ডিপার্টমেন্টের সামনে আমাকে প্রথম দেখে।কথা খুব কম বলে ব্যাবহার মাশ্আল্লাহ্। কারো কাছে হাত বাড়িয়ে কলমটাও নেয়না।
তো ওরা কয়েকজন আড্ডা মারছিল,প্রতিনিয়ত আমি আর নিরব একটু পরে যাই।ভাব রে ভাই ভাব।উলিপুরের ছেলে বলে কথা।ওহ্,কুড়িগ্রামে আমাদের উলিপুরের ছেলেদের অন্যরকম পরিচিতি।ভদ্র হয়ে থাকলেও বলবে মালটা কিন্তু কেউটে!ওরা(অন্য এলাকা+স্থানীয়) জানেনা যে,উলিপুরের কোনো ছেলে ভদ্র হতে পারে।
যাই হোক প্লাটুনের মাঝখানে আমার জন্য জায়গা রেখেছে, আমিও বসলাম।ওর নাম জিন্নাত। ও আমাকে দেখেই বলল,পরিচয় হতে পারি?তোমার নাম কি?
উলিপুরের হাবিবের অন্য রকম রাগ! তুই মাহাদীকে চিনিস না! তুই ডিপার্টমেন্ট এ আর আসিছ না!ও তো পুরাই মকা।
তারপর ফেবু আইডি নিয়ে রিকু পাঠাল,বলল এখনি কনফার্ম করো।ফোন নম্বর নিল।আমি তো কিছু ভাবি নি।
হঠাৎ ফেসবুকে মেসেজ হাই মাহাদী,আমি পাঠালাম হেলোউ!!!!!
চলছে,,,,কাল আসবে?আমি বললাম তুমি?ও বলল তুমি আগে বলো,আমি বললাম,যেতে পারি।ও বললো আমিও।
তাও কিছু মনে করলাম না।কিছুক্ষন পর আবার মেসেজ হাই!
আমি রিপ্লাই দিলাম না,তারপর থেকে কল দেয়া শুরু করল।আমি বিষয়টা হবিবকে বলার সাথে হাবিব বলল গুরু কাম হইছে,এমন ভাব নিল মনে হয় লটারীর প্রথম প্রাইজ পাইছি।
এক বান্ধবীর মাধ্যমে ওকে বোঝালাম আমি ক্লাসমেটের সাথে রিলেশন করবনা।ও তো সেই অভিমান।তারপর ছোটকালের ভুত(দুষ্টুমীর) মাথায় আসল।বললাম করবা??
মাই গড্, বেচারী দেখি আমাকে বুদ্ধি দেয়।ভাবের মিটার ১০০ এ তুলেছে!তুমি কি জান আমার বিয়ে হতে পারে?বললাম আমারও তো।এ ভাবে ও যত যুক্তি দেয় আমি সুন্দর বাটাকাটি করি।
রাতে ফোন দিয়ে বলে,আম্মু -আব্বু পাশে তুমি কথা বলো,আমি শুনি।আমিও বললাম আমার রুমমেট সিনিয়র (মিথ্যা-আমরা এক ইয়ারে)ভাইরে এত্ত কাহিনী থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বললাম,চলো নতুন করে প্রেম করি।আগের কািহনী ভুলে যাই,ওর উত্তরে আমি টাস্কি! আমার মরে হয় ও বুঝাতে চাচ্ছে কয়েকদিন ওর পেছনে ঘুরি,ওর টিআরপি ্্গগবে!
আগেই বলেছিলাম ও খুব নম্র একটা মেয়ে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



