somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি অসম্ভব ভালো লাগার চিঠি...

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৫:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


“ঈশ্বর যদি মুহূর্তের জন্য ভুলে যান যে, আমি এক কাপড়ের পুতুল এবং আমাকে তিনি দান করেন একটি জীবন; তাহলে যা ভাবছি তার সবটুকু হয়তো বলবো না, তবে যা বলবো সেসব নিয়ে নিশ্চয় ভাববো। যার যে মূল্য প্রাপ্য, তাকে সে মূল্য দেবো তার গুরুত্বের জন্য।
ঘুমাবো অল্প, স্বপ্ন দেখবো বেশি, কারণ প্রতি মিনিটে চোখ বন্ধ করা মানে ৬০ সেকেন্ড আলো থেকে বঞ্চিত হওয়া। হাঁটবো, যখন সবাই দাঁড়িয়ে পড়বেন। জেগে উঠবো, যখন সবাই ঘুমিয়ে থাকবেন। শুনবো, যখন সবাই বলেন। উপভোগ করবো ঠাণ্ডা চকলেট, আইসক্রিম।
ঈশ্বর যদি আমাকে এক টুকরো জীবন দান করেন, তাহলে একেবারে সাধারণ কাপড়চোপড় পরবো, উবু হয়ে শুয়ে থাকবো সূর্যালোকে, কেবল শরীরই নয়, আমার আত্মাকেও নেংটো করে দেবো।
যদি আমার হৃদয় থাকে, তাহলে বরফের বিরুদ্ধে লিখবো আমার যতো ঘৃণা; আর অপেক্ষা করবো কখন সূর্য আসে। ভ্যান গগের স্বপ্ন নিয়ে নক্ষত্র সম্পর্কে আঁকবো বেনেদেত্তির একটি কবিতা। আর সেররাতের একটি গান হবে, চাঁদকে উৎসর্গীকৃত এক সেরেনাতা। কাঁটার আঘাত আর পাপড়ির মাংসল চুম্বন অনুভব করার জন্য গোলাপকে চোখের জলে ভিজিয়ে রাখবো।
হে ঈশ্বর, যদি আমার এক টুকরো জীবন থাকতো, তাহলে মানুষকে যে আমি ভালোবাসি-সে কথা বলতে আমি একদিনের জন্যও ভুলবো না। প্রত্যেক নারী-পুরুষকে বোঝাতে চেষ্টা করবো যে, তারা আমার প্রিয়, তারা যেনো ভালোবাসার প্রেমে জীবন-যাপন করেন।
বৃদ্ধ হলেই ভালোবাসাকে একপাশে সরিয়ে রাখতে হবে-যারা এ রকম ভাবেন, তাঁর যে কতো ভুল সেটা প্রমাণ করে দেখিয়ে বলতে চাই প্রেমহীনতাই বৃদ্ধত্ব। শিশুকে দেবো ডানা, যাতে সে উড়তে শেখে। আর বৃদ্ধদের শেখাবো এই কথা যে-বৃদ্ধত্ব নয়, বৃদ্ধিই মৃত্যুর কারণ। আপনাদের কাছ থেকে আমি এতো কিছু শিখেছি, জেনেছি, সবাই বাস করতে চাই পাহাড়ের চূড়ায়, কিন্তু সত্যিকারের সুখ এবড়ো-থেবড়ো পাহাড়ি পথে আরোহনের মধ্যে। সদ্যজাত কোনো শিশু যখন তার ছোট্ট হাতের মুঠোয় প্রথমবারের মতো বাবার আঙুল চেপে ধরে, তখন সে তা চেপে ধরে চিরকালের জন্য।
যা ভাবেন, তা সব সময় করবেন; যা অনুভব করেন, তা বলুন। যদি জানি যে, আজই তোমাকে শেষবারের মতো ঘুমিয়ে থাকতে দেখবো, তাহলে তোমাকে আমার গভীর আলিঙ্গন দেবো আর ঈশ্বরের কাছে তোমার আত্মার সুরক্ষা প্রার্থনা করবো। যদি জানতে পারি, এটাই হবে তোমাকে দরজা দিয়ে শেষবারের মতো বেরিয়ে যেতে দেখা, তাহলে তোমাকে দেবো আলিঙ্গন, চুমু আর আরও কিছু দেওয়ার কথা বলবো। যদি জানি যে-এটাই হবে তোমাকে শেষবারের মতো শোনা, তাহলে নিশ্চিতভাবে বারবার শোনার জন্য তোমার কণ্ঠের প্রতিটি শব্দ রেকর্ড করে রাখবো। যদি জানি যে-এগুলোই হচ্ছে তোমাকে দেখার শেষ মুহূর্ত, তাহলে বলবো ‘তোমাকে ভালোবাসি’।
সব সময়ই থেকে যায় এক আগামীকাল, আর কর্তব্যগুলো সঠিকভাবে পালনের জন্য জীবন আমাদের আরেকটি সুযোগ এনে দেয়। কিন্তু যদি আমি ভুল করি আর আজকের দিনটিই যদি আমার জীবনের শেষ দিন হয়, তাহলে বলবো-তোমাকে এতো ভালোবাসি, তোমাকে আমি কোনো দিনই ভুলবো না। তরুণ কিংবা বৃদ্ধ কারোর জন্যই আগামীকালটি নিশ্চিত নয়। হতে পারে আজই শেষবারের মতো দেখতে পাচ্ছ, যাকে তুমি ভালোবাসো।
অতএব, আর অপেক্ষা না করে যা করার তা আজই করে নাও, যেহেতু আগামীকাল কখনও আসবে না। তখন ব্যস্ত থাকার কারণে শেষ আকাঙ্ক্ষাটি বলতে না পারার জন্য এবং একটি হাসি, একটু আলিঙ্গন আর একটি চুমুর জন্য সময় না পাওয়ার জন্য নিশ্চিতভাবেই বিলাপ করবে। যাদের ভালোবাসো তাদের তোমার কাছে রাখো; তাদের কানের কাছে গিয়ে বলো যে-তাদের তোমার ভীষণ প্রয়োজন এবং তাদের তুমি ভীষণ ভালোবাসো। সব সময় তাদের সঙ্গে সুব্যবহার করো; ‘আমি দুঃখিত’, ‘আমাকে মাফ করো’, ‘দয়া করে’, ‘ধন্যবাদ’ এবং ভালোবাসার সব শব্দ বলার জন্য সময় রেখো। তোমার গোপন ভাবনার জন্য তোমাকে কেউ স্মরণ করবে না। তোমার শক্তি আর জ্ঞান প্রকাশের জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করো। তোমার বন্ধুদের বুঝতে দাও যে, তারা তোমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।”.।
“ঈশ্বর যদি মুহূর্তের জন্য ভুলে যান যে, আমি এক কাপড়ের পুতুল এবং আমাকে তিনি দান করেন একটি জীবন; তাহলে যা ভাবছি তার সবটুকু হয়তো বলবো না, তবে যা বলবো সেসব নিয়ে নিশ্চয় ভাববো। যার যে মূল্য প্রাপ্য, তাকে সে মূল্য দেবো তার গুরুত্বের জন্য।
ঘুমাবো অল্প, স্বপ্ন দেখবো বেশি, কারণ প্রতি মিনিটে চোখ বন্ধ করা মানে ৬০ সেকেন্ড আলো থেকে বঞ্চিত হওয়া। হাঁটবো, যখন সবাই দাঁড়িয়ে পড়বেন। জেগে উঠবো, যখন সবাই ঘুমিয়ে থাকবেন। শুনবো, যখন সবাই বলেন। উপভোগ করবো ঠাণ্ডা চকলেট, আইসক্রিম।
ঈশ্বর যদি আমাকে এক টুকরো জীবন দান করেন, তাহলে একেবারে সাধারণ কাপড়চোপড় পরবো, উবু হয়ে শুয়ে থাকবো সূর্যালোকে, কেবল শরীরই নয়, আমার আত্মাকেও নেংটো করে দেবো।
যদি আমার হৃদয় থাকে, তাহলে বরফের বিরুদ্ধে লিখবো আমার যতো ঘৃণা; আর অপেক্ষা করবো কখন সূর্য আসে। ভ্যান গগের স্বপ্ন নিয়ে নক্ষত্র সম্পর্কে আঁকবো বেনেদেত্তির একটি কবিতা। আর সেররাতের একটি গান হবে, চাঁদকে উৎসর্গীকৃত এক সেরেনাতা। কাঁটার আঘাত আর পাপড়ির মাংসল চুম্বন অনুভব করার জন্য গোলাপকে চোখের জলে ভিজিয়ে রাখবো।
হে ঈশ্বর, যদি আমার এক টুকরো জীবন থাকতো, তাহলে মানুষকে যে আমি ভালোবাসি-সে কথা বলতে আমি একদিনের জন্যও ভুলবো না। প্রত্যেক নারী-পুরুষকে বোঝাতে চেষ্টা করবো যে, তারা আমার প্রিয়, তারা যেনো ভালোবাসার প্রেমে জীবন-যাপন করেন।
বৃদ্ধ হলেই ভালোবাসাকে একপাশে সরিয়ে রাখতে হবে-যারা এ রকম ভাবেন, তাঁর যে কতো ভুল সেটা প্রমাণ করে দেখিয়ে বলতে চাই প্রেমহীনতাই বৃদ্ধত্ব। শিশুকে দেবো ডানা, যাতে সে উড়তে শেখে। আর বৃদ্ধদের শেখাবো এই কথা যে-বৃদ্ধত্ব নয়, বৃদ্ধিই মৃত্যুর কারণ। আপনাদের কাছ থেকে আমি এতো কিছু শিখেছি, জেনেছি, সবাই বাস করতে চাই পাহাড়ের চূড়ায়, কিন্তু সত্যিকারের সুখ এবড়ো-থেবড়ো পাহাড়ি পথে আরোহনের মধ্যে। সদ্যজাত কোনো শিশু যখন তার ছোট্ট হাতের মুঠোয় প্রথমবারের মতো বাবার আঙুল চেপে ধরে, তখন সে তা চেপে ধরে চিরকালের জন্য।
যা ভাবেন, তা সব সময় করবেন; যা অনুভব করেন, তা বলুন। যদি জানি যে, আজই তোমাকে শেষবারের মতো ঘুমিয়ে থাকতে দেখবো, তাহলে তোমাকে আমার গভীর আলিঙ্গন দেবো আর ঈশ্বরের কাছে তোমার আত্মার সুরক্ষা প্রার্থনা করবো। যদি জানতে পারি, এটাই হবে তোমাকে দরজা দিয়ে শেষবারের মতো বেরিয়ে যেতে দেখা, তাহলে তোমাকে দেবো আলিঙ্গন, চুমু আর আরও কিছু দেওয়ার কথা বলবো। যদি জানি যে-এটাই হবে তোমাকে শেষবারের মতো শোনা, তাহলে নিশ্চিতভাবে বারবার শোনার জন্য তোমার কণ্ঠের প্রতিটি শব্দ রেকর্ড করে রাখবো। যদি জানি যে-এগুলোই হচ্ছে তোমাকে দেখার শেষ মুহূর্ত, তাহলে বলবো ‘তোমাকে ভালোবাসি’।
সব সময়ই থেকে যায় এক আগামীকাল, আর কর্তব্যগুলো সঠিকভাবে পালনের জন্য জীবন আমাদের আরেকটি সুযোগ এনে দেয়। কিন্তু যদি আমি ভুল করি আর আজকের দিনটিই যদি আমার জীবনের শেষ দিন হয়, তাহলে বলবো-তোমাকে এতো ভালোবাসি, তোমাকে আমি কোনো দিনই ভুলবো না। তরুণ কিংবা বৃদ্ধ কারোর জন্যই আগামীকালটি নিশ্চিত নয়। হতে পারে আজই শেষবারের মতো দেখতে পাচ্ছ, যাকে তুমি ভালোবাসো।
অতএব, আর অপেক্ষা না করে যা করার তা আজই করে নাও, যেহেতু আগামীকাল কখনও আসবে না। তখন ব্যস্ত থাকার কারণে শেষ আকাঙ্ক্ষাটি বলতে না পারার জন্য এবং একটি হাসি, একটু আলিঙ্গন আর একটি চুমুর জন্য সময় না পাওয়ার জন্য নিশ্চিতভাবেই বিলাপ করবে। যাদের ভালোবাসো তাদের তোমার কাছে রাখো; তাদের কানের কাছে গিয়ে বলো যে-তাদের তোমার ভীষণ প্রয়োজন এবং তাদের তুমি ভীষণ ভালোবাসো। সব সময় তাদের সঙ্গে সুব্যবহার করো; ‘আমি দুঃখিত’, ‘আমাকে মাফ করো’, ‘দয়া করে’, ‘ধন্যবাদ’ এবং ভালোবাসার সব শব্দ বলার জন্য সময় রেখো। তোমার গোপন ভাবনার জন্য তোমাকে কেউ স্মরণ করবে না। তোমার শক্তি আর জ্ঞান প্রকাশের জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করো। তোমার বন্ধুদের বুঝতে দাও যে, তারা তোমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।”

সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৫:৪১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সৌদির আকাশে সংঘাতের কালো মেঘ আর প্রবাসীদের পুরনো বন্দিদশা: আমাদের শ্রমবাজারের নতুন সংকট

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৮

বাইরে যুদ্ধাবস্থা, রিয়াদের কিং খালেদ বিমানবন্দরে হুতিদের লাগাতার ড্রাফট-মিসাইল হামলা, আর অন্যদিকে সৌদি আরবগামী ফ্লাইটগুলো একে একে বাতিল বা স্থগিত—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের অভিবাসন খাতে আবারও এক মারাত্মক অন্ধকারের ছায়া নেমে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথের ধর্মীয় পরিচয়, গ্রাফিতিতে চুনকালি ও পলিটিক্যাল ইসলাম

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:০৪


রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন প্রগতিশীল লেখকের লেখা পড়ে আমি হতাশ ও বিস্মিত হয়েছি। তাঁদের মধ্যে একাধিকজন লিখেছেন, রবীন্দ্রনাথ হিন্দু ছিলেন না, তিনি ছিলেন ব্রাহ্ম।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথের নামে কত শত অভিযোগ

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০৫


*রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাকি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা চুরি করে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন! বাস্তবতা হলো, রবীন্দ্রনাথ যখন নোবেল পান, নজরুল তখন লেখালেখেই শুরুই করেননি। তাঁর বয়স সবে ১৪ ছিল।

প্রাপ্ত বয়সে নজরুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাটায় - পুটায় ঘষাঘষি, মাঝখানে মরিচদের জীবন শেষ?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩১

আওয়ামী তথা ভারতীয়দের নমস্য রবী বাবুর চিত্রে কালিমা লেপন।
দুই দিন পরে, আওয়ামী বিরোধীদের 'রবী' ইউনুস সাহেবকে গালাগালি!!!
এ যেন পাটাপুটায় ঘষাঘষি করে অভাগা মরিচদের জীবন শেষ করার চেষ্টা?
কিন্তু, রবী বাবু কিংবা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাসূল (সা.), আহলে বাইত ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) অনুচিত কাজের সমালোচনা ও সমর্থন করা যাবে না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৪১




সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান... ...বাকিটুকু পড়ুন

×