বর্তমান কোম্পানিতে তার আরো এক প্রমোশন হয়। এই সুযোগে বোস সাহেব দীপনাথের চাকরি বর্তমান কম্পানিতেই সহকারি ম্যানেজার হিসেবে স্থায়ী করে।

বোস সাহেবের কলকাতা ছাড়া নিয়ে যখন আলোচনা হচ্ছিল, তখন দীপনাথের সাথে এক আলোচনায় বোস সাহেব নিজেকে মেলে ধরে, এবং বোস সাহেব দীপনাথকে তার বন্ধু হিসাবে স্বীকার করে। অর্থাৎ দীপনাথের সততা, যোগ্যতা তাকে চাকর থেকে বোস সাহেবের সমগোত্রীয় বন্ধুতে পরিণত করে।

বোস সাহেব কলকাতায় থেকে যান। মনিদীপার সাথে তার সম্পর্ক খানিকটা স্বাভাবিক হতে থাকে। দীপনাথের দেওয়া পরামর্শেই বোস সাহেব মনিদীপার খরচের হাতকে আটকাতে সমর্থ্য হতে থাকে।

.

এই বইয়ের আরেকদিকের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র বিলু (দীপনাথের ছোট বোন) ও তার অসুস্থ স্বামী প্রীতম। প্রীতমের বাড়ি জলপাইগুড়ি। পড়াশুনার স্বার্থে সে কলকাতায় এসেছিলো। পড়াশুনা শেষে সে বিলুকে বিয়ে করে কলকাতায়ই ঘর বেধেছে।

এখানে উল্লেখ্য, ছোটবেলায় দীপনাথ জলপাইগুড়িতে তার পিসিবাড়িতে থাকতো। তখন থেকেই দীপনাথের প্রীতমের সাথে পরিচয়। দীপনাথ প্রীতমকে প্রচণ্ড ভালবাসে।

অল্প বয়সের প্রীতম এখন এক দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত। নিজে চলাফেরা করতে পারে না বললেই চলে। কিন্তু সে শিক্ষিত এবং ব্রিলিয়ান্ট। মনের জোরেই সে টিকে আছে বলা যায়।

প্রীতম চাকরি করে যে টাকা জমিয়েছে তা দিয়েই বিলু-প্রীতমের সংসার চলে। ভালোই চলে। বিলু সারাদিন তার অসুস্থ স্বামী আর তার একমাত্র মেয়ে লাবুকে দেখাশুনা করে।

বিলুর ছোটবেলার এক বন্ধু আছে। নাম অরুণ। হেভি ড্যাশিং, স্মার্ট ও ধনীর ছেলে। ছোটবেলা থেকেই অরুণ বিলুকে পছন্দ করতো।

বিলুর এই খারাপ সময়ে বিলুর পাশে আছে অরুণ। অরুণের সাথে বিলুর যে একটা সম্পর্ক আছে তা আশেপাশের সবাই টের পায়। এদিকে বিলু তার অসুস্থ স্বামী প্রীতমের প্রতিও যথেষ্ট আন্তরিক ও মনযোগী।

অরুণের সাথে বিলুর এই মেলামেশা স্বাভাবিকভাবেই প্রীতমের ভালো লাগে না। এটা প্রীতমের এক বড় মনপীড়ার কারণ। আবার সমস্যাটা এমন, বিলুকে এ ব্যাপারে কিছু বলাও যায় না।

পারিপার্শ্বিক অবস্থা দেখে আঁচ করা যায় বিলু খানিকটা অরুনের পরামর্শ মতো চলে। সবাই ধরেই রেখেছে প্রীতমের মৃত্যু নিশ্চিত। শুধু সময়ের ব্যাপার। এ ব্যাপারটি প্রীতম নিজে ছাড়া সবাই একরকম মেনেও নিয়েছে।

বিলু সম্ভবত প্রীতমহীন পৃথিবীতে অরুণকে নিয়ে পরিকল্পনা সাজাতে চায়।

খুবই জটিল পরিস্থিতি।

বিলু একসময় নিজে চাকরি শুরু করে। বাড়িতে মেয়ে ও স্বামী দেখভাল করবে কাজের লোক।

এ অবস্থায় জলপাইগুড়ি থেকে প্রীতমের ভাই শতম এসে প্রীতমকে জলপাইগুড়ি নিয়ে যেতে চায়। তাদের আশংকা বিলু চাকরি করায় সে প্রীতমের প্রতি যথেষ্ট মনযোগ দিতে পারছে না।

প্রীতমের ফ্যামিলি বন্ডিং খুবই চমৎকার। শতম প্রীতমকে জলপাইগুড়ি নিয়ে যায়। বিলু থেকে যায় কলকাতায়। বিলু নিয়মিত সেখানে চিঠি দেয় আর মাঝে মাঝে দেখতে যায়।

একটা পর্যায়ে বিলু প্রীতমকে কলকাতায় ফেরত আনতে চায়। এ পর্যায়ে প্রীতম বিলু ও অরুনের সম্পর্ক ও সে সম্পর্কের গভীরতা বুঝতে পারে। প্রীতমের অনুভূতি ও সেন্স খুবই ধারালো।

বিলু ভালো মন নিয়েই প্রীতমকে কলকাতায় আনতে চায়। কিন্তু প্রীতম পড়েছে মানসিক দোটানায়। নিজ মেয়ে লাবুর জন্য তার খারাপ লাগে। অথচ বিলু আর অরুণের ব্যাপারটিও সে বুঝতে পারে। যদিও স্বাভাবিকভাবে তা কারোরই বোঝার কথা নয়। কিন্তু এ যে প্রীতম, সে তো জিনিয়াস!

একদিন সকালে জলপাইগুড়ির সবাই আবিষ্কার করে অসুস্থ প্রীতম হারিয়ে গিয়েছে। কোথায় গেছে কেউ জানে না। অথচ সে নিজে প্রায় চলাফেরা করতে পারে না বললেই চলে। কোনমতে চলতে পারে আর কি।

প্রীতম সম্ভবত চায় না সে বিলুর গলগ্রহ হবে।

প্রীতম হারালে সবাই পাগলের মত হয়ে যায়। বেশি খারাপ অবস্থা হয় দীপনাথের। সে দ্রূত কলকাতা থেকে ছুটে যায় জলপাইগুড়ি। তন্ন তন্ন করে খুঁজতে থাকে সবজায়াগায়।

বিলু ফিরে আসে কলকাতায়। জীবন স্বাভাবিক হতে থাকে। প্রীতম হারিয়ে যায়।

.

দীপনাথ বোস সাহেবের কম্পানি থেকে আরো ভালো এক কম্পানিতে চাকরি পেয়েছে। বড় পজিশন। অনেক টাকা মাইনে।

এই নতুন কম্পানির আরেক শর্ত হলো তারা দীপনাথকে আমেরিকায় পাঠাবে ছয় মাসের জন্য ট্রেনিং করতে।

দীপনাথ এখন কলকাতায় কর্পোরেট জগতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। কিন্তু তার বুকের ভিতর চাপা ব্যথা। প্রীতমকে পাওয়া যাচ্ছে না। মনিদীপার শহরকে ছেড়ে যেতে হচ্ছে। শ্রীনাথ তৃষার চাপে ভালো নেই।

হয়ত আর দীপনাথ ফিরবে না।

।.....।

লেখাটি আমার নিউজলেটারথেকে নেওয়া।

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:৩০
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হাতছানি

লিখেছেন আহমেদ রুহুল আমিন, ১৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:২২

বাঁশবনের উপরে গোধূলীর আকাশে
কি'যে অপরুপ লাগে একফালি চাঁদ,
কাশবনের দুধারে মৃদুমন্দ বাতাসে
ঢেউ খেলে যায় সেথা জোৎস্নার ফাঁদ-
আহা..., কী অপরুপ সেই 'বাঁশফালি চাঁদ' ।

পাখিদের নীড়ে ফেরা কল-কাকলীতে
শিউলী-কামিনী যেথা ছড়ায় সুবাস,
আজানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মগজহীন গোল্ডফিশ মেমোরি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১:০১



বাংলা ব্যাকরণ ও বাংলা অভিধান যারা পড়েছেন তাদের জানার কথা “মগজহীন” শব্দ নতুন কোনো শব্দ না। “মগজহীন” শব্দটি বাংলা ব্যাকরণ ও বাংলা অভিধানে কখন কোন সালে নথিভুক্ত হয়েছে? -... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুশদেশের চিরায়ত শিশুসাহিত্য

লিখেছেন জ্যোতির্ময় ধর, ১৮ ই মে, ২০২৬ রাত ৩:১৭


ঊনবিংশ শতাব্দীর মহান লেখক চেখভ , তুর্গেনেভ , দস্তয়েভ্‌স্কি , তলস্তয়ের নাম বিশ্ববাসীর কাছে সুপরিচিত। এই লেখকেরা - রাশিয়ার জাতীয় গৌরব । ঊনবিংশ শতাব্দীর রুশ লেখকদের মধ্যে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রক্তের দাগে ধুয়ে যাওয়া আভিজাত্য: কারিনা কায়সারের বিদায় এবং আমাদের কিছু নির্মম শিক্ষা

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১৮ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৯



​বাঙালি সংস্কৃতির চিরায়ত নিয়মে মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মানুষ সব বৈরিতা ভুলে যায়। জানাজার খাটিয়া সামনে রেখে স্বজনরা কেবল ক্ষমা চান, চিরবিদায়ের প্রার্থনা করেন। কিন্তু গতকাল আমরা এক অভূতপূর্ব ও হাহাকারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড. ইউনুস শুধুমাত্র বাই বর্ন বাংলাদেশী!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০


আমেরিকার সাথে চুক্তির কথাটি আসলেই ইউনুসের উপদেষ্টাসহ তার লোকজন বলে বিএনপি ও জামাতের সাথে আলোচনা করেই চুক্তিটি হয়েছে!
বিএনপি ও জামায়েতের সাথে আলোচনা করলেই কি এই চুক্তি সঠিক হয়ে যায়?

আপনাদের বিএনপি-... ...বাকিটুকু পড়ুন

×