somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গায়ক নাকি লেখক !!!!!!!

১৪ ই অক্টোবর, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বব ডিলান সাহিত্যে কি করে পুরস্কার পেলেন, হায় হায় হায়, সাহিত্যের মান গেলো। এ কেমনতর কথা! একজন পোষ্ট দিয়ে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন, এবং উল্লেখ করেছেন 'একজন সাহিত্যসেবী হিসেবে এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি'

চলুন প্রথমেই একটু তার সম্পর্কে সামান্য ধারণা নেয়া যাক। তথ্যসুত্র, উইকিপিডিয়া
(লিংক কমেন্টে)

বব ডিলান (জন্মগত নাম রবার্ট অ্যালেন জিমারম্যান, মে ২৪, ১৯৪১) একজন সুবিখ্যাত গায়ক, গীতিকার, সুরকার, ডিস্ক জকি, এবং একই সঙ্গে একজন কবি, লেখক ও চিত্রকর যিনি ১৯৬০-এর দশক থেকে পাঁচ দশকেরও অধিক সময় ধরে জনপ্রিয় ধারার মার্কন সঙ্গীতের অন্যতম প্রধান পুরুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। ডিলানের শ্রেষ্ঠ কাজের মধ্যে অনেকগুলো ১৯৬০ দশকে রচিত হয়েছে। এসময় তিনি আমেরিকান অস্থিরতার প্রতীক বিবেচিত হতেন।

আচ্ছা বিষয় টা কি হলো? গায়ক কি লেখক হয়? কবি হয়? কেনো হবেনা? হুমায়ুন আহমেদ কি ছিলেন পেশায়? শিক্ষক, চলচিত্রকার, সব ছাপিয়ে লেখক। আমার ধারণা হুমায়ুন কে নোবেল দেয়া হলে কেউ কেউ বলতেন চলচিত্র নির্মাতা কে সাহিত্যে নোবেল! ছে ছে সাহিত্যের আর মান রইলোনা।
আর কেউ কেউ সেখানে বলতেন চলচিত্র নির্মাণ এর আগে হুমায়ুন গল্প লিখেছে, সেই গল্পে নিজেই চলচিত্র করেছেন। বব ডিলান তেমন ই একজন, আগে গান লিখেছেন, তা সুর করে গেয়েছেন। উনি ১৯৬০ দশকের কবি। সে সময়ের গান গুলা কি কবিতা থেকে নয়? যারা বলছেন আমেরিকা নির্ধারন কে নোবেল পাবে, তাদের জন্য উপরের প্যাড়ার লাষ্ট লাইন পড়ে নিতে অনুরোধ করছি একবার।

ডিলনের প্রথমদিককার গানের কথা ছিল মূলত রাজনীতি, সমাজ, দর্শন ও সাহিত্যিক প্রভাব সম্বলিত। এগুলো তখনকার জনপ্রিয় ধারার কথিত নিয়ম বহির্ভূত ছিল এবং এ ধারার বিপরীত হিসেবে ধরা হত। নিজস্ব সঙ্গীত ধারা প্রসারের পাশাপাশি তিনি আমেরিকার বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীতের প্রতি আকর্ষন অনুভব করেছেন। তিনি আমেরিকান লোকগীতি ও কান্ট্রি/ব্লুজ থেকে রক অ্যান্ড রোল, ইংরেজ, স্কটিশ, আইরিশ লোকগীতি, এমনকি জ্যাজ সঙ্গীত, সুইং, ব্রডওয়ে, হার্ডরক এবং গসপেলও গেয়েছেন।

*ডিলনের প্রথমদিককার গানের কথা ছিল মূলত রাজনীতি, সমাজ, দর্শন ও সাহিত্যিক প্রভাব সম্বলিত, আপনি লিখেন দেখি দু প্যাড়া সত্য রাজনীতি নিয়ে, ছন্দের আকারে, সুরের আকারে, গানের আসরে বা বই এর পাতায় পৌছে যান দেখি পাঠক বা শ্রবকের হৃদয় গভীরে। পারবেন? জানি পারবেন। কতজন পাঠকের কাছে পৌছাতে পারবেন? বব ডিলান কোঠায় পৌছেছিলো? বা পৌছাচ্ছে? রবীদা গীতাঞ্জলি দিয়েই নোবেল পেয়েছিলেন। হ্যা হয়তো সেটা ইংরেজিতে অনূদিত হওয়ায়। ইংরেজি হচ্ছে আন্তজার্তিক ভাষা। যেটা সবাই পারে, কিংবা শিক্ষিত সমাজের জন্য ম্যান্ডাটরি, একমাত্র স্বীকৃত ভাষা যা প্রায় সব দেশের মানুষ কিছুটা বুঝে। এখন আসেন বলি, বাংলায় নোবেল নাই কেনো!

ভাই সর্বোপরি একটা কথা বলি, নোবেল দাতা এবং গ্রহীতা আমার আপনার থেকে অনেক যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যাক্তি। আমার আপনার মত প্রকাশের স্বাধিনতা অবশ্যই আছে। সেটা হোক গ্রহণযোগ্য আলোচনায় মুখরিত সমালোচনা ।
আরেক বিষয় , আমি নিজে সাহিত্য বোদ্ধা নই। সাহিত্য সম্পর্কে আপনাদের তুলনায় অনেক কম ই বুঝি। অনেক কম কি! বুঝিইনা প্রায়। প্রতিটা সাহিত্যিক কে সম্মান দেই। সাহিত্যের কোন শাখায় কোন কোন লেখক অবদান রেখেছেন তা ঠিক জানিনা। আমার ভুল ত্রুটি মার্জনীয়, যদি এই লেখা পড়ে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন।
কেউ কমেন্ট করলে ভদ্রতা বজায় রেখে কমেন্ট করবেন। রিপ্লাই পাবেন। অন্যথায় আপনার রিপ্লাই দেয়া হবেনা। যুক্তিযুক্ত এ সংক্রান্ত আলোচনায় ষ্ট্যান্ডবায় আছি।

সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৮
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×