এই বাংলাতে দুশো বছর আগে জন্মানো এক 'নেটিভ' বেয়ারার কথা
২৯ শে মে, ২০১৬ রাত ১২:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আজ থেকে প্রায় দুশো বছর আগে এই বাংলাতে একটা লোক জন্মেছিল।
বেঁটে খাটো গড়ন। মাথাটা দেহের তুলনায় অপেক্ষাকৃত বড় ছিল বলে সহপাঠীরা তাকে 'যশুরে কৈ' বলে খেপাত।
বড় হওয়ার পরেও তার মলিন পোশাক দেখে অনেকে কুলি বা 'নেটিভ' বেয়ারা মনে করত।
অথচ,
এই লোকটাই সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ হওয়ার পর তথাকথিত অব্রাহ্মণরা সেখানে শিক্ষার অধিকার লাভ করে।
সময় অনেক এগিয়েছে। আমাদের 'ভূপর্যটক' প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন দেশ ডিজিটাল হচ্ছে।
কিন্তু, এই
'ডিজিটাল ইন্ডিয়া'তেও শুধুমাত্র দলিত হওয়ার অপরাধে অনেক মেধাবী ছাত্রকে আত্মহত্যা করতে হচ্ছে।
আরো
মজার কথা, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা নিজেরাই নিজেদের দেশপ্রেমিক উপাধিতে ভূষিত করছে।
তাই লোকটাকে আজ বড়ই প্রয়োজন।
আমি কয়েকদিন ধরেই সেই বেয়ারা'র মত দেখতে লোকটার নামটা মনে করার চেষ্টা করছি।
কিন্তু, কিছুতেই পারছিনা।
আসলে শুধু আমি নয়, সমগ্র দেশই তাকে ভুলতে বসেছে।আপনি কী লোকটার নাম মনে করিয়ে দেবেন???
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মে, ২০১৬ রাত ১২:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। মুসা বিন শমসেরের ছেলে। মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে পুরো দেশ চষে বেড়াচ্ছেন। নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন, নতুন নতুন আইডিয়া দিচ্ছেন। মনে হয়,...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
অপলক , ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪

বাঁধন এখন বন্ধন মুক্ত। মিডিয়া পাড়ায় সরব উপস্থিতি। উপর মহলের ডাকে সারা দিতে হয়। কাজেই ফেমিকন লাগতেই পারে। মানে ফেমিকনের এ্যাড করা লাগতেই পারে। মিডিয়া আইকন হিসেবে জনসচেতনাতা বাড়াতে...
...বাকিটুকু পড়ুন
সময়ের সাথে সাথে নিজেকে বদলে নিতে হয়,
তোমার শরীর জুড়ে যখন
অভিজ্ঞতার গল্প পাঠের আসর,
তখনও ছেলে ভোলানো ছড়ায়
নিজেকে ভোলালে চলে?
আঁজলা ভরে সময়ের যন্ত্রণাকে পান কর,
পান কর সত্যকে।
পান কর...
...বাকিটুকু পড়ুন
বাং/লাদেশের মূর্খ জনগণ উন্নয়নের চেয়ে কথিত ফ্যাসিবাদকে বড় করে দেখেছে কিন্তু “উন্নয়নের দুর্ভিক্ষ” কি জিনিস তা দেখেনি।
দেখতে থাকুক….। আর ভাতের দুর্ভিক্ষ শুরু হলে বলে…..।
ফ্যাসিবাদ দূর করতে গিয়ে উন্নয়নই "নাই"...
...বাকিটুকু পড়ুনসম্পত্তি
সাইফুল ইসলাম সাঈফ
মায়ের কোলে থাকা অবস্থায়
বাবা ইন্তেকাল করেন।
দিগবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েন মা
বাবার অর্জিত কোনো সম্পত্তি ছিল না।
ওয়ারিশ সূত্রে কিছু খণ্ড খণ্ড জমি
এখনও বিদ্যমান বা আছে।
শৈশবে দেখেছি একটি জমিতে
চার-পাঁচটি কদম গাছ,... ...বাকিটুকু পড়ুন