somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রম্য-রঙ্গ-৩

১০ ই অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



দুই বন্ধুতে কথা হচ্ছে ১ম বন্ধুর কথা-বার্তা সব যৌনতা নিয়ে কিন্তু ২য় বন্ধু তা ঘুড়িয়ে অন্যদিকে নিয়ে যাচ্ছে। এতে ১ম বন্ধু বিরক্ত হচ্ছে এবং এক পর্যায়ে ২য় বন্ধুকে ঘায়েল করার জন্য বলল-

১ম বন্ধু : দোস্ত তোর ঐ টার সাইজ কেমন ?
২য় বন্ধু : কোনটা ?
১ম বন্ধু : না মানে কলা না মুলার মত
২য় বন্ধু : মানে?
১ম বন্ধু : মানে আবার কি তোর বন্দুকটার কথা বলছি
২য় বন্ধু : আমার তো কোন বন্দুক নাই
১ম বন্ধু : আরে হালার সেই বন্দুক না। চামড়ার বন্দুক
২য় বন্ধু : চামড়ার আবার বন্দুক হয় না কি ?
১ম বন্ধু : বেশি ভদ্রতা দেখাস, রাগ উঠাইসনা, তাইলে কিন্তু অহন খুইলা দেহুম।
২য় বন্ধু : অ-বুঝছি। থাক থাক আর খোলতে হইবো না। এই কথা হা. হা. হা..........................



গ্রামের বাড়িতে পোলাপান খেলা-ধুলা করছে। একজন বেশি দুষ্টামি করছে এবং খেলায় বাধা দিচ্ছে তখন দুই/তিন জন সুর করে বলতে শুরু করলো-
ঐ ছেড়া বান্দর
তর মায় সোন্দর
তর মার বিয়া
ভাঙ্গা ঢোল দিয়া।

প্রতিউত্তরে ছেলেটি যার সাথে বেশি শত্রুতা তার উদ্দেশ্যে বলছে-

ঐ ছেড়া মোকপোড়া
কাইন্দা বেড়াছ সারা পাড়া
তর লগে আড়ি
লাজ থাকরে যাইসনা আমার বাড়ি।




৪/৫ জন বন্ধু বান্ধব মাঠে বসে গল্প করছে, পিচ্ছি এক বাদামওয়ালার কাছ থেকে বাদম কিনে খাচ্ছে। হঠাৎ একজন পো করে পাদ দিল।
অমনি এক জন আরেক জনকে দোষ দিচ্ছে। তখন পিচ্ছি বলছে-

পাদে পাদন্তী
পাদে ভাগ্যবতী
পাদ আছে যার
ভাত আছে তার
পাদ নাই যার
পোড়া কপাল তার।
ছড়া শুনে সবাই হতভম্ব। এ ওর মুখ দেখা দেখি করছে আর পিচ্ছি তখন দাত কেলিয়ে হাসছে। এবার সে মজা পেয়ে যেতে যেতে বলছে-
ছেড়া-বেড়া
কাঠলের কোষ
ছেড়ি পাদ দিলে
ছেড়ার দোষ।
এবার সবাই মুখ টিপে হাসছে আর বলছে- ও বাবারে হাসতে হাসতে মরে যাচ্ছি পিচ্ছি কি শোনাল !




ছাত্র-শিক্ষক কথা হচ্ছে পড়া-লেখার ফাঁকে ফাঁকে।
ছাত্র : স্যার, রাস্তায় যারা কলা বেচে এটা সেটা বেচে তাদেরকেতো একদিনও তাদের জিনিস খাইতে দেখি না।
স্যার : তো কি হয়েছে ?
ছাত্র : না মানে ওরা ক্যান খায়না কে জানে ? আমি হলে ১টা ১টা করে সব খেয়ে সাবাড় করতাম।
স্যার : সবাই যদি তোমার মত খেয়ে সাবাড় করে যার যার জিনিস। তাহলে বেচবে কি ? আর অন্য মানুষজন কিনবেই বা কোথা থেকে
ছাত্র : আরে তাইতো এমন কইরা তো ভাবি নাই। সবাই খাইলে বেচব কে ?
স্যার : কি কলা খাবে না কি ?
ছাত্র : না স্যার অন্য দিন।




এই রঙ্গটি একটি গল্প তা থেকে নিজের ইচ্ছামত বানিয়ে ফেললাম-
এক চাষী ১১টি কৈ মাছ ধরে বাড়ি নিয়ে এসে বউকে বলল-
শুনছ ভাল করে মাছগুলো ভেজে রাখ গরম ভাত দিয়ে খাব। তো চাষীবউ মাছ ধুয়ে ভেজে রাখল। ঘ্রানে সে খাওয়ার লোভ সামলাতে পারলনা। প্রথমে ভাবল ১টা খেয়ে দেখি কেমন হয়েছে। মজা পেয়ে খেতে খেতে সে ১০টি মাছ খেয়ে ফেলল।

স্বামী যখন খেতে বসল তখন দেখতে পেল ১টি মাছ। জিজ্ঞেস করল বাকি মাছ কই। চাষীবউ উত্তর দিল-

১টি গেল পালিয়ে
ঠেকল দশে
ধুইতে-মাঝতে ৩টি খসে
থাকলো সাত
ভূতের মুখে ১টি ভীষণ কালো রাত
থাকলো ছয়
প্রতিবেশিকে ২টি দিতে হয়
ঠেকল শেষে চারে
ছেলে-মেয়ে ২টি কাড়ে
আর বাকি দুই
মোর জন্য ১টি থুই
থাকলো কেবল এক
চোখ থাকলে পাতে দেখ।

সত্যি চাষীর পাতে ১ টি ভাজা কৈই ও ২টি পোড়া লংকা। বুদ্ধির জোরে চাষীবউ পার পেয়ে গেল।




ব্লগ নিয়ে একবন্ধু বেশ উচ্ছাসিত। সে তার অপর বন্ধুকে বলছে-
১ম জন: দোস্ত আজকে ব্লগে ১টা পোস্ট দিছি। হিট হইবো।
২য় জন : ব্লগে কেমনে লেহে? সিস্টেমডা ক'দেহি। আমিও লেহুম।
১ম জন : সে কিরে! তুই আবার কি লিখবি, তুইতো ভালা কইরা পড়তেই পারসনা।
২য় জন : একখান এস.এম.এস বই কিনা খালি এস.এম.এস পোস্ট দিমু আর লগে আমার ছবি।
১ম জন : তার কাজ নেই বাপু। সবাই তোকে নিয়ে হাসা-হাসি করবে।
২য় জন : ব্লগে আবার হাসনও যায় ! আজকাই ব্লগ খুইলা দে
১ম জন : ব্লগ তো ২৪ ঘন্টাই খোলা থাকে।
২য় জন : তাই নাকি ? দারুণ একখান জিনিষতো ! এমনে এমনে হাসতে আর ভাল-লাগেনা। এইবার ব্লগে হাসুম।


ছবি : নেট
লেখা চুরি হইলে খবড় আছে।


সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:৩২
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সব হারিয়েও বেঁচে থাকা: একজন রোকসানা রুমার নিঃসঙ্গ গল্প

লিখেছেন ওয়াদুদ সোহেল মোল্লা, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬


জীবন আসলে বড় অদ্ভুত এক গোলকধাঁধা। আমরা ভাবি মেধা, ডিগ্রি আর সাফল্য দিয়ে পুরো জীবনটা সাজিয়ে ফেলা যাবে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস মানুষকে কোথায় এনে দাঁড় করায়, তা কেউ জানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মিটারে টাকা ভরতে গিয়ে এ কি হলো আমার সাথে। না পড়লে চরম মিস।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১২

বিদুৎ মিটার, দুই প্রকার। এক হচ্ছে প্রিপেইড আরেকটি পোস্ট পেইড। আমার কাছে পোস্ট পেইড ভালো লাগে। কারন এখানে বিলের কপি দিয়ে যায়। ও বিলের কপি নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে জমা দিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=নীলাম্বরী সেজে আছি=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৩৮



এই এসো না কাছে এসো,
নীল শাড়ীতে নীলাম্বরী
ঠায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষাতে
এসে ভাসাও প্রেমের তরী।

নীল সমুদ্দুর ডেকেছে আজ
তাই দাঁড়িয়ে আছি একা
এসো তুমি হাওয়ায় উড়ে
এসে করো একটু দেখা।

হাঁটতে ইচ্ছে বালিচরে,
তুমি আমার - পাশে হাঁটবে?
মনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মূল্যস্ফীতি বাড়লে বা কমলে আমরা টের পাই না কেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১


গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে বাংলাদেশে এখন কয়টা ঋতু আছে তা কেউ বলতে পারে না। আমার মনে হয় গ্রীষ্ম আর বর্ষার একটা মিশ্র ঋতু আছে, আর আছে শীত। এই গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×