somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চিলেকোঠার প্রেম- ২০ এবং শেষ পর্ব

২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সেদিন সোনারগাঁ হোটেলের সামনের জ্যামে গাড়ি নিয়ে আটকে আছি। হঠাৎ আইল্যান্ডে চোখ দুটোও আটকে গেলো। আইল্যান্ডে শুভ্র দাঁড়িয়ে। এক হাতে এক তাড়া কাগজপত্র আরেক হাতে জিন্স আর টি শার্ট পরা ২৫/২৬ বছরের হালকা পাতলা গড়নের একটা মেয়ে। খুব সাদামাটা পোষাক ও চেহারার মাঝে আত্মপ্রত্যয়ী ভাস্কার্য্য মুখ। আমার দুহাতের নীচে স্টিয়ারীং থমকে গেলো। চোখ দুটো স্থির হয়ে গেলো। আমি আমার চারপাশ ভুলে গেলাম। শুভ্র আমকে হাত নেড়ে থামতে ইশারা দিয়ে ঐ মেয়েটার হাত ধরে চকিতে রাস্তা পার হয়ে গেলো। ততক্ষনে সবুজ বাতি জ্বলে উঠেছিলো। পেছন থেকে তীব্র জোরে গাড়িরা হর্ণ দিচ্ছিলো। আমি সম্বিত ফিরে পেতে স্টার্ট দিলাম। খুব তাড়াহুড়া আর রোদের মাঝে শুভ্র হয়ত খেয়ালই করেনি যে ড্রাইভারকে ও ইঙ্গিতে থামতে বলে ওর নতুন প্রেয়সীকে নিয়ে রাস্তা পেরিয়ে গেলো, সেই ছিলো তার প্রাক্তন।

শুনলে হাসি পাবে মানে যারা পড়বে এই লেখা তারাও হাসবে একটা কথা জেনে যে অতি সুখ এবং দুঃখ দুটো সময়েই আমার সিনেমার মত পরিস্থিতির সঙ্গে মিলিয়ে গান মনে পড়ে যায়। সেদিনও পড়লো। আমি রাস্তার এক ধারে গাড়ি থামিয়ে ড্যাশবোর্ড থেকে খুঁজে বের করলাম নজরুল গীতির প্রিয় সিডি। তারপর প্লে করে দিলাম। আমাকে দেখতে তখন এক্কেবারের বাংলা সিনেমার পাক্কা অভিনেত্রীর মত লাগছিলো মনে হয়। হা হা ..
গাড়ি চলছে নায়িকার হাতে আর গান বাজছে ব্যাক গ্রাউন্ডে...
পথ চলিতে যদি চকিতে কভু দেখা হয় পরানপ্রিয়....
চাহিতে যেমন আগেরও দিনে তেমনই মদির চোখে চাহিও .....

না শুভ্র আমার দিকে তাকিয়েছিলো ঠিকই কিন্তু মদির চোখে নয়। অচেনা চোখে। আসলে শুভ্র তো এমনই। একটু খামখেয়ালী এবং উদাসীন। চোখের সামনে দিয়ে হাতী গেলেই টের পায় না আর এ তো দুপুরের চোখ ঝলসানো কড়া রোদে গাড়ির স্টিয়ারীং এ বসা কোনো ড্রাইভার মাত্র। কিন্তু মনে পড়লো একদিন শুভ্র বলেছিলো আমি চোখ বুঁজে থাকলেও একটা চোখ সব সময় তোমার দিকে খোলা থাকে। আজ সে কথা ভেবে আমার মুখে স্মিত হাসি ফুটে ওঠে। সাথে অস্ফুট দীর্ঘশ্বাস!
তোমারও বঁধু পাশে যদি রয়, মোরও প্রিয়া সে করিওনা ভয়
কহিবো তারে আমার প্রিয়রে আমারও অধিক ভালোবাসিও......

হা হা কি কঠিন করে কষ্টের কথাগুলি বলে গেলো নজরুল ভালোবেসে বেসে। আচ্ছা জানতে বড় ইচ্ছে করে কবি সাহিত্যকেরাও কি সৃষ্টিকর্তার মত আগে থেকেই সাজিয়ে রাখা জীবন নাট্যশালার জন্য গান আর কবিতা লিখে রাখেন? যাইহোক শুভ্র তাড়াহুড়ায় আর রোদের মাঝে আমাকে খেয়াল করেনি সে আমি নিশ্চিৎ। কিন্ত ওর হাত ধরে রাখা মেয়েটা আমার দিকে ফিরে তাকিয়েছিলো ঠিকই। মেয়েটা কখনও আমাকে দেখেনি কিন্তু মেয়েদের সিক্সথ সেন্স ঠিকই কাজ করে বা হয়ত সে আমার ছবি দেখেছে নিশ্চয়। তাই হয়ত একটু খটকা লেগে গেলো তার। মেয়েটা যে বুদ্ধিমতী ও আত্মপ্রত্যয়ী তা তার চোখ দুটোতেই ফুটে উঠেছিলো। হ্যাঁ এমনটাই হওয়া উচিৎ ছিলো। শুভ্রের সাথে এমন লড়াকু চেহারার একটা মেয়েকেই মানায়। আসলে যে কোনো একদিকের বৈষম্য সব দিকের বৈষম্য টেনে আনতে পারে যে কোনো সময়। আজ তা নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে বুঝে গেছি আমি। ঠিক যেমনটা আমাদের হয়েছিলো। ওর জন্য এই মেয়েটাই সঠিক। একদম পারফেক্ট জুটি। মনে মনে আওড়াচ্ছিলাম.....
আমি কেবল একটি দিন তোমার পাশে তাকে
দেখেছিলাম আলোর নীচে; অপূর্ব সে আলো!
স্বীকার করি, দুজনকেই মানিয়েছিল ভালো
জুড়িয়ে দিলো চোখ আমার, পুড়িয়ে দিলো চেখ
বাড়িতে এসে বলেছিলাম, ওদের ভালো হোক।

বাড়ি তখনও ফিরিনি আমি। ফিরছিলাম আর বার বার অন্যমনস্ক হয়ে পড়ছিলাম আমি। ভাগ্য ভালো এক্সিডেন্ট করিনি সেদিন। বার বার প্রার্থনা করছিলাম শুভ্র তুমি ভালো থেকো। ঠিক তোমার মত কারো সাথে। তোমার মত করেই ভালো থেকো তুমি.....তবুও ....
তবু আগুন, বেণীমাধব, আগুন জ্বলে কই?
কেমন হবে, আমিও যদি ...... সে সব খুব কষ্টের সময়ের কথা ভাবলেও আমার আজ হাসি পায়। কি পাগলটাই ছিলাম আমি। নাহ শুভ্রকে হারিয়ে আমার কোনো বেদনা নেই। বরং এমনটাই হয়ত ভালো হলো। আমার শুধু কষ্ট আছে হারিয়ে যাওয়া দিনগুলোর জন্য। হারিয়ে যাওয়া স্বর্নালী সময়গুলো আমার চোখে ফিরে ফিরে আসে। শুভ্র আমার জন্য যেমনই পারফেক্ট ছিলোনা আমিও তার জন্য না। কিন্তু আমাদের সেই দিনগুলো ...... উত্তাল ভালোবাসাবাসিময় সোনালী সময়গুলো সেসব তো খুব সত্যি ছিলো। তাতে কোনো ফাঁক ছিলো না, কোনো মিথ্যেই ছিলো না......

আমার মাঝে মাঝে খুব মনে পড়ে চিলেকোঠার সেই দিনগুলোর কথা। কি মায়াময় কি অপূর্ব আর কি অপার্থীবই না ছিলো সেসব সময়। সেসব দিনে কোনো অপূর্ণতা, কোনো অপ্রাপ্তি কোনো না পাবার বেদনাই ছিলো না বরং যা ছিলো তাই হাত পেতে আকন্ঠ পান করেছি আমরা। বুকে ধারণ করেছি সেই সূধা। বুক ভরা আশা ছিলো। চোখ ভরা স্বপ্ন। সম্পূর্ণ অজানা অচেনা কোনো পরিভ্রমনে এই পৃথিবীকে নিজের মত করে গড়ে নেবার দুঃসাহসিক যাত্রার শুরু। বিজয় সুনিশ্চিৎ জেনেই পা বাড়ানো। কিন্তু ........

হেরে যেতে হলো? আচ্ছা একে কি হেরে যাওয়া বলে? না মনে হয়। জীবনের সকল প্রাপ্তিই মূল্যবান। একটার সাথে আরেকটা না মেলানোই ভালো। প্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি এবং কিছু পেয়েও হারিয়ে ফেলা তার কোনোটার জন্যই আক্ষেপ নেই আমার। হ্যাঁ এটা শুভ্রেরই শিক্ষা। তবুও রবিঠাকুরের বাণী মনে পড়ে-
মনেরে আজ কহ যে ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যরে লও সহজে...... রবিঠাকুরও মুক্তচিন্তা আর ভবিষ্যতের মানুষ ছিলেন। কত কিছু অন্যরকম করে ভেবে গেলেন তিনি যা যুগ যুগ ধরেও আমাদেরকে চালিয়ে নিয়ে যায়। শুভ্রও আমাকে চালায়। আমার ভেতরে যে কোনো বিপদেই যে কোনো ডিসিশনেই আমি দৈববাণী শুনি। শুভ্রের কন্ঠ। শুভ্র আমার পাশে না থেকেও অদৃশ্যে হাত ধরে থাকে। আমার কোনো রাগ নেই, ক্ষোভ নেই, কষ্টও নেই ভাবি কিন্তু শুভ্রের কথা মনে পড়লে আমার খুব কষ্ট হয় যা আমি খুব তাড়াতাড়ি চাপা দিয়ে ফেলি এবং কখনও কাউকে বলি না। যে পথের ঠিকানা আমি মুছে দিয়েছি সে পথে আর ফেরা যায় না। ফেরা হবেও না। ফিরে যেতেও চাইনা...

যদিও শুভ্র আমাকে বলেছিলো জীবনের যে কোনো দিনেই যে কোনো কারণে বা যে কোনো প্রয়োজনে তাকে ডাকলেই সে চলে আসবে আমার পাশে। কিন্তু আমি কখনও তাকে ডাকি না। আমার ইগোর জন্য ডাকিনা তা না। শুভ্রকে ডাকতে গেলেই আমার মনে পড়ে যায় সেই দুপুরবেলা। এক তাড়া কাগজ আর একটি ২৫/২৬ বছরের মেয়ের ছবিটি। খুব তাড়াহুড়ায় শুভ্র আমাকে দেখেনি বটে কিন্তু মেয়েটি আমাকে ঠিকই দেখেছিলো। কিন্তু তাকে আমার বলা হলো না, আমার প্রিয়রে আমারও অধিক ভালোবাসিও.....

একদিন নিজের অগোচরেই আমি চলে গিয়েছিলাম নাখালপাড়ার সেই ছোট্ট চিলেকোঠার বাড়িতে। দূর থেকে তাকিয়ে ছিলাম অনেকক্ষন ইউকালিপটাস আর দেবদারুঘেরা বাড়িটার চিলেকোঠার ছাঁদে। সেই ইউকালিপটাস আর দেবদারুরা আর নেই। সেসব কেটে ফেলা হয়েছে। সেই নীচু জমিটাতে ইট কাঁঠ পাথরে বোঝাই করে রাখা। কিছুদিনের মাঝেই কাজ চলবে মাল্টিস্টোরিড কোনো বিল্ডিং এর হয়ত।

এরপর আমি এক পা দু'পা করে উঠে গেলাম ঐ চিলেকোঠার ঘরে। সেই লোহার রং চটা কড়াদুটো আজও তেমনি আছে। আস্তে করে কড়া ধরে নাড়তেই ঘুম চোখে উঠে এলো একটু গুল্লুগাল্লু আদুরে চেহারার ফুল ছাপ সালোয়ার কামিজ পরা অল্প বয়সী একটা মেয়ে। আমার দিকে জিজ্ঞাসুনেত্রে তাকিয়ে জানতে চাইলো- কাকে চান?
আমি বললাম- এখানে শ্যামা আর শুভ্র নামে কেউ আর থাকে না, না? মেয়েটা বললো, না। আমরা মানে আমি আর আমার স্বামী এখানে আছি প্রায় দু বছর হতে চললো। আমি বললাম ওহ শুভ্রের আরেকটা নামও আছে রুশো। সে বললো না বাবা রুশো টুশো এমন নামও কখনও শুনিনি আমি।

আমি ওর কথা শুনে মানে বলার স্টাইলে হেসে ফেললাম। বললাম, আমাকে এক গ্লাস পানি খাওয়াবে? সে বললো, ভেতরে এসে বসেন।
আমি বসলাম। আসলে আমি চাইছিলাম আমাদের সেই চিলেকোঠায় আরও কিছুক্ষন থাকতে। সব কিছু বদলে গেছে আজ। সেই চিলেকোঠাও বদলে গেছে আমূল। ওদের বিছানা বালিশ, টেবিল চেয়ার, ফুলের টব, বালতি মগ আমার চোখে সেলুলয়েডের ফিতার মত বদলে বদলে যাচ্ছিলো। আজও জানলা দিয়ে ভেতরে পড়েছে পড়ন্ত সূর্য্যের তির্যক আলো। ছাদের একদিকে ছায়া ছায়া বিকেল নেমেছে। আর একটু পরেই রোদ চলে গিয়ে সেখানে নামবে নির্মল সন্ধ্যা। সেই আগের দিনগুলোর মত।

এই সেই ছাঁদ। আমাদের প্রথম রাতে জ্যোস্না ঝরিয়েছিলো। ফুলে ফুলে ভরে তুলেছিলাম আমি ছাঁদের আনাচ কানাচ কিছুদিনের মাঝে। এই মেয়েটাও ভালো মালী। কিন্তু ফুলগাছগুলির জায়গায় সে গজিয়েছে মরিচ গাছ, ধনে পাতা আর টমেটো। মেয়েটা সংসারী, আমার মত অলীক স্বপ্নের ফুলবাগানে বাস করে না সে। অলীক স্বপ্নগুলি আসলে অলীকেই মিলিয়ে যায় আর বেঁচে থাকে বাস্তবতা।

দেওয়ালের যে পেরেকটাতে আমার আর শুভ্রের বিয়ের বড় করে বাঁধানো ছবিটা ঝুলানো ছিলো সেখানে ঝুলছে একটা ক্যালেন্ডার আর তার উপরে তজবীহ। কমদামী একটা টেবিলও আছে ঘরে আমাদের যেমন ছিলো সেসব দিনে। টেবিলক্লথটাতে সুইসুতোর ফুলের কাজ। নাহ মেয়েটা আসলেই সংসারী। ভীষন ভালো একটা সুখী সংসার ওদের। আমাদেরও ওমনই ছিলো। চিলেকোঠাতে যারা আসে সকলেই হয়তো ভীষন সুখী থাকে। অকারণ বাড়তি চাহিদাগুলিই দিনে দিনে আমাদেরকে অসুখী করে তোলে।

আমি ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম ঐ ছাঁদ, ঐ কলতলা, সেই ছোট্ট একরতি রান্নার জায়গাটা। ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখছিলাম রেলিং, কাপড় মেলার পুরোনো তার। রেলিং এর কোনাগুলি শেওলা জমে কালচে হয়ে গেছে। তবুও পরম মমতায় আমি ছুঁয়ে যাচ্ছিলাম সেই শেওলাগুলিই যেখানে আমার আর শুভ্রের ভালোবাসার স্পর্শ লেগে আছে। তবুও সবই বদলে গেছে। এই ছাঁদ, এই কলতলা, এই এক রুমের চিলেকোঠার ঘর, তাদের আসবাব এবং বাসিন্দারা সবাই। সবাই বদলে গেছে। বেশ খানিক সময় পর আমি মেয়েটার থেকে বিদায় নিয়ে বেরিরে এলাম।

রংচটা হাতলহীন সিঁড়িটাতে নতুন রেলিং লাগানো হয়েছে। বেশ খানিকটা নেমে আসার পর মেয়েটা দরজা বন্ধ করে দিলো। আমি ফিরে তাকালাম দরজার। সেই বড় বড় লোহার কড়াদুটোর দিকে তাকিয়ে আমার চোখ জলে ভরে আসলো। সব বদলে গেছে। ঐ চিলেকোঠার বাসিন্দারা, ছাঁদ, কলতলা, আসবাবপত্র সব।

শুধু দরজার বাইরের কড়া দুটো অবিকল তেমনি আছে। যেমনটা সেদিনও ছিলো। ঐ রংচটা রুঢ় কঠিন কড়া দুটি খুব কঠিনভাবে আটকে রেখেছে একের পর এক চলতে থাকা বিভিন্ন নায়ক নায়িকাদের জীবননাট্য বা জীবনের চলচ্চিত্রের গল্পগুলি ঐ চিলেকোঠার বদ্ধ দূয়ারের ওপাশে ......... নির্বাক অনড় অটল বিশ্বস্ততায়........



*** বলেছিলাম এই গল্প শেষে গল্পের পটভূমি এবং সকল পাঠকের সকল উত্তর বলে দেবো। কিন্তু লিখতে গিয়ে গল্পের শেষে এসে মনে হলো গল্পের পিছের নির্মম সত্যি বা বাস্তবতাটা এখুনি বলে দেওয়া উচিৎ হবে না। তবে বলবো অবশ্যই বলবো। খুব শিঘ্রীই......

সবার জন্য রইলো প্রাণ থেকে এক রাশ ভালোবাসা.......

শেষ......

চিলেকোঠার প্রেম -১
চিলেকোঠার প্রেম- ২
চিলেকোঠার প্রেম-৩
চিলেকোঠার প্রেম-৪
চিলেকোঠার প্রেম-৫
চিলেকোঠার প্রেম - ৬
চিলেকোঠার প্রেম- ৭
চিলেকোঠার প্রেম - ৮
চিলেকোঠার প্রেম-৯
চিলেকোঠার প্রেম- ১০
চিলেকোঠার প্রেম- ১১
চিলেকোঠার প্রেম- ১২
চিলেকোঠার প্রেম- ১৩
চিলেকোঠার প্রেম - ১৪
চিলেকোঠার প্রেম- ১৫
চিলেকোঠার প্রেম-১৬
চিলেকোঠার প্রেম-১৭
চিলেকোঠার প্রেম-১৮
চিলেকোঠার প্রেম- ১৯
চিলেকোঠার প্রেম- ২০ এবং শেষ পর্ব


Where do I begin
To tell the story of how great a love can be
The sweet love story that is older than the sea
The simple truth about the love she brings to me
Where do I start
With her first hello
She gave new meaning to this empty world of mine
There'd never be another love, another time
She came into my life and made the living fine
She fills my heart
She fills my heart with very special things
With angels' songs, with wild imaginings
She fills my soul with so much love
That anywhere I go I'm never lonely
With her around, who could be lonely
I reach for her hand, it's always there
How long does it last
Can love be measured by the hours in a day
I have no answers now but this much I can say
I know I'll need her 'till the stars all burn away
And she'll be there
How long does it last
Can love be measured by the hours in a day
I have no answers now but this much I can say
I know I'll need her 'till the stars all burn away
And she'll be there

love story by Shuvo bhaia
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:৫৮
৪৮টি মন্তব্য ৫২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রহস্যোপন্যাসঃ মাকড়সার জাল - প্রথম পর্ব

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ৯:৪০




(১)
অনেকটা সময় ধরে অভি কলিং বেলটা বাজাচ্ছে ।বেল বেজেই চলেছে কিন্তু কোন সাড়া শব্দ নেই। একসময় খানিকটা বিরক্ত হয়ে মনে মনে স্বগোতক্তি করল সে
-... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্যস! আর কত?

লিখেছেন স্প্যানকড, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১০:০১

ছবি নেট ।

বাংলাদেশে যে কোন বড় আকাম হলে সরকারি আর বিরোধী দুইটা ই ফায়দা লুটার চেষ্টা করে। জনগন ভোদাই এর মতন এরটা শোনে কতক্ষণ ওর টা শোনে কতক্ষণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শরতের শেষ অপরাহ্নে

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১০:৫৫

টান

লিখেছেন বৃষ্টি'র জল, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:০৩






কোথাও কোথাও আমাদের পছন্দগুলো ভীষণ একরকম,
কোথাও আবার ভাবনাগুলো একদম অমিল।
আমাদের বোঝাপড়াটা কখনো এক হলেও বিশ্বাস টা পুরোই আলাদা।
কখনো কখনো অনুভূতি মিলে গেলেও,
মতামতে যোজন যোজন পার্থক্য।
একবার যেমন মনে হয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আফ্রিকায় টিকাও নেই, ভাতও নেই

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ১০:৫৪



আফ্রিকার গ্রামগুলো মোটামুটি বেশ বিচ্ছিন্ন ও হাট-বাজারগুলোতে অন্য এলাকার লোকজন তেমন আসে না; ফলে, গ্রামগুলোতে করোনা বেশী ছড়ায়নি। বেশীরভাগ দেশের সরকার ওদের কত গ্রাম আছে তাও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×