মায়ের আদরের বাবার অবহেলায় বেড়ে ওঠা এক কিশোরী..তনুর বাবা সেলিম একজন কৃষক ছিলন..আর মা রিতা একজন গৃহিনী..মেয়ে সন্তান পছন্দ করতেন না সেলিম..সে মনে করত মেয়ে সন্তান মানে বাড়তি ঝামেলা..তনুর জন্মের সময় তনুর বাবা তার মুখটাই দেখনি মেয়ে সন্তান বলে..এমনকি রিতার সাথে ও ভালভাবে কথা বলতো না তনুর জন্মের পর থেকে..বাবার আদর কি জিনিস তনু তা কখনোই বোঝেনি..তনু পড়াশোনা করতে খুব ভালবাসতো..তাই রিতা সেলিমের চোখ ফাঁকি দিয়ে তনুকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেয়..খুব ভাল রেজাল্ট ও করে তনু..কিন্তু তনুর বাব একদিন বুঝতে পারে যে তনু পড়াশোনা করছে..তখন সে তনু আর তনুর মা কে অনেক মারধোর করে..এবং তনুকে বিয়ে দিয়ে দিতে চায়..কয়েকদিন পর সেলিম তনুর জন্য বিয়ের সম্বন্ধ আনে..কিন্তু লোকটি প্রায় তনুর বাবার বয়সের কাছাকাছি..তার আগের একটা বউ ও সাথে তিনটা সন্তান ও আছে..তনু খুব কান্নাকাটি কর..কিন্ক লেকটি অনেক টাকা থাকায় তনুর বাবা বিয়েতে রাজি হয়ে যায়..পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায় তনুর..বিয়ের অল্প কিছুদিন পর তনুর স্বামী মারা যায়..তখন তনুর স্বামীর আগে সন্তানরা তনুকে বাড়ী থেকে বের করে দেয়..তনু বুঝতে পারেনা যে সে এখন কি করবে..তখন সে ভাবে সে নতুন করে আবার পড়াশোনা শুরু করবে..নিজের পায়ে দাড়াবে..সে তার বাবাকে দেখাবে যে মেয়েরা কোন বোঝা নয়..তারা চাইলে পরিবার,সমাজ সবারই কল্যানের মূল কারন হতে পারে..তনু আবার স্কুলে ভর্তি হয়..খুব ভাল রেজাল্ট করে..তনুর.স্কুলের প্রধান শিহ্মক তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য খুব ভালভাবে পড়নো শুরু করে..তারপর তনু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায়..সেখানেও সে খুব ভাল রেজাল্ট করে বলে সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিহ্মক হবার সুযোগ পায়..তনুর স্বপ্ন যেন সত্যি হয়..সে তার বাবাকে দেখাতে চেয়েছিল যে মেয়েরা বোঝা না তারা ও পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে..আজ তনুর বাবা তনুকে নিয়ে গর্ব করে..অসন্তোষ্ট বাবার মুখের হাসির আর গর্বের কারন হওয়াটাই যেন তনুর জীবনের সবচাইতে বড় পাওয়া....
আলোচিত ব্লগ
"ধর্ষক ও চরিত্রহীনদের বাঁচাতেই কি ওয়াজের মঞ্চ? সাধারণ মানুষকে আর কত অন্ধ বানিয়ে রাখবেন!"

ধর্মের দোহাই দিয়ে ধর্ষক ও ব্যভিচারীদের পাপ ঢাকা এবং সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে অন্ধ বানিয়ে রাখার এই ভণ্ডামি আর কতকাল সহ্য করবেন?
পবিত্র ইসলাম আর সাহাবিদের ত্যাগকে কতখানি নামালে এই ভণ্ড মোল্লা... ...বাকিটুকু পড়ুন
নিঃশব্দ প্রহর

খাস খাতার পাতায় কলম চালাচ্ছিলেন ফরিদা বেগম (৪৫)। রাত তখন সাড়ে সাতটা। চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে পাশে বসা ছোট ছেলে সিয়ামকে (৯) বললেন, "হাতের লেখা এত দ্রুত শেষ করলে হবে?... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলাদেশিরা কেন বিজেপির পতন চায়?

আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুকলে মনে হয় ভারতের ভাগ্য নির্ধারণের গুরুদায়িত্ব বুঝি এদেশের মানুষের ওপর এসে পড়েছে। ভারতে কোথাও একটু আন্দোলন বা উত্তাপ ছড়ালেই এপারে যেন উৎসবের ধুম পড়ে যায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন
প্রাথমিক শিক্ষার মৌলিক সংকট: মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন
প্রাথমিক শিক্ষা একটি জাতির মানবসম্পদ উন্নয়নের ভিত্তিপ্রস্তর। এই স্তরেই শিশুর ভাষা, গণিত, নৈতিকতা, সৃজনশীলতা, সামাজিকতা ও জীবনদক্ষতার ভিত নির্মিত হয়। যে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা যত শক্তিশালী, সেই দেশের অর্থনীতি, সামাজিক... ...বাকিটুকু পড়ুন
রিয়েলিটি আপনারা মাইনে নেন

নরেন্দ্র মোদীকে আপনি যতই অপছন্দ করেন না কেন, তার একটা একটা প্রশংসনীয় গুণ আছে। সে বিশেষজ্ঞদের উপদেশ নিতে এবং সেই অনুযায়ী নিজের অপছন্দের কাজটা করতেও পিছপা হয় না।
সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।