ধর্মানন্দ: বৎসগণ, উপনিষদই হল সকল বিজ্ঞানের আধার।
প্রাচীন ঋষিগণ তাদের সাধনার শক্তি তে জীবের জন্ম, মৃত্যু এবং আত্মার দেহান্তরিত হওয়ার যে সকল কথা বহু যুগ আগেই উপলব্ধি করেছিলেন বর্তমান পাশ্চাত্য বিজ্ঞানীরা এখনো তা নিয়ে গবেষণা করে চলেছে।
গাবলু: গুরুজি, কোন কোন বিজ্ঞানীরা এবিষয়ে গবেষণা করছেন জানাবেন কী?
প্রশ্নোপনিষদের ৬ নং প্রশ্নে আছে আত্মা বুকের বাঁদিকে থাকে। তা থেকে ১০০ টি নাড়ি বেরিয়েছে। এর প্রতিটা থেকে আবার ১০১ টি শাখা নাড়ি বেরিয়েছে। এর মাধ্যমে আত্মা সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন করে।
ধর্মানন্দ: তবেই বোঝ ঋষিগণ চিকিৎসাশাস্ত্র বিষয়েও কত পন্ডিত ছিলেন।
গাবলু: গুরুজি, সমস্যা হল পৃথিবীতে অসংখ্য আণুবীক্ষণিক এককোষী জীব আছে যাদের একটাই কোষ থাকায় কোনরকম রক্ত পরিবহনের প্রশ্নই ওঠেনা।
স্পঞ্জ থেকে স্টারফিস কারুর শরীরেও রক্ত নেই।
সমগ্র উদ্ভিদ জগতেও রক্তের দেখা মিলবেনা।
এদের কী তবে আত্মা নেই প্রভু?
নাকি এরা জীবিতই নয়???
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ২:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



