কুড়িগ্রামে আসার ৫ মাস হয়ে গেল।
তল্পিতল্পা সহ যেদিন বাড়ি থেকে
তালতলার মুখে রওনা দেই সেই
দিনের কথা!
রাজারহাট দিয়ে এসেছিলাম(অবশ্য
যাওয়ার সময় উলিপুর দিয়ে যাই)।
অটোরিকশার সামনেই বসেছিলাম।
টোগরাইহাটে কয়েকটি নূরানি/
হাফেজী মাদ্রসার ছোট ছোট ছেলে
রাস্তা প্রায় বন্ধ করেই
রেখেছিল,বাধ্য হয়ে অটোরিকশার
ড্রাইভার থেমেছিলেন।চারপাশ
থেকে ছোট ছোট বাচ্চাদের
বাড়ানে হাত,কিছু দান
করেন,মসজিদের জন্য বোধ হয়।
আজ ৫ মাস পর দেখলাম একই জায়গায়
একই অবস্থা! সাইকেল থামিয়ে দান
চাচ্ছে, উচ্চস্বরে মাইকে ওয়াজ
বাজছে,,,,,রৌদ্রে রাস্তার দুই পাশে
ছোট ছোট বাচ্ছারা যাত্রীর
অপেক্ষায়, আর তাদের এক মুরব্বী
ছাতার নিছে টেবিলে বসে পান
চিবুচ্ছেন........
আমার প্রশ্ন হচ্ছে, তারা দীর্ঘ ৫ মাস
ধরে এ ছোট ছোট বাচ্চাদের ব্যাবহার
করছেন এটা অপরাধে পরে কি
পরেনা?ঐ সমস্ত এলাকায় কি কোন
স্থানীয় লোকজন নেই?একটা মসজিদ
বানাতে কত বছর টাকা তুলতে হবে?
আমার ছোট ছোট ভাইয়েরা কুরআন
পড়ছে নাকি রৌদ্রে পুড়ছে?
যুক্তি:১.এই সমস্ত বাচ্চারা ভবিষ্যতে
মসজিদের খুৎবা পড়ার মাঝখানে
বলবে,বেতন কিন্তু আমার বাড়াতে
হবে!আমারও পরিবার আছে!
২.মানুষের কাছে হাত বাড়ানো
শিখছে। যা তাদের জীবনকে ধার/
লোনমুখী হতে শেখায়।
৩.আমাদের এলাকা নদীর
কাছেই,মসজিদ, ঈদগাহ্ মাঠ নদীর মুখেই
আমরা তো এভাবে দান তুলতে
হয়না,অথচ তাদের অবস্থায়(শহরের
লোকের) এরকম কেন?
৪.তারা কি মুমুর্ষ রোগীর গাড়ি
থামাবেনা,বুঝবে কি ঐটুকু সময়েই
কারো মৃত্যু হতে পারে!
মতামতের অপেক্ষায়...........
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



