ফাঁদ পেতে ঘুষখোর ধরা সহজ নয়। তার চেয়ে বরং যেসব সরকারি কর্মচারীর আয়ের সাথে ব্যয়ের সঙ্গতি নেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করুন - তাদের আয়-ব্যয়ের হিসাবেই বেরিয়ে আসবে তারা ঘুষ খান কি খাননা সে তথ্য। শ্বশুর-শাশুড়ি বা অন্য কেউ দিয়েছেন দাবি করলে তাদেরকেও অনুসন্ধানের আওতায় আনতে হবে।
একটা উদাহরণ দেই, ধরুন মাসে ৬০ হাজার টাকা বেতন পান, তেমন কেউ যদি হাতে ৬০/৭০ হাজার টাকা দামের ঘড়ি পরেন, লাখ টাকা দামের মোবাইল হাতে নেন, কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করেন স্যুট-টাই-জুতোতে, দামি গাড়ি হাঁকিয়ে চলাফেরা করেন, কোটি টাকা দামের ফ্ল্যাট বা ভবনে বসবাস করেন, নামিদামি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে বা বিদেশে সন্তানদের পড়ালেখা করান ... তাহলেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা যায়।
এভাবে হাজারখানেক সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে ঘুষের অর্থ ব্যবহারে তাদের বাধা দিলেই অন্যরা ঘুষ গ্রহণ করতে শতবার ভাববে। তারা চিন্তা করবে, ভোগই যদি করা না যায়, তবে টাকা কামিয়ে লাভ কি?

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুলাই, ২০২৬ ভোর ৬:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



