কোন একটি দেশে চাকরী যদি ৫৬% যদি কোটাতে চলে যায় তবে অনেক মেধাবী চাকরীর সুযোগ হারাবে এটাই স্বাভাবিক। কোটা থাকুক ন্যায্য হারে সেটা সবাই চায়।
২০১৮ সালের পর আবারও কোটা আন্দলোন শুরু হয় দেশে। ২০২৪ সালের এই আন্দোলন শুরুতে শান্তিপূর্ণ থাকলেও দ্রুত তা সহিংস্য হয়ে উঠে। এর পিছনে কে বা কারা ছিল এর জন্য এককভাবে কাউকে দায়ী করা যায়না। সরকার যদি প্রথমেই ব্যবস্থা দিতেন তবে আজ এত ছাত্র ও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি হতনা।
কিছু ক্ষেত্রে পুলিশ ও ছাত্রলীশ যা করেছে সেটা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আন্দোলন সফল হয়েছে তবে তার বিনিময়ে দিতে হয়েছে রক্ত আর লাশ। সরকারীভাবে বলা হচ্ছে প্রায় ২০০ জন মারা গিয়েছে তবে অনেকের ধারণা আরও বেশি সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতি হয়েছে দেশের কিছু সম্পদ ও স্থাপনার।
আন্দোলন কোন দিকে মোড় নেয় সেটা কেউ বলতে পারবেনা তাই সরকার দ্রুত কার্ফু জারি করে ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে এই কোর্টের মাধ্যমে রায় প্রদান করে দেশকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেছেন। এক্ষেত্রে সরকার সফল হয়েছে।
কিন্তু যারা চলে গলেন পৃথিবী ছেড়ে যারা ছিলেন একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তাদের পরিবার পরিজনের দায় কে নিবে ? অবস্থা এমন হয়েছিল যে মানুষ ঘরেও নিরাপদ নয়। মিরপুরে ঘরে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে ১১ বছরের শিশু। জানালা বন্ধ করতে গিয়ে হঠাৎ পুলিশের ছোরা গুলি এসে শিশুটির চোখ দিয়ে ঢুকে মাথার পিছন দিয়ে বেড়িয়ে যায় । ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। কি হৃদয়বিদারক।
০৭% কোটার পক্ষে বায় সন্তোষজনক। অধিকার আদায়ে আন্দোলনের বিকল্প নেই। ভাল থাকুক আমার দেশ, ভাল থাকুক জাতি।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুলাই, ২০২৪ দুপুর ১২:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




