somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কিভাবে শুরু করব নতুন কিছু?

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১১:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে সাথে সমাজ ব্যবস্থাটা অদ্ভুত। আমরা শুধু শিক্ষা ব্যবস্থার দোষ দিই। সমাজ ব্যবস্থার দোষ অনেক ।আমার কাছে পরিবারের আচরণগুলোই অদ্ভুত লাগে। আমাদের পরিবারের লোকজন মনে করে সারাদিন পড়লেই শুধু ভালো শিক্ষার্থী হওয়া যায়।ভালো চাকরি করলেই সুখি হওয়া যায়,ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হলেই সম্মান পাওয়া যায়,টাকা কামানো যায়।

আমাদের সমাজে ইনোভেটিভ মানুষগুলোর মূল্যায়ন প্রথমে কেউ করে না।তার সাথে এমন আচরণ করা হয় যে, সে বিশাল পাপ করেছে। তাকে এমনভাবে নিরুৎসাহিত করা যে,সে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে ভয় পায়।আর কাজের পরিধি ছোট হলে তো কথাই নেই!! আবার যখন কেউ এতকিছু উপেক্ষা করে সফল হয় সবাই থাকে নিয়ে মেতে থাকে।

কিন্তু কেন এই রকম কবে?
তাকে যদি প্রথমে উৎসাহ দেওয়া হতো, তাহলে সে কাজটা আরো ভালোভাবে করতে পারতো,আরো সহজে করতে পারতো। আমাদের এই নিরুৎসাহের কারণে কত হাজার হাজার আইডিয়া যে অঙ্কুরেই শেষ হয়ে যায়,তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অথচ মার্কিনরাসহ উন্নত রাষ্ট্রগুলো তাদের যে কোন বয়সের মানুষদেরকে উৎসাহ দেয় তার ইনোভেটিভ আইডিয়াকে নিয়ে কাজ করতে। সেটা স্কুলের কোনো বাচ্চাও হতে পারে।

কিন্তু আমাদের দেশে শিক্ষার পাড়াপাশি যদি আপনি কিছু করতে চান তাহলেও পারবেন না। বরং যত বাধা আছে সব মোকাবেলা করতে হবে। স্কুল বযসে তো কোনো কিছু চিন্তাই করা যাবে না।

আমাদের সমাজ ব্যবস্থাইটাই এমন। বলবে-আপনি পড়াশুনা শেষ করে তারপর কিছু করবেন। আর সেটা বেশী দেখা যায় মধ্যভিত্ত পরিবারগুলোতে। আসলে নিম্নভিত্ত বা উচ্চভিত্তরা আলাদা। নিম্নভিত্তরা প্রয়োজনের তাগিদে করতে হয় আর উচ্চভিত্তদের বাপের হোটেলে অনায়াসে চলে যায় আর বাপের ব্যবসা থাকলে তো -নো চিন্তা,ডু ফূর্তি স্টাইলে চলে।
যতসব ভেজাল মধ্যভিত্তদের। তারা না পারে এপারে যেতে, না ওপারে। তাদের পরিবারের কথা হলো তুমি পড়ো,আমি কষ্ট করে হলেও তোমাকে পড়াবো। পড়তে পড়তে ইয়া বড় বড় সার্টিফিকেট অর্জন করে তার পর কিছু করতে পারবে। পড়াশুনার পাশাপাশি আর কিছু করতে হবে না।করলে তোমার পড়া লেখা গোল্লায় যাবে।সত্যিই কথা কি -আমি এখনও পর্যন্ত কিছু করতে গেলে পরিবার বাঁধা দেয়। তাদের কথা আগে মাষ্টার্স শেষ কর।

আজব, আমি পড়ে সার্টিফিকেট অর্জন করে বুঝলাম চাকরি পাব,করব।কিন্তু আমার যদি নতুন কোনো আইডিয়া নিয়ে কাজ করতে ইচ্ছে হয়,হোক সেটা ছোট তাদের কি উৎসাহ দেওয়া উচিত নয়? আমি সব সময় বিশ্বাস করি যে যেটা কাজে আগ্রহী থাকে সেই সে কাজটা আন্তরিকতার সহিত করে। আর কাজে আকাগ্রতা থাকলে সেকাজে সফল হওয়াটা অনেকটা নিশ্চিত।

আমাদের নিজেদের উন্নয়নে আসলে সামাজিক প্রতিবন্ধকতাটা অনেক বড় ইস্যু।

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১১:৩৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভুলে যেও

লিখেছেন জিনাত নাজিয়া, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:০১

" ভুলে যেও "

একটু একটু করে চলে যাচ্ছি গভীর অতলে,
ধীরে সুস্থে হাটি হাটি পা পা করে এগিয়ে যাচ্ছি
অনন্তকালের ঘরে।
যেখানে থাকতে হবে একাকি
নি:স্বীম আঁধারে।

ভালো থেক ফুল,পাখি, লতাপাতা,
ভালো থেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ আকাশ বলতে কিছু নেই

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪২

অনেক হয়েছে । আর না ।
সেই পরশু রাত থেকে । এক-দুই-পাঁচ-দশবার নয় । তিরাশিবার ! হ্যাঁ, তিরাশিবার ঈশিতার নাম্বারে ডায়াল করেও কোনো রেসপন্স পায় নি অলক ।
ওপাশ থেকে একটা নারীকণ্ঠ... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতিভুক বৈশাখী মেলা আর হালখাতা....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪১

স্মৃতিভুক বৈশাখী মেলা আর হালখাতা....

সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাঙালীর পহেলা বৈশাখ উদযাপন করার রীতিও বদলে গিয়েছে। অনেক ঐতিহ্য কালের গর্বে বিলীন হয়ে যাচ্ছে, আবার যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন রীতি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

রোকেয়া পদক ২০২৫: ঘৃণা আর পুরস্কারের এক অদ্ভুত সহাবস্থান

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:০৭


২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর দেশে অনেক কিছু ঘটেছিল। কিছু আশার, কিছু উত্তেজনার, আর কিছু একেবারে হতবাক করে দেওয়ার মতো। হতবাক করার মতো প্রথমেই যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ- মেঘলা আকাশ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৩৮

তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস
সময় সন্ধ্যা ৭টা বেজে ৪০ মিনিট
জানালা থেকে ঐ বাঁ দিকে Lake Ontario -র জল আর আকাশের মেঘের মেলা মিলেমিশে একাকার


একটু আলোর রেখা
টরোন্টো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×